📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফের নিয়ম

📄 স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফের নিয়ম


স্বামীর প্রতি স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনে, রাত্রি যাপনে, ভরণ-পোষণে, বাসস্থানে ইনসাফ করা ওয়াজিব। আর সহবাসে বরাবর করা ওয়াজিব নয় তবে সম্ভব হলে উত্তম। আর অন্তরের আকর্ষণ কারো প্রতি অধিক হলে তার পাপ হবে না; কারণ কেউ তার অন্তরের মালিক নয়।

"তোমরা কখনোও মহিলাদেরকে সমান রাখতে পারবে না, যদিও এর আকাঙ্ক্ষী হও। অতএব, সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড় না যে, একজনকে ফেলে রাখ দোদুল্যমান অবস্থায়। যদি সংশোধন কর এবং মুত্তাকী হও, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।” (সূরা ৪-নিসা : আয়াত-১২৯)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাহ করলে কি করবে

📄 দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাহ করলে কি করবে


সুন্নাত নিয়ম হলো কেউ কুমারী বিয়ে করলে তার অধীনে আরো স্ত্রী থাকলে প্রথমে কুমারীর নিকট একাধারে সাত দিন থাকবে। অত:পর সকলের মাঝে সময় সমান করে বণ্টন করবে। আর যদি বিবাহিতা বিয়ে করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে। অত:পর সমানভাবে বণ্টন করবে। আর যদি সাত দিন পছন্দ করে তবে তাই করবে এবং বাকীদের জন্যও অনুরূপ সাত দিন করে পূরণ করবে। অত:পর সকলের জন্য একটি করে রাত্রি বণ্টন করবে。

উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলে করীম ﷺ যখন উম্মু সালামা (রা)-কে বিবাহ করলেন তখন তার কাছে তিন দিন থাকলেন এবং বললেন : “এটি তোমার পরিবারের প্রতি অপমানকর নয়। যদি চাও তবে তোমার জন্য সাত দিন করব। আর তোমার জন্য সাত দিন করলে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের জন্যও সাত দিন করব।” (মুসলিম: হাদীস নং ১৪৬০)

* কুমারী মহিলা স্বামীর নিকটে অপরিচিত এবং তার পরিবার থেকে দূরে, তাই নতুন জীবনে স্বামী বন্ধুত্বের ও একাকীত্ব নি:সঙ্গতা দূর করার অধিক প্রয়োজন যা পূর্বে বিবাহিতা মহিলার বিপরীত।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনের বিধান

📄 স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনের বিধান


স্বামীর অনুমতি নিয়ে স্ত্রী তার দিনগুলো সতীন বা স্বামীকে হেবা-দান করতে পারে এবং স্বামী তা অন্য স্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট করলে জায়েয।
* যার একাধিক স্ত্রী আছে তার জন্য অন্যান্য স্ত্রীদের নিকট (যাদের কাছে আজ যাওয়া দিন না) প্রবেশ করা এবং নিকটবর্তী হওয়া ও খোঁজ-খবর নেয়া জায়েয। তবে রাত হলে যার পালা তার নিকটে প্রত্যাবর্তন করতে হবে এবং তার জন্যই রাত্রি নির্দিষ্ট করতে হবে。
* যদি স্বামীর অনুমতি ছাড়াই স্ত্রী সফর করে বা তার সঙ্গে সফর করতে কিংবা তার নিকট বিছানায় রাত্রি যাপন করতে অস্বীকার করে, তাহলে তার জন্য না বণ্টন আর না ভরণ-পোষণ রয়েছে; কারণ সে নাফরমান-অবাধ্য।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বণ্টনের সময়

📄 বণ্টনের সময়


যার উপার্জনের সময় দিনে তার সময় বণ্টন রাত্রে আর যার উপার্জনের সময় রাত্রে তার সময় বণ্টন দিনে। পবিত্র ও ঋতুবতী এবং বয়স্কা ও ছোট সকলের জন্যে বণ্টন করবে। কিন্তু যদি ঋতুবতী ও রুগিণীর জন্য বণ্টন না করা প্রসঙ্গে ঐক্যমত হয় তাহলে জায়েয। আর যে তার অধিকার বিলুপ্ত করবে চাইলে তার জন্য সময় বণ্টন করবে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px