📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বৌভাতের দাওয়াত গ্রহণ করার হুকুম

📄 বৌভাতের দাওয়াত গ্রহণ করার হুকুম


বৌভাতের দাওয়াতকারী যদি মুসলিম হয়, দাওয়াত নির্দিষ্ট করে দেয়, প্রথম দিনে হয় এবং কোন তার ওজর না থাকে ও এমন কোন শরিয়ত বিরোধী কাজ-কর্ম না হয় যা পরিবর্তন করতে অক্ষম, তবে দাওয়াত গ্রহণ করা ওয়াজিব।

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূলে করীম বলেছেন: "যদি তোমাদের কেউ (অলিমার) দাওয়াতে আমন্ত্রিত হয়, তবে সে যেন তা গ্রহণ করে। আর যদি রোযাদার হয় তবে যেন তার জন্য দোয়া করে। আর রোযাদার না হলে খাবার খাবে।" (মুসলিম: হাদীস নং ১৪৩১)

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বৌভাতের আমন্ত্রণে উপস্থিত ব্যক্তি কি বলবে

📄 বৌভাতের আমন্ত্রণে উপস্থিত ব্যক্তি কি বলবে


যে ব্যক্তি বৌভাতের দাওয়াত গ্রহণ করবে এবং দাওয়াতে হাজির হবে তার জন্য মুস্তাহাব হলো, পানাহার শেষে রাসূলে করীম হতে প্রমাণিত দু'আসমূহ দ্বারা মেজবানের জন্য দোয়া করা। যেমন-
১. "আল্লাহুম্মা বারিক লাহুম ফীমা রজাক্তাহুম, ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম।” (তিরমিযী: হাদীস নং ৩৫০০)
২. "আল্লাহুম্মা আত'ইম মান আত'আমানী ওয়াস্কি মান সাক্বানী।” (মুসলিম: হাদীস নং ২০৫৫)
৩. "আফতারা 'ইন্দাকুমুস স-ইমূন, ওয়া আকালা ত্ব'আমাকুমুল আবরার, ওয়া সল্লাত 'আলাইকুমুল মালাইকাহ।" (হাদীসটি সহীহ, আবু দাউদ: হাদীস নং ৩৮৫৪, ইবনে মাযাহ হাদীস নং ১৭৪৭)

* বাসর ঘরের রাত্রির সকালে বরের বাড়িতে যে সব আত্মীয়-স্বজন আসবে তাদের সাথে বরের সাক্ষাৎ করা, তাদের প্রতি সালাম দেয়া এবং তাদের জন্য দোয়া করা মুস্তাহাব। আর আত্মীয়-স্বজনও তার প্রতি সালাম দিবে এবং তার জন্য দোয়া করবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বৌভাতের খানা খাওয়ার হুকুম

📄 বৌভাতের খানা খাওয়ার হুকুম


বৌভাত খানা খাওয়া মুস্তাহাব ওয়াজিব নয়। যার রোযা ওয়াজিব সে উপস্থিত হবে এবং দোয়া দিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর যার রোযা নফল সে হাজির হলে রোযা ভেঙ্গে দেয়া মুস্তাহাব; কারণ এর দ্বারা মুসলিম ভাইয়ের মনে সান্ত্বনা এবং আনন্দ লাভ করে।

* যখন কোন মুসলিম কোন জনগোষ্ঠীরবাদে প্রবেশ করবে তখন তাদেরকে সালাম দিবে এবং মজলিসের যেখানে স্থান পাবে সেখানেই বসবে। আর মজলিস থেকে বের হতে চাইলে সালাম দিবে।

📘 কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে বিয়ে 📄 বৌভাত অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী কার্যাদি হলে সেখানে উপস্থিতির হুকুম

📄 বৌভাত অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী কার্যাদি হলে সেখানে উপস্থিতির হুকুম


যদি জানতে পারে যে বৌভাত অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী কাজ-কর্ম ঘটছে আর তা পরিবর্তন করতে পারবে, তবে উপস্থিত হয়ে তা দূর করবে। আর যদি দূর করার ক্ষমতা না থাকে তবে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক নয়। আর যদি উপস্থিত হয়ে জানতে পারে তবে দূর করবে, আর না পারলে প্রত্যাবর্তন করবে। আর যদি জানতে পারে গর্হিত কাজ হচ্ছে কিন্তু দেখতে না পায় অথবা শুনতে পায় তবে সেখানে থাকা বা ফিরে চলে আসার মধ্যে তার এখতিয়ার রয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px