📄 রাজ‘য়ী (প্রত্যাহারযোগ্য) তালাক
স্বামী স্পর্শকৃতা স্ত্রীকে এক তালাক দিবে। ইদ্দতে থাকা অবস্থায় ইচ্ছা করলে স্বামী ফিরিয়ে আনতে পারবে। আর যদি ফিরিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় তালাক দেয় তবে ইদ্দতে থাকা অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে পারবে। ইদ্দতে থাকলে এ দু'অবস্থায় স্ত্রীই থাকবে। এ অবস্থায় স্ত্রী স্বামীর মিরাস পাবে এবং স্বামীও স্ত্রীর মিরাস পাবে। আর স্ত্রীর জন্য রয়েছে খরচ ও বাসস্থান।
📄 রাজ‘য়ী তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী যেখানে ইদ্দত পালন করবে
এক বা দুই তালাককে রাজ'য়ী অবস্থায় যদি স্ত্রী সহবাসকৃতা বা একাকী নির্জনে স্বামীর সাথে সহবাস হয়েছে এমন হয় তবে তাকে স্বামীর বাড়িতে ইদ্দত পালন করা ওয়াজিব। যাতে করে স্বামী তাকে ফিরিয়ে নেয়। আর স্ত্রীর জন্য উত্তম হলো স্বামীর জন্য সাজগোজ করা যেন তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ফেরত নেয়। আর ফেরত না নিলে স্ত্রীকে ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের করে দেয়া স্বামীর জন্য না জায়েয।
📄 বায়েন তালাকপ্রাপ্তা যেথায় ইদ্দত পালন করবে
তিন তালাকপ্রাপ্তা তার পরিবারের বাড়িতে ইদ্দত পালন করবে; কারণ সে তার স্বামীর জন্য বৈধ নয়। সে খরচ ও বাসস্থান পাবে না। আর ইদ্দত পালন অবস্থায় প্রয়োজন ব্যতীত তার পরিবারের বাড়ি থেকে বের হবে না।
📄 যখন স্ত্রীর জন্যে তালাক চাওয়া জায়েয
যদি স্ত্রী এমন ক্ষতিগ্রস্ত হয় যার ফলে তার জীবন যাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়ে, তবে আদালতে বিচারকের সামনে তালাক চাওয়া বৈধ। যেমন :
১. যদি স্বামী খরচের বিষয়ে অবহেলা করে।
২. যদি স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে এমন ব্যবহার করে যার ফলে জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়ে। যেমন : গালি-গালাজ করা অথবা প্রহার করা কিংবা কষ্ট দেয়া যা সহ্য করার মতো না বা কোন খারাপ কাজে বাধ্য করা ইত্যাদি।
৩. যদি স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নিজের বিষয়ে যেনায় লিপ্ত হওয়ার ভয় করে।
৪. যদি স্বামী দীর্ঘ সময় ধরে বন্দী থাকে যার বিরহে স্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫. যদি স্ত্রী স্বামীর স্থায়ী কোন ত্রুটি বা রোগ দেখে। যেমন : বন্ধ্যা অথবা সহবাসে অক্ষম কিংবা ঘৃণিত মারাত্মক কোন রোগ ইত্যাদি。
* একাই ভোগ করার উদ্দেশ্যে সতীনকে তালাক দিতে বলা হারাম。
* যদি স্বামী স্ত্রীকে বলে তোমার হায়েয হলেই তুমি তালাক তবে সন্দেহমুক্ত প্রথম হায়েযেই তালাক হয়ে যাবে।