📄 হায়েযের সময়সীমা
হায়েয মাসিকের ন্যূনতম ও সর্বাধিক সময়ের বা শুরু-শেষের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই এবং দুই মাসিকের মাঝে পবিত্রতার বিষয়ে ন্যূনতম ও সর্বাধিক সময় কালের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই।
* নিফাস (প্রসূতি-অবস্থার রক্ত): সন্তান প্রসবকালে বা তার আগে-পরে নারীদের সামনের রাস্তা দিয়ে যে রক্ত বের হয় তা-ই নিফাস।
📄 নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা
নিফাসের সর্বোচ্চ সময় কাল সাধারণত ৪০ দিন। তবে যদি এর আগেই পবিত্র হয়ে যায় তাহলে গোসল করে সালাত আদায় করবে এবং রোযাও রাখবে। এ অবস্থায় সহবাস করা স্বামীর জন্য জায়েয। যদি ৬০ দিন পর্যন্ত রক্ত নির্গত হয় তাও নিফাস বলে গণ্য হবে। তবে যদি এর পরও বের হতে থাকে তাহলে তা ইসতিহাযা তথা প্রদর রোগজনিত রক্ত বলে গণ্য হবে।
📄 গর্ভবতী নারী থেকে নির্গত রক্তের বিধান
গর্ভবতী নারী যদি অনেক রক্তস্রাব হওয়া সত্ত্বেও গর্ভপাত না ঘটে তাহলে তা ইস্তিহাযা তথা রোগজনিত কারণে রক্ত। সে কারণে সালাত ছেড়ে দিবে না, তবে প্রতি ওয়াক্তের জন্য ওযু করবে। যদি অভ্যাস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ও মাসে একই অবস্থায় রক্ত দেখা যায় তাহলে তা মাসিকের রক্ত। মাসিকের কারণে সালাত, সহবাস ও সিয়াম (রোযা) ইত্যাদি ছেড়ে দিবে।
📄 ঋতুবতী ও প্রসূতির প্রতি যা হারাম
হায়েয ও নিফাস অবস্থায় পবিত্র হয়ে গোসল করা পর্যন্ত সালাত আদায়, রোযা ও বায়তুল্লাহ শরীফের তওয়াফ এবং সহবাস করা হারাম।