📄 বৌভাতের খানা খাওয়ার হুকুম
বৌভাত খানা খাওয়া মুস্তাহাব ওয়াজিব নয়। যার রোযা ওয়াজিব সে উপস্থিত হবে এবং দোয়া দিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর যার রোযা নফল সে হাজির হলে রোযা ভেঙ্গে দেয়া মুস্তাহাব; কারণ এর দ্বারা মুসলিম ভাইয়ের মনে সান্ত্বনা এবং আনন্দ লাভ করে।
* যখন কোন মুসলিম কোন জনগোষ্ঠীরবাদে প্রবেশ করবে তখন তাদেরকে সালাম দিবে এবং মজলিসের যেখানে স্থান পাবে সেখানেই বসবে। আর মজলিস থেকে বের হতে চাইলে সালাম দিবে।
📄 বৌভাত অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী কার্যাদি হলে সেখানে উপস্থিতির হুকুম
যদি জানতে পারে যে বৌভাত অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী কাজ-কর্ম ঘটছে আর তা পরিবর্তন করতে পারবে, তবে উপস্থিত হয়ে তা দূর করবে। আর যদি দূর করার ক্ষমতা না থাকে তবে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক নয়। আর যদি উপস্থিত হয়ে জানতে পারে তবে দূর করবে, আর না পারলে প্রত্যাবর্তন করবে। আর যদি জানতে পারে গর্হিত কাজ হচ্ছে কিন্তু দেখতে না পায় অথবা শুনতে পায় তবে সেখানে থাকা বা ফিরে চলে আসার মধ্যে তার এখতিয়ার রয়েছে।
📄 যদি কোন মহিলাকে দেখে ভালো লাগে তবে কি করবে
জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল করীম একজন নারীকে দেখলেন। অত:পর তিনি তাঁর স্ত্রী যয়নাবের নিকটে আসলেন তখন তিনি (রা) তার একটি চামড়া পাকা করার জন্যে কচলাতে ছিলেন। নবী করীম তাঁর চাহিদা পূরণ করলেন। অত:পর তাঁর সাহাবায়ে কেরামের নিকট বের হয়ে বললেন: "নিশ্চয় মহিলা শয়তানের আকৃতিতে অগ্রসর হয় এবং শয়তানের সুরতেই পেছনে ফিরে যায়। অতএব, তোমাদের কেউ কোন মহিলাকে দেখলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকটে আসে; কারণ এর দ্বারা তার মনের সব চাহিদা দূর হয়ে যাবে।” (মুসলিম: হাদীস নং ১৪০৩)
📄 সম্ভ্রান্ত ও বিদ্বানকে খাবার দ্বারা সম্মানিত করা
সাহল ইবনে সা'দ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু উসাইদ আস সাঈদী (রা) রাসূলে করীমকে তার বৌভাত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেন। সেদিন তার স্ত্রী নববধূ তাদের খিদমত আঞ্জাম দেয়। সাহল বলেন: জান সে নববধূ রাসূলে করীম-কে কি পান করিয়েছিল? সে রাত্রিতে খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল। যখন তিনি খেলেন তখন সে তাঁকে সে খেজুর ভিজানো পানিও পান করালো।” (বুখারী: হাদীস নং ৫১৭৬ মুসলিম: হাদীস নং ২০০৬)