📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 সাময়িক সময়ের জন্য যাদের সাথে বিবাহ হারাম

📄 সাময়িক সময়ের জন্য যাদের সাথে বিবাহ হারাম


ক. দু' বোনকে একত্রে, ফুফু ও তার ভাতিজীকে একত্রে, খালা ও ভাগিনীকে একত্রে। চাই এরা বংশের হোক বা দুধের হোক। যখন একজন মৃত্যুবরণ করবে বা তালাক দিয়ে দিবে তখন অপরজনকে বিবাহ করা জায়েয হয়ে যাবে।
খ. ইদ্দত পালনকারিণী: যতক্ষণ সে তার ইদ্দত থেকে মুক্ত না হবে।
গ. তিন তালাকপ্রাপ্তা মহিলা : যতক্ষণ সে অন্য স্বামী গ্রহণ করে একে অপরের সাথে মিলিত না হবে এবং স্বেচ্ছায় তালাক বা মৃত্যুবরণ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য জায়েয হবে না।
ঘ. হজ্ব বা উমরার ইহরাম অবস্থায়, যতক্ষণ হালাল না হবে।
ঙ. মুসলিম মহিলা কাফের পুরুষের জন্য যতক্ষণ সে ইসলাম গ্রহণ না করবে।
চ. ইহুদি ও খ্রিস্টান মহিলা ব্যতীত অন্য কোন কাফের নারী যতক্ষণ সে ইসলাম গ্রহণ না করে ততক্ষণ কোন মুসলিমের জন্য বিয়ে করা হারাম।
ছ. অন্যের স্ত্রী বা ইদ্দত পালনকারিণী মহিলা। কিন্তু যদি দাসীতে পরিণত হয় তাহলে তখন জায়েয হবে।
জ. ব্যভিচারিণী মহিলা ও ব্যভিচারী পুরুষ একজন অন্যের জন্য হারাম যতক্ষণ সে তওবা না করে এবং ইদ্দত শেষ না হয়। এসব মহিলা নিষিদ্ধতা দূর না হওয়া পর্যন্ত হারাম।
ঝ. উভয় লিঙ্গের খুনছা (হিজড়া)-কে যতক্ষণ পর্যন্ত তার বিষয় সুস্পষ্ট না হয়।

* যেনার দ্বারা যে কন্যা হয় তাকে বিয়ে করা হারাম। অনুরূপ যেনার দ্বারা যে ছেলে তার সাথে সে মায়ের বিয়েও হারাম。
* কোন দাস তার কর্ত্রীকে বিবাহ করবে না এবং মনিব তার দাসীকে বিয়ে করবে না; কারণ সে তো তার দাসী হিসেবে মালিকানাভুক্ত। বিবাহ দ্বারা যার সাথে সহবাস হারাম সে দাসী হিসেবে মালিকানাভুক্ত হলেও হারাম। কিন্তু ইহুদি-খ্রিস্টান দাসী ব্যতীত, তাকে বিবাহ করা না জায়েয। তবে দাসী হিসেবে মালিকানাভুক্ত হওয়ার জন্য সহবাস করা বৈধ। শরিয়তে কোন মহিলাকে বিবাহ অথবা মালিকানাভুক্ত ব্যতীত সহবাস করা না জায়েয।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 উম্মুল ওয়ালাদের হুকুম

📄 উম্মুল ওয়ালাদের হুকুম


উম্মুল ওয়ালাদ সেই দাসী যে তার মালিকের দ্বারা গর্ভবতী হয়েছে এবং বাচ্চা প্রসব করেছে। তার সঙ্গে মালিকের সহবাস করা এবং তার খিদমত নেয়া ও তাকে দাসীর মতো ভাড়া দেয়া বৈধ। তবে স্বাধীন মহিলার মতোই তাকে বিক্রি, দান ও ওয়াকফ করা না জায়েয। সে এক মাসিক ইদ্দত পালন করবে যার দ্বারা তার জরায়ু পরিষ্কার প্রমাণিত হবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 আকদের বিপরীত এমন শর্তের হুকুম

📄 আকদের বিপরীত এমন শর্তের হুকুম


যদি স্ত্রী বা তার অভিভাবক শর্ত করে যে, স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করবে না অথবা তার ঘর বা শহর স্থানান্তর করবে না কিংবা তার মোহরানা বাড়িয়ে দিবে ইত্যাদি যা আক্বদের পরিপন্থী নয়, তাহলে শর্ত করা বিশুদ্ধ। অতএব, স্বামী সে শর্তের কোন বিপরীত করলে স্ত্রী ইচ্ছা করলে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 হারানো স্বামী-স্ত্রীর হুকুম

📄 হারানো স্বামী-স্ত্রীর হুকুম


যদি হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তির স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ করে এবং দ্বিতীয় স্বামীর সাথে সহবাসের আগেই প্রথম স্বামী উপস্থিত হয়, তাহলে সে প্রথম স্বামীরই থাকবে। আর সহবাসের পর হলে দ্বিতীয় স্বামীর তালাক ব্যতীত প্রথম স্বামী আগের আকুদ দ্বারাই গ্রহণ করবে। তবে ইদ্দত পূরণ করার পর তার সাথে মিলন করবে। আর প্রথম স্বামী দ্বিতীয় জন থেকে তার দেয়া মোহরানা নিয়ে স্ত্রীকে দ্বিতীয় স্বামীর কাছে রেখেও দিতে পারে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px