📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা

📄 নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা


নিফাসের সর্বোচ্চ সময় কাল সাধারণত ৪০ দিন। তবে যদি এর আগেই পবিত্র হয়ে যায় তাহলে গোসল করে সালাত আদায় করবে এবং রোযাও রাখবে। এ অবস্থায় সহবাস করা স্বামীর জন্য জায়েয। যদি ৬০ দিন পর্যন্ত রক্ত নির্গত হয় তাও নিফাস বলে গণ্য হবে। তবে যদি এর পরও বের হতে থাকে তাহলে তা ইসতিহাযা তথা প্রদর রোগজনিত রক্ত বলে গণ্য হবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 গর্ভবতী নারী থেকে নির্গত রক্তের বিধান

📄 গর্ভবতী নারী থেকে নির্গত রক্তের বিধান


গর্ভবতী নারী যদি অনেক রক্তস্রাব হওয়া সত্ত্বেও গর্ভপাত না ঘটে তাহলে তা ইস্তিহাযা তথা রোগজনিত কারণে রক্ত। সে কারণে সালাত ছেড়ে দিবে না, তবে প্রতি ওয়াক্তের জন্য ওযু করবে। যদি অভ্যাস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ও মাসে একই অবস্থায় রক্ত দেখা যায় তাহলে তা মাসিকের রক্ত। মাসিকের কারণে সালাত, সহবাস ও সিয়াম (রোযা) ইত্যাদি ছেড়ে দিবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ঋতুবতী ও প্রসূতির প্রতি যা হারাম

📄 ঋতুবতী ও প্রসূতির প্রতি যা হারাম


হায়েয ও নিফাস অবস্থায় পবিত্র হয়ে গোসল করা পর্যন্ত সালাত আদায়, রোযা ও বায়তুল্লাহ শরীফের তওয়াফ এবং সহবাস করা হারাম।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হায়েয বন্ধ করা পিল ব্যবহারের বিধান

📄 হায়েয বন্ধ করা পিল ব্যবহারের বিধান


১. মাসিকের সময় নির্দিষ্ট অভ্যাস মতো হোক বা তার চেয়ে কম হোক বা বেশি হোক এ অবস্থাতে নারীগণ সালাত আদায় করবে না। যখনই পবিত্র হবে গোসল করে সালাত আদায় করবে। তবে মাসিক অবস্থার সালাত কাজা করবে না কিন্তু রোযা কাজা করবে।

২. ক্ষতির সম্ভাবনা না থাকলে প্রয়োজনে মাসিক বন্ধ করে এমন জিনিস খেতে বা গ্রহণ করতে পারবে এবং তাতে সে পবিত্র হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় সে রোযা রাখবে এবং সালাতও আদায় করবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px