📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 ঈলা করার পদ্ধতি

📄 ঈলা করার পদ্ধতি


যদি কসম করে যে, স্ত্রীর নিকটে কখনো বা চার মাসের বেশি যাবে না তাহলে সে ঈলাকারী হয়ে যাবে। যদি চার মাসের মধ্যে স্ত্রীর সাথে সহবাস করে তবে ঈলা শেষ হয়ে যাবে এবং তার প্রতি কসম ভঙ্গের কাফফারা দেয়া আবশ্যক হয়ে যাবে।

কাফফারা ইয়ামীন : দশজন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো অথবা তাদেরকে পোশাক পরানো কিংবা একটি দাস-দাসী আযাদ করা। যদি এগুলো না পারে তবে তিন দিন রোযা রাখা।

আর যদি সহবাস ব্যতীতই চার মাস অতিক্রম হয়ে যায়, তবে স্ত্রীর অধিকার আছে স্বামীকে সহবাস করতে বাধ্য করবে। যদি সহবাস করে তবে স্বামীর ওপর কসম ভঙ্গের কাফফারা ব্যতীত আর কিছুই আবশ্যক হবে না। আর যদি সহবাস করতে অস্বীকার করে, তবে স্ত্রী তালাক চাইবে। যদি তালাক দিতে অস্বীকার করে, তবে আদালতের বিচারক সাহেব স্ত্রীকে ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্যে স্বামীর প্রতি এক তালাক দেয়ার জন্য বাধ্য করবে।

আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা করেন- "যারা স্বীয় স্ত্রীর নিকট যাবে না বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের সুযোগ রয়েছে। অত:পর যদি পারস্পারিক মিল-মিশ করে নেয় তবে আল্লাহ ক্ষমাকারী দয়ালু। আর যদি ত্যাগ করার ইচ্ছা করে নেয়, তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী ও জ্ঞানী।” (সূরা-২ বাকারা: আয়াত-২২৬-২২৭)

* ঈলাকৃতা স্ত্রীর ইদ্দত তালাকপ্রাপ্তার মতো। ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে এর বিবরণ আসবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px