📄 বায়েন তালাকপ্রাপ্তা যেথায় ইদ্দত পালন করবে
তিন তালাকপ্রাপ্তা তার পরিবারের বাড়িতে ইদ্দত পালন করবে; কারণ সে তার স্বামীর জন্য বৈধ নয়। সে খরচ ও বাসস্থান পাবে না। আর ইদ্দত পালন অবস্থায় প্রয়োজন ব্যতীত তার পরিবারের বাড়ি থেকে বের হবে না।
📄 যখন স্ত্রীর জন্যে তালাক চাওয়া জায়েয
যদি স্ত্রী এমন ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার ফলে তার জীবন যাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়ে, তবে আদালতে বিচারকের সামনে তালাক চাওয়া বৈধ। যেমন :
১. যদি স্বামী খরচের বিষয়ে অবহেলা করে।
২. যদি স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে এমন ব্যবহার করে যার ফলে জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়ে। যেমন : গালি-গালাজ করা অথবা প্রহার করা কিংবা কষ্ট দেয়া যা সহ্য করার মতো না বা কোন খারাপ কাজে বাধ্য করা ইত্যাদি।
৩. যদি স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নিজের বিষয়ে যেনায় লিপ্ত হওয়ার ভয় করে।
৪. যদি স্বামী দীর্ঘ সময় ধরে বন্দী থাকে যার বিরহে স্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫. যদি স্ত্রী স্বামীর স্থায়ী কোন ত্রুটি বা রোগ দেখে। যেমন : বন্ধ্যা অথবা সহবাসে অক্ষম কিংবা ঘৃণিত মারাত্মক কোন রোগ ইত্যাদি。
* একাই ভোগ করার উদ্দেশ্যে সতীনকে তালাক দিতে বলা হারাম。
* যদি স্বামী স্ত্রীকে বলে তোমার হায়েয হলেই তুমি তালাক তবে সন্দেহমুক্ত প্রথম হায়েযেই তালাক হয়ে যাবে।
📄 ঝুলন্ত তালাকের বিধান
যদি স্বামী স্ত্রীকে বলে তুমি যদি ছেলে সন্তান প্রসব কর তবে তুমি এক তালাক আর যদি কন্যা সন্তান প্রসব কর তবে তুমি দু' তালাক। অত:পর যদি ছেলে সন্তান প্রসবের পর কন্যা সন্তান প্রসব কর তবে প্রথমটি দ্বারা এক তালাকপ্রাপ্তা হবে আর দ্বিতীয়টি দ্বারা বায়েন হয়ে যাবে। আর তার ওপর কোন ইদ্দত পালন করা আবশ্যক হবে না।
📄 প্রসূতি অবস্থায় তালাকের বিধান
স্বামীর জন্য গর্ভবতী স্ত্রীকে তালাক দেয়া জায়েয; কারণ গর্ভবতী অবস্থায় ইদ্দত হিসাব করা হয় না। আর স্ত্রী তালাক পাওয়ার সাথে সাথে ইদ্দত শুরু করতে পারবে। কিন্তু ঋতু অবস্থার এর বিপরীত; কেননা ঋতু অবস্থায় তালাক দিলে সাথে সাথে ইদ্দত শুরু করতে পারবে না।