📄 শোক পালনের সময়সীমা
স্বামী ব্যতীত অন্যের জন্য তিনদিন শোক পালন করা জায়েয রয়েছে। আর স্বামী মৃত্যুবরণ করলে চারমাস দশদিন যে ইদ্দত পালন করতে হয় মূলত: এটিই শোক পালনের নির্ধারিত সময়। স্বামীর মৃত্যুর সময় স্ত্রী গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসবের মাধ্যমে ইদ্দত ও শোক পালনের সময়ও শেষ হয়ে যাবে।
📄 ইদ্দত পালনের স্থান
১. স্বামী মৃত্যুবরণ করলে স্ত্রী স্বামীর গৃহেই ইদ্দত পালন করবে। যদি কোন ভয়-ভীতি ও সমস্যা থাকে তাহলে যেখানে ইচ্ছা ইদ্দত পালন করতে পারবে। ইদ্দত পালনকালে দরকারবশত: বাইরে বের হওয়া জায়েয রয়েছে। স্বামীর ঘরে বা অন্য যেখানেই থাকুক না কেন (চার মাস দশ দিন) সময় পার হওয়ার সাথে সাথে ইদ্দতের সময় শেষ হয়ে যাবে。
২. রাজ'য়ী তালাকের ইদ্দত পালনকারী মহিলা স্বামীর ঘরেই থাকবে এবং তাকে ভরণ-পোষণ দিতে হবে; কেননা সে এখনও তার স্ত্রী। তার কথা ও কাজে এবং প্রকাশ্য অশ্লীলতায় পরিবারের লোকেরা কষ্ট না পাওয়া পর্যন্ত স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে বের করে দেয়া যাবে না。
৩. বায়েন তালাকপ্রাপ্তা মহিলা গর্ভবতী হলে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত তাকে খরচ দিতে হবে। আর যদি গর্ভবতী না হয় তাহলে ইদ্দতের সময় কোন খোরাকি দিতে হবে না। বায়েন তালাকপ্রাপ্তা, খোলা তালাক ও অন্যভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে সে মহিলা তার পিত্রালয়ে ইদ্দত পালন করবে।
📄 ইদ্দত পালনকারীণীর জন্যে যা করা জায়েয
ইদ্দত পালনকারিণীর জন্যে জায়েয হলো : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া, গোসল করা, চুল পরিপাটি করা, সাধারণ পোশাক পরিধান করা, শালীনভাবে দরকারবশত: বাড়ি থেকে বের হওয়া এবং কোন ধরনের সন্দেহ না থাকলে পুরুষদের সাথে কথা বলা।