📄 ভ্রুণ নষ্ট করার হুকুম
কোন ধরনের ওজর বা প্রয়োজনে ৪০ দিনের পূর্বে জরায়ু থেকে বৈধ ঔষধ দ্বারা ভ্রুণ নষ্ট করা জায়েয। তবে শর্ত হলো স্বামীর অনুমতি লাগবে এবং স্ত্রীর কোন ধরনের ক্ষতি যেন না হয়। আর অধিক সন্তান অথবা তাদের জীবিকার অপারগতা কিংবা লালান-পালনের ভয়ে ভ্রুণ নষ্ট করা না জায়েয।
📄 এক বাড়িতে একাধিক স্ত্রীকে একত্রে রাখার হুকুম
দু'জন বা এর অধিক স্ত্রীকে এক বাড়িতে তাদের সন্তুষ্টি ব্যতীত একত্রে রাখা স্বামীর জন্য হারাম। আর লটারী ব্যতীত কোন একজনকে নিয়ে সফরে যাওয়াও হারাম। যার দু'জন স্ত্রীর কোন একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়বে সে শেষ বিচার দিবসে তার এক পার্শ্ব কাত হয়ে উঠবে।
📄 স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফের নিয়ম
স্বামীর প্রতি স্ত্রীদের মাঝে বণ্টনে, রাত্রি যাপনে, ভরণ-পোষণে, বাসস্থানে ইনসাফ করা ওয়াজিব। আর সহবাসে বরাবর করা ওয়াজিব নয় তবে সম্ভব হলে উত্তম। আর অন্তরের আকর্ষণ কারো প্রতি অধিক হলে তার পাপ হবে না; কারণ কেউ তার অন্তরের মালিক নয়।
"তোমরা কখনোও মহিলাদেরকে সমান রাখতে পারবে না, যদিও এর আকাঙ্ক্ষী হও। অতএব, সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড় না যে, একজনকে ফেলে রাখ দোদুল্যমান অবস্থায়। যদি সংশোধন কর এবং মুত্তাকী হও, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।” (সূরা ৪-নিসা : আয়াত-১২৯)
📄 দ্বিতীয় স্ত্রী বিবাহ করলে কি করবে
সুন্নাত নিয়ম হলো কেউ কুমারী বিয়ে করলে তার অধীনে আরো স্ত্রী থাকলে প্রথমে কুমারীর নিকট একাধারে সাত দিন থাকবে। অত:পর সকলের মাঝে সময় সমান করে বণ্টন করবে। আর যদি বিবাহিতা বিয়ে করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে। অত:পর সমানভাবে বণ্টন করবে। আর যদি সাত দিন পছন্দ করে তবে তাই করবে এবং বাকীদের জন্যও অনুরূপ সাত দিন করে পূরণ করবে। অত:পর সকলের জন্য একটি করে রাত্রি বণ্টন করবে。
উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলে করীম ﷺ যখন উম্মু সালামা (রা)-কে বিবাহ করলেন তখন তার কাছে তিন দিন থাকলেন এবং বললেন : “এটি তোমার পরিবারের প্রতি অপমানকর নয়। যদি চাও তবে তোমার জন্য সাত দিন করব। আর তোমার জন্য সাত দিন করলে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের জন্যও সাত দিন করব।” (মুসলিম: হাদীস নং ১৪৬০)
* কুমারী মহিলা স্বামীর নিকটে অপরিচিত এবং তার পরিবার থেকে দূরে, তাই নতুন জীবনে স্বামী বন্ধুত্বের ও একাকীত্ব নি:সঙ্গতা দূর করার অধিক প্রয়োজন যা পূর্বে বিবাহিতা মহিলার বিপরীত।