📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাহ করলে কি করবে

📄 দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাহ করলে কি করবে


সুন্নাত নিয়ম হলো কেউ কুমারী বিয়ে করলে তার অধীনে আরো স্ত্রী থাকলে প্রথমে কুমারীর নিকট একাধারে সাত দিন থাকবে। অত:পর সকলের মাঝে সময় সমান করে বণ্টন করবে। আর যদি বিবাহিতা বিয়ে করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে। অত:পর সমানভাবে বণ্টন করবে। আর যদি সাত দিন পছন্দ করে তবে তাই করবে এবং বাকীদের জন্যও অনুরূপ সাত দিন করে পূরণ করবে। অত:পর সকলের জন্য একটি করে রাত্রি বণ্টন করবে。

উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলে করীম ﷺ যখন উম্মু সালামা (রা)-কে বিবাহ করলেন তখন তার কাছে তিন দিন থাকলেন এবং বললেন : “এটি তোমার পরিবারের প্রতি অপমানকর নয়। যদি চাও তবে তোমার জন্য সাত দিন করব। আর তোমার জন্য সাত দিন করলে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের জন্যও সাত দিন করব।” (মুসলিম: হাদীস নং ১৪৬০)

* কুমারী মহিলা স্বামীর নিকটে অপরিচিত এবং তার পরিবার থেকে দূরে, তাই নতুন জীবনে স্বামী বন্ধুত্বের ও একাকীত্ব নি:সঙ্গতা দূর করার অধিক প্রয়োজন যা পূর্বে বিবাহিতা মহিলার বিপরীত।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনের বিধান

📄 স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনের বিধান


স্বামীর অনুমতি নিয়ে স্ত্রী তার দিনগুলো সতীন বা স্বামীকে হেবা-দান করতে পারে এবং স্বামী তা অন্য স্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট করলে জায়েয।
* যার একাধিক স্ত্রী আছে তার জন্য অন্যান্য স্ত্রীদের নিকট (যাদের কাছে আজ যাওয়া দিন না) প্রবেশ করা এবং নিকটবর্তী হওয়া ও খোঁজ-খবর নেয়া জায়েয। তবে রাত হলে যার পালা তার নিকটে প্রত্যাবর্তন করতে হবে এবং তার জন্যই রাত্রি নির্দিষ্ট করতে হবে。
* যদি স্বামীর অনুমতি ছাড়াই স্ত্রী সফর করে বা তার সঙ্গে সফর করতে কিংবা তার নিকট বিছানায় রাত্রি যাপন করতে অস্বীকার করে, তাহলে তার জন্য না বণ্টন আর না ভরণ-পোষণ রয়েছে; কারণ সে নাফরমান-অবাধ্য।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বণ্টনের সময়

📄 বণ্টনের সময়


যার উপার্জনের সময় দিনে তার সময় বণ্টন রাত্রে আর যার উপার্জনের সময় রাত্রে তার সময় বণ্টন দিনে। পবিত্র ও ঋতুবতী এবং বয়স্কা ও ছোট সকলের জন্যে বণ্টন করবে। কিন্তু যদি ঋতুবতী ও রুগিণীর জন্য বণ্টন না করা প্রসঙ্গে ঐক্যমত হয় তাহলে জায়েয। আর যে তার অধিকার বিলুপ্ত করবে চাইলে তার জন্য সময় বণ্টন করবে না।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 অনুপস্থিত স্বামীর আগমনের পদ্ধতি

📄 অনুপস্থিত স্বামীর আগমনের পদ্ধতি


অনুপস্থিত স্বামীর জন্য সুন্নাত নিয়ম হলো হঠাৎ করে বাড়িতে না আসা বরং তার আসার সময় আগেই জানিয়ে দেয়া; যাতে করে স্ত্রী সুন্দরভাবে সাজগোজ ও পরিপাটি করে স্বামীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে পারে। আর মাথার এলোমেলো চুল পরিপাটি-সিঁথী ও নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করতে পারে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px