📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ইসলামী ফেকাহ-এর কতিপয় উসূল ও নীতিমালা

📄 ইসলামী ফেকাহ-এর কতিপয় উসূল ও নীতিমালা


১. নিশ্চিত বিষয়ের প্রতি সন্দেহ কখনও প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
২. প্রত্যেক বস্তুর প্রকৃতিই হলো পবিত্র যদি তার অপবিত্রতার ক্ষেত্রে কোন প্রমাণ না পাওয়া যায়।
৩. দায়িত্বমুক্ত হওয়াই হলো মূল বিষয়। তবে যদি প্রমাণ পাওয়া যায়।
৪. প্রত্যেক বস্তুর প্রকৃতিই হলো পবিত্র তবে যদি অপবিত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়।
৫. কঠিনই সহজতাকে বয়ে আনে।
৬. অতি প্রয়োজনীয়তা নিষিদ্ধ বস্তুকে বৈধ করে, তবে তা প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষেই নির্ধারিত হবে (অতিরিক্ত নয়)।
৭. অপারগতার ক্ষেত্রে বাধ্য করা হয় না।
৮. অতি প্রয়োজনে হারাম থাকে না।
৯. মঙ্গল বাস্তবায়নের চেয়ে অমঙ্গল দমনই প্রধান্য পাবে।
১০. একাধিক কল্যাণ সামনে উপস্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কল্যাণ ও একাধিক অকল্যাণের ক্ষেত্রে সর্বনিম্নটি গ্রহণ করা হয়।
১১. কারণ দ্বারাই পক্ষে ও বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
১২. আবশ্যকতাই বাধ্য করে।
১৩. দলিল ছাড়া ইবাদত না করাই হলো ইবাদতের আসল এবং শরিয়তে হারাম সাব্যস্ত না হওয়া ছাড়া আদত-স্বভাব, লেন-দেন ও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে সবই বৈধ।
১৪. মুস্তাহাব বা বৈধতার দলিল ছাড়া শরিয়তের আদেশ সাধারণত ওয়াজিব বুঝায়।
১৫. মাকরুহ হওয়ার দলিল ছাড়া শরিয়তের নিষেধাজ্ঞা সাধারণত হারামই বুঝায়।
১৬. উপকারী বস্তুর ব্যবহার সাধারণত হালাল এবং ক্ষতিকারক বস্তুর ব্যবহার সাধারণত হারাম।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 শরিয়তের আদেশগুলো পালন করার হুকুম

📄 শরিয়তের আদেশগুলো পালন করার হুকুম


আল্লাহ তা'আলার আদেশগুলো সহজ-সরল ও সাধ্যপর। অতএব, বান্দা যেন তার সাধ্যমত তা পালন করে এবং সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে থাকে।

আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা করেন- "তোমরা আল্লাহকে যথাসাধ্য ভয় কর এবং শোন, আনুগত্য কর ও খরচ কর। এটি তোমাদের নিজেদের জন্য মঙ্গলজনক।” [সূরা তাগাবুন: আয়াত-১৬]

আবু হুরায়রা (রা) নবী করীম ﷺ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আমি তোমাদেরকে যে আদর্শের ওপর রেখে যাই তোমরা তার ওপরই স্থির থাকবে। তোমাদের পূর্বে যারা ছিল নিশ্চয়ই তারা তাদের নবীদেরকে অনেক বাদানুবাদ ও তাঁদের সাথে বিরোধিতার কারণে বিনাশ হয়ে যায়। কাজেই আমি তোমাদেরকে যা নিষেধ করি তা থেকে তোমরা দূরে থাকবে এবং যা আমি আদেশ করি সাধ্যমত তা পালন করবে।" (বুখারী, হাদীস নং ৭২৮৮ ও মুসলিম, হাদীস নং ১৩৩৭)

ফন্ট সাইজ
15px
17px