📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হায়েযের (ঋতুস্রাবের) উৎস

📄 হায়েযের (ঋতুস্রাবের) উৎস


আল্লাহ তা'আলা মাসিক বা ঋতুস্রাব সৃষ্টি করেছেন মায়ের গর্ভে শিশুর খাবার যোগানোর জন্য একটি বড় হেকমত। এ জন্যই সাধারণত গর্ভবতী মায়ের জায়েয বা ঋতুস্রাব হয় না। ফলে সন্তান প্রসব করার পরেই আল্লাহ তা'আলা এটাকে মায়ের স্তনে পর্যাপ্ত দুধরূপে রূপান্তরিত করে দেন। এ জন্য শিশুকে দুগ্ধ দানকালে নারীদের খুব কমই মাসিক হয়ে থাকে। যখনই নারীর গর্ভধারণ ও দুগ্ধ দান শেষ হয়, তখন মাসিকের এ রক্ত কোন কাজে ব্যবহার না হওয়ার কারণে জরায়ুতে (গর্ভাশয়ে) গিয়ে জমা হয়। অতঃপর প্রতি মাসে সাধারণত ৬ বা ৭ দিন করে তা বের হয়।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হায়েযের সময়সীমা

📄 হায়েযের সময়সীমা


হায়েয মাসিকের ন্যূনতম ও সর্বাধিক সময়ের বা শুরু-শেষের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই এবং দুই মাসিকের মাঝে পবিত্রতার বিষয়ে ন্যূনতম ও সর্বাধিক সময় কালের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই।

* নিফাস (প্রসূতি-অবস্থার রক্ত): সন্তান প্রসবকালে বা তার আগে-পরে নারীদের সামনের রাস্তা দিয়ে যে রক্ত বের হয় তা-ই নিফাস।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা

📄 নেফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা


নিফাসের সর্বোচ্চ সময় কাল সাধারণত ৪০ দিন। তবে যদি এর আগেই পবিত্র হয়ে যায় তাহলে গোসল করে সালাত আদায় করবে এবং রোযাও রাখবে। এ অবস্থায় সহবাস করা স্বামীর জন্য জায়েয। যদি ৬০ দিন পর্যন্ত রক্ত নির্গত হয় তাও নিফাস বলে গণ্য হবে। তবে যদি এর পরও বের হতে থাকে তাহলে তা ইসতিহাযা তথা প্রদর রোগজনিত রক্ত বলে গণ্য হবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 গর্ভবতী নারী থেকে নির্গত রক্তের বিধান

📄 গর্ভবতী নারী থেকে নির্গত রক্তের বিধান


গর্ভবতী নারী যদি অনেক রক্তস্রাব হওয়া সত্ত্বেও গর্ভপাত না ঘটে তাহলে তা ইস্তিহাযা তথা রোগজনিত কারণে রক্ত। সে কারণে সালাত ছেড়ে দিবে না, তবে প্রতি ওয়াক্তের জন্য ওযু করবে। যদি অভ্যাস অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ও মাসে একই অবস্থায় রক্ত দেখা যায় তাহলে তা মাসিকের রক্ত। মাসিকের কারণে সালাত, সহবাস ও সিয়াম (রোযা) ইত্যাদি ছেড়ে দিবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px