📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 জীবজন্তুর জন্য খরচের বিধান

📄 জীবজন্তুর জন্য খরচের বিধান


যার মালিকানাধীন চতুষ্পদ জন্তু ও পশু-পাখি রয়েছে তার কর্তব্য হলো সেগুলোর খানাপিনা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা নেয়া এবং যা বহনে অপারগ এমন বোঝা না চাপানো। মালিক পশু-পাখির পরিচর্যায় অপারগ হলে তাকে তা বিক্রি করতে অথবা জবাই করতে (যদি গোশত খাওয়ার পশু হয়) অথবা ভাড়া দিতে বাধ্য করা হবে। আর রোগাক্রান্ত ও অচল হয়ে গেলে তা জবাই করা না জায়েয বরং তার ব্যবস্থা নিতে হবে。

ভরণ-পোষণ প্রদানকারীর অবস্থাভেদ: ভরণ-পোষণকারীর দুই অবস্থা
১. ভরণ-পোষণ প্রদানকারী যদি গরীব বা কম সম্পদের মালিক হয় তাহলে স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও কৃতদাস ইত্যাদি যাদের বিষয়টা অতি গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভরণ-পোষণ দেয়া ফরজ। এমতাবস্থায় সে প্রথমে নিজেকে দিয়ে আরম্ভ করবে। অত:পর সচ্ছল-অসচ্ছল সর্বাবস্থায় যাদের ভরণ-পোষণ দেয়া ফরজ তাদের দিবে। যেমন: স্ত্রী, কৃত দাস-দাসী ও পশু-পাখি ইত্যাদি। অত:পর তাদের ভরণ-পোষণ দেয়া ফরজ যদিও তাদের কোন পরিত্যক্ত সম্পদ নাও পায়, তারা হল: পিতা-মাতা, ছেলে-মেয়ে। অত:পর অন্যান্য যাদের উত্তরাধিকার হবে তাদের ভরণ-পোষণ দেয়া।
২. যদি ভরণ-পোষণ দানকারী ধনী ও সচ্ছল হয় তাহলে সকলের ভরণ-পোষণ করবে। আর প্রত্যেক অধিকারীর অধিকার প্রদান করবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 কল্যাণমূলক তহবিল (চ্যারিটি ফান্ড)-এর হুকুম

📄 কল্যাণমূলক তহবিল (চ্যারিটি ফান্ড)-এর হুকুম


একটি দলের প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় নিজেদের সম্পদ থেকে ফান্ড জমা করার নাম কল্যাণমূলক তহবিল। সকলের নিকট থেকে যে অনুসারে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে তা গ্রহণ করবে। এ ফান্ডের সম্পদ অংশীদার কেউ বিপদ ও দুর্ঘটনায় পতিল হলে তার সাহায্যের জন্য প্রস্তুত থাকবে। এ জাতীয় কাজ শরিয়ত সম্মত। এটি নেক ও পরহেযগারীর কাজ এবং বিপদগ্রস্তদের সহযোগিতা。

আবু মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে করীম ﷺ বলেছেন : "নিশ্চয় মদীনার আশ'আরী গোত্রের যারা যুদ্ধে যখন বিধবা হয়ে পড়ে বা তাদের পরিবারের খাবার কম পড়ে তখন তারা একটি পোশাকে তাদের নিকট যা আছে তা একত্র করে। অত:পর একটি পাত্র দ্বারা সবার মাঝে সমানভাবে বণ্টন করে। তারা আমার অন্তর্ভুক্ত এবং আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত।” (বুখারী, হাদীস নং ২৪৮৬ ও মুসলিম, হাদীস নং ২৫০০)

ফন্ট সাইজ
15px
17px