📄 সুন্নাতি তালাকের আরো পদ্ধতি
স্ত্রীর গর্ভধারণ সুস্পষ্ট হওয়ার পর এক তালাক দেয়া। আর যদি স্ত্রী এমন হয় যার হায়েয বা ঋতু হয় না তবে যে কোন সময় তালাক দিতে পারবে। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- “তালাকে-রাজ’য়ী হলো দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সাথে ত্যাগ করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের নিকট থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ বিষয়ে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অত:পর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে (খোলা তালাক করে) অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন গুনাহ নেই। এ হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুত যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করবে, তারাই হলো জালেম। তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয় বার) তালাক দেয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ব্যতীত অপর কোন স্বামীর সাথে (বিশুদ্ধ উপায়ে) বিবাহ করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অত:পর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয় (বা মৃত্যুবরণ করে) তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করতে কোন গুনাহ নেই, যদি আল্লাহর বিধান বজায় রাখতে ইচ্ছা থাকে। আর এ হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা বুঝতে পারে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।" [সূরা-২ বাকারা: আয়াত-২২৯-২৩০]
* অত:পর যখন তালাক পূর্ণ হবে এবং বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে তখন স্বামীর জন্য সুন্নাত হলো স্ত্রীকে তার ও স্বামীর অবস্থার আলোকে কিছু খরচ দেয়া এটি স্ত্রীর অন্তরের প্রশান্তির জন্য এবং তার কিছু অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- "আর তালাকপ্রাপ্তা মহিলাদের জন্য প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী খরচ দেয়া মুত্তাকী ব্যক্তিবর্গের ওপর কর্তব্য।" [সূরা-২ বাকারা: আয়াত-২৪১]