📘 কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ 📄 হালাল-হারাম

📄 হালাল-হারাম


যে সমস্ত সুফী ওয়াহদাতুল উজুদে বিশ্বাসী তারা কোন কিছুকেই হারাম মনে করে না। মদ, জিনা-ব্যভিচারসহ সকল প্রকার কবীরা গুনাহতে লিপ্ত হওয়াই তাদের জন্য বৈধ।

📘 কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ 📄 জিন-ইনসান সৃষ্টির উদ্দেশ্য

📄 জিন-ইনসান সৃষ্টির উদ্দেশ্য


সুফীদের কথা হচ্ছে, জিন-ইনসানসহ সমস্ত সৃষ্টি জগত নবী -এর জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। আফসোসের বিষয় এই যে, আমাদের দেশের অনেক বক্তাকেই অত্যন্ত মধুর কণ্ঠে ওয়াজ করার সময় এবং মিলাদ শরীফ পাঠের সময় বলতে শুনা যায় যে, নবী না আসিলে ধরায় কোন কিছুই সৃষ্টি হত না। অথচ আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ "আর আমি মানব এবং জিনকে কেবল আমার দাসত্ব করার জন্য সৃষ্টি করেছি। (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬) সুতরাং জিন-ইনসান ও অন্যান্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য একটাই। আর তা হচ্ছে মহান আল্লাহর এবাদত তথা পৃথিবীতে তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা।

📘 কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ 📄 সুফীরা জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভয় করে না

📄 সুফীরা জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভয় করে না


সুফীরা মনে করেন জাহান্নামের ভয়ে এবং জান্নাতের আশায় আমল করা ঠিক নয়। তাদের কথা হচ্ছে আল্লাহর মধ্যে বিলীন হয়ে যাওয়াই সুফী সাধকের প্রকৃত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ "তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, তারা আশা ও ভীতি (জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভীতি) সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত। (সূরা আম্বীয়াঃ ৯০)

📘 কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ 📄 গান-বাজনা

📄 গান-বাজনা


সুফীবাদের দাবীদার কিছু লোক গান, বাজনা ও নৃত্যের মাধ্যমে যিকির করে থাকে। অথচ ইসলাম এগুলোকে সুস্পষ্টভাবে হারাম বলে ঘোষণা করেছে। নবী বলেনঃ আখেরী যামানায় কোন কোন জাতিকে মাটির নিচে দাবিয়ে দেয়া হবে, কোন জাতিকে উপরে উঠিয়ে নিক্ষেপ করে ধ্বংস করা হবে। আবার কারো চেহারা পরিবর্তন করে শুকর ও বানরে পরিণত করা হবে। নবীকে জিজ্ঞেস করা হলো কখন এরূপ করা হবে? তিনি বললেনঃ "যখন গান-বাজনা এবং গায়িকার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে”। (イবনে মাজাহ)

ফন্ট সাইজ
15px
17px