📄 কাফিরদের বিবাহ বন্ধনের পদ্ধতি
যদি তারা বিবাহ বন্ধনের আগে আমাদের নিকট আসে তবে আমাদের হুকুম অনুযায়ী বন্ধন করে দিব। ইজাব, কবুল, অভিভাবক এবং আমাদের থেকে দু'জন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী দ্বারা বিবাহ সম্পূর্ণ করে দিব। আর যদি বন্ধনের পরে আসে তবে মহিলা বিয়ের নিষেধাজ্ঞা যুক্ত হলে বিবাহকে স্বীকার করে নিব। আর যদি মহিলা নিষেধাজ্ঞামুক্ত না হয় তবে দু'জনের মাঝে বিচ্ছেদ করে দিব।
📄 কাফের নারীর মোহরানা
যদি মোহরানা উল্লেখ করা হয় এবং গ্রহণ করে নেয় তাহলে মোহরানা সঠিক জিনিস হোক বা বাতিল হোক তাই রয়ে যাবে। যেমন : মোহরানা মদ বা শূকর। আর যদি গ্রহণ না করে থাকে তবে বিশুদ্ধ হলে গ্রহণ করবে। আর যদি মোহরানা বাতিল জিনিস হয় বা নির্ধারণ করা না হয়, তবে তার জন্য বিশুদ্ধ জিনিস থেকে মহরে মেছাল নির্ধারিত হবে।
📄 কাফের স্বামী-স্ত্রীর দু'জনের কোন একজন ইসলাম গ্রহণ করলে তার হুকুম
যখন কাফের স্বামী-স্ত্রীর দু'জনের কোন একজন সহবাসের পর ইসলাম গ্রহণ করবে তখন বিবাহ স্থগিত থাকবে। স্বামী ইসলাম গ্রহণ করলে যদি স্ত্রী তার ইদ্দতের মধ্যেই ইসলাম গ্রহণ করে, তবে সে তার স্ত্রীই থেকে যাবে। আর যদি স্ত্রী ইসলাম গ্রহণ করে এবং তার ইদ্দত শেষ হয়ে যায় আর স্বামী ইসলাম গ্রহণ না করে, তবে স্ত্রীর জন্য অন্য স্বামীকে বিবাহ করা বৈধ। আর যদি স্ত্রী পূর্বের স্বামীকে ভালোবাসে তাহলে অপেক্ষা করবে। যদি স্বামী ইসলাম গ্রহণ করে তবে সে তার স্ত্রীই রয়ে যাবে, নতুন করে আক্বদ, বিবাহ ও মোহরানার দরবার হবে না। কিন্তু স্ত্রী স্বামীকে ইসলাম গ্রহণ করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তার সঙ্গে সহবাসের সুযোগ দিবে না।
📄 স্বামী-স্ত্রীর কোন একজন মুরতাদ (ধর্মত্যাগী) হয়ে গেলে তাদের বিবাহের হুকুম
যখন স্বামী-স্ত্রী উভয়ে বা একজন মুরতাদ (দ্বীন ত্যাগকারী) হয়ে যায়, যদি সহবাসের পূর্বে হয় তবে বিবাহ বাতিল। আর যদি সহবাসের পরে হয়, তবে ইদ্দত শেষ হওয়ার ওপর স্থগিত থাকবে। যদি যে মুরতাদ হয়েছে সে তওবা করে তাহলে দু'জনেই পূর্বের বিবাহের ওপরেই অটল থাকবে। আর যদি তওবা না করে তবে মুরতাদ হওয়ার সময় থেকে ইদ্দত শেষে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে।