📘 কুরআন হিফজ করবেন যেভাবে > 📄 সহজ অংশ দিয়ে শুরু করা

📄 সহজ অংশ দিয়ে শুরু করা


এটা একদমই জরুরি নয় যে কুরআনের বিন্যাসে বা একদম প্রথম সুরা থেকেই আপনাকে হিফজ শুরু করতে হবে। বরং আমি বলব, সহজ অংশগুলো দিয়ে শুরু করুন। এতে সেগুলো আপনি দ্রুত সময়ে হিফজ করে ফেলতে পারবেন এবং শুরুর দিকেই বেশ ভালো পরিমাণ আপনার হিফজ হয়ে যাবে, যা নিঃসন্দেহে আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে, উৎসাহ জোগাবে। কেননা, আপনার বুকে এক-পঞ্চমাংশ কুরআন থাকলে আপনি যে আগ্রহ-উদ্দীপনা পাবেন, অর্ধেক কুরআন মুখস্থ থাকলে কিন্তু তার বরাবর হবে না...। যার একেবারেই কিছু মুখস্থ নেই, একই কথা প্রযোজ্য হয় তার ক্ষেত্রেও...।
কুরআনের পারাগুলোর সহজতা-কাঠিন্য আপেক্ষিক ব্যাপার। কোনো সুরা হতে পারে আমার জন্য সহজ, কিন্তু আপনার জন্য কঠিন, আবার এর উল্টোটি হওয়াও সম্ভব। তবুও, কিছু সুরা সহজ হওয়ার ব্যাপারে অনেক হাফেজই একমত। এ জন্য আমি পরামর্শ দেবো, সেগুলো দিয়ে হিফজ শুরু করুন—অর্থাৎ যে-সুরাগুলো সাধারণত আমরা নামাজে শুনতে পাই এবং যেগুলোতে নানান ঘটনা বিবৃত রয়েছে...। উদাহরণস্বরূপ:
১. ত্রিশতম পারা [আমপারা]
২. উনত্রিশতম পারা
৩. সুরা বাকারা
৪. সুরা আলে ইমরান
অনেকে অবশ্য আকারে বড় হওয়ায় শেষোক্ত দুটি সুরা মুখস্থ করতে ভয় পায়, তবে বাস্তবতা কিন্তু তার একেবারেই বিপরীত। কেননা—
প্রথমত: এ সুরা দুটির অধিকাংশ আয়াতই নামাজে আমরা ইমাম সাহেবের পেছনে শুনে থাকি।
দ্বিতীয়ত: সুরা দুটিতে বহু ঘটনার কথা বর্ণিত রয়েছে, অনেকগুলো আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পেছনে রয়েছে বিভিন্ন শানে নুজুল (আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পটভূমি); ফলে, যে ব্যক্তি সেই ঘটনাগুলো জানে, তার জন্য সেই ঘটনাসংশ্লিষ্ট আয়াতগুলো হিফজ করা সহজ হবে। যেমন: সুরা বাকারায় আলোচনা করা হয়েছে নবীজির সাথে বনি ইসরাইলের [ইহুদি-খ্রিষ্টান] বিভিন্ন আচরণের কথা; আলোচিত হয়েছে প্রসিদ্ধ অনেক বিধানের কথা—রোজা, হজ, ঋণ, সদকা, সুদ ইত্যাদি।
এ ছাড়াও রয়েছে আয়াতুল কুরসি, রয়েছে প্রসিদ্ধ শেষ কয়েক আয়াত, তালুতের ঘটনা—আর এগুলো প্রায় সব মুসলমানই জানে।
অতঃপর রয়েছে সুরা আলে ইমরান। সেখানে আলোচনা করা হয়েছে ইসলামের ব্যাপারে আহলে কিতাবদের বিভিন্ন সংশয় ও তার জবাব নিয়ে। আরও আলোচনা রয়েছে ইসলামের প্রসিদ্ধ যুদ্ধ 'গাযওয়ায়ে উহুদ' নিয়ে। তা ছাড়া জাহরি নামাজে পড়া হয়, এটিও সেই প্রসিদ্ধ সুরাগুলোর অন্যতম।
তৃতীয়ত: সবচেয়ে বড় কথা হলো, এ সুরা দুটি কেয়ামত দিবসে তাদের ধারণকারীর পক্ষে কথা বলবে!
৫. সুরা ইউসুফ
৬. সাতাশতম পারা
৭. সুরা ইয়াসিন
৮. সুরা কাসাস
৯. সুরা আনফাল
১০. সুরা আহযাব
১১. সুরা লুকমান
১২. সুরা সোয়াদ
তেমনইভাবে, যে-সব সুরার কোনো বিশেষ ফজিলত রয়েছে বা যেগুলো তিলাওয়াতের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে, সেগুলো দ্বারাও শুরু করতে পারেন। কেননা, সেগুলো পড়তে কুরআন শরিফ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিবেশ সৃষ্টি বা আলাদা আয়োজনের প্রয়োজন পড়বে না। যেমন:
১. সুরা কাহফ
ইমাম দারেমি রহ. হজরত আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জুমার দিন যে ব্যক্তি সুরা কাহফ পড়ে, তার পায়ের নিচ থেকে এক আলো বিচ্ছুরিত হয়ে ঊর্ধ্বাকাশ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়, যা কিয়ামতের দিন তার জন্য আলোকবর্তিকা হবে। তা ছাড়া পাঠকারীর জন্য এই দুই জুমার মাঝের গোনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হয়।” (৫২)
২. সুরা মুলক
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কুরআনের মধ্যে ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা আছে, যা কারও পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়। সুরাটি হলো, 'তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক' (অর্থাৎ সুরা মুলক)।” (৫৩)
৩. সুরা সাজদা ও সুরা ইনসান [সুরা দাহর]
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন ফজরের নামাজে الَّهُ تَنْزِيلُ السجدة ]সুরা সাজদা[ এবং ﴾ هَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ حِينٌ مِنْ الدَّهْرِ﴿ ]সুরা ইনসান/দাহর]-এ দুটি সুরা তিলাওয়াত করতেন।” (৫৪)
৪. সুরা জুমুআ ও সুরা মুনাফিকুন
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার নামাজে সুরা জুমুআ ও সুরা মুনাফিকুন পাঠ করতেন।” (৫৫)
৫. সুরা কাফ
উম্মে হিশাম বিনতে হারেসা বিন নুমান রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "সুরা কাফ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে শুনে শুনেই মুখস্থ করে ফেলেছি, কারণ প্রত্যেক জুমার খুতবায় তিনি এটি পড়তেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেন একই চুলা ছিল।” (৫৬) [অর্থাৎ উভয়ের বাড়ির নৈকট্য এবং আল্লাহর রাসুলের অবস্থাদি সম্পর্কে তিনি কতটুকু জ্ঞাত ছিলেন, সে কথার প্রতি ইঙ্গিত করা হচ্ছে এখানে]।
একটি বিষয় উল্লেখ করা জরুরি মনে করছি, সুরা ওয়াকিয়ার ফজিলত সংক্রান্ত লোকমুখে প্রচলিত হাদিসগুলোর সবগুলোই অত্যন্ত দুর্বল অথবা 'মাওজু' (বানোয়াট)।
এ ছাড়া, কিছু সুরা অপেক্ষাকৃত কঠিন হওয়ায় সেগুলো দিয়ে শুরু না- করারও পরামর্শ থাকবে। যেমন:
১. সুরা ইউনুস
২. সুরা ফাতির
৩. আটাশতম পারা
৪. সুরা নিসা
৫. সুরা নাহল
৬. সুরা আনকাবুত
৭. সুরা যুমার
তবে আমি পুনরায় বলছি, এই সহজতা-কাঠিন্যের নির্বাচন সকলের জন্য এক নয়; কেননা, একজনের কাছে যা সহজ, অন্যজনের কাছে সেটা নিতান্ত কঠিনও হতে পারে...। বস্তুত আল্লাহই তওফিকদাতা।

টিকাঃ
৫২. আত-তারগিব ওয়াত-তারহিক ১/২৯৮- হাদিস নং: ১০৯৮ [মাকতাবায়ে মুসতাফাল বাবিল হালাবি- সূত্র: মাকতাবায়ে শামেলা]।
জামে তিরমিযি: ২৮৯১।
৫৪. সহিহ বুখারি: ৮৯১।
৫৫. সহিহ মুসলিম: ৮৭৯।
৫৬. সহিহ মুসলিম: ৮৭৩।
৫৭. উল্লেখ্য, ড. সারজানি এখানে উদাহরণহীন রূপে অতি ব্যাপকভাবে মন্তব্য করেছেন, বিধায় তা জটিল, কেননা একেক অঞ্চলে একেক রকম বিষয় প্রচলিত থাকে। অতএব এ ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় হচ্ছে, এই সুরা সংক্রান্ত ফজিলত জানতে উলুমুল হাদিসে প্রাজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের শরণাপন্ন হওয়া। (সম্পাদক)

📘 কুরআন হিফজ করবেন যেভাবে > 📄 নির্দিষ্ট অনুলিপিতে হিফজ করা

📄 নির্দিষ্ট অনুলিপিতে হিফজ করা


কুরআন শরিফ বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে ভিন্ন ভিন্ন আকার ও লিপিতে (ফন্ট) প্রকাশিত হয়ে থাকে। যার ফলে কোনো অনুলিপির পৃষ্ঠা হয় বারো লাইনে, কোনোটির চৌদ্দ লাইনে, আবার কোনোটি হয় পনেরো লাইনে...। এমনইভাবে কোনোটিতে হয়তো লাইন শুরু হয় এক আয়াত দ্বারা, কিন্তু অপর অনুলিপির একই লাইন শুরু হয় ভিন্ন আয়াত দ্বারা—এমনকি কোনো সময় সুরাও ভিন্ন হয়ে যায়।
মানুষ তার নির্দিষ্ট কিছু ইন্দ্রিয় ব্যবহার করে তথ্যসমূহ মস্তিষ্কে প্রেরণের মাধ্যমে তা মুখস্থ করে থাকে। অতএব, ব্যবহৃত ইন্দ্রিয়ের পরিমাণ যত বাড়ানো যাবে, মুখস্থ করা বিষয়গুলোও তত শক্তিশালী হবে।
এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তিও একটি ইন্দ্রিয়, ফলে আপনি কুরআনের যে অনুলিপি থেকে হিফজ বা তিলাওয়াত করবেন, সেটি সর্বদা একই রূপ রাখা কর্তব্য, যেন দর্শনেন্দ্রিয় তাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে। সুতরাং, একই ধরনের বিভিন্ন সাইজের কুরআন শরিফ কিনে কোনোটা ঘরে, কোনোটা অফিসে, কোনোটা গাড়িতে, কোনোটা মসজিদে আর কোনোটা আপনার পকেটে রাখুন। তখন আপনি যেখানেই যাবেন, তিলাওয়াতে একই ধরনের কুরআন থাকায় পৃষ্ঠাটি আপনার মস্তিষ্কে গেঁথে যাবে। পাশাপাশি হিফজের ক্ষেত্রে আপনি আল্লাহর নেয়ামত দৃষ্টিশক্তি কাজে লাগানোরও সুযোগ পেয়ে গেলেন...!
আমার পরামর্শ থাকবে, যিনি এখনো কুরআনের কোনো অনুলিপি নির্দিষ্ট করে হিফজ শুরু করেননি, তিনি যেন মদিনা মুনাওয়ারার অনুলিপিটি ব্যবহার করেন। এই কপির বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১. বর্তমানে সবচেয়ে প্রচলিত অনুলিপি এটি। ফলে যেকোনো জায়গায় এবং যেকোনো সাইজের অনুলিপি হাতের কাছে পেয়ে যাওয়ায় তিলাওয়াত করতে আপনার সুবিধা হবে।
২. এর অনুলিপিটি একদম স্পষ্ট এবং লেখার অক্ষরবিন্যাসও সহজপাঠ্য।
৩. এর বিন্যাস সুন্দর। এতে একই আয়াত দুই পৃষ্ঠায় ভাগ হয়ে যায়নি, বরং অধিকাংশ পৃষ্ঠায়ই আয়াত শেষ হয়ে গেছে। এটা নিঃসন্দেহে হিফজের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
মুখস্থের ক্ষেত্রে ইন্দ্রিয়শক্তির আলোচনা প্রাসঙ্গিক হওয়ায় সেগুলো নিয়েও আমরা কথা বলতে পারি:
১. দৃষ্টিশক্তি: হিফজ করার সময় কুরআনের পৃষ্ঠায় দৃষ্টি বুলানো হয় আর কুরআন শরিফে দৃষ্টি দেওয়াও একটি ইবাদত।
২. শ্রবণেন্দ্রিয়: অপেক্ষাকৃত উচ্চ আওয়াজে পড়লে—মসজিদে তা উচিত নয়—শ্রবণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সেটা মস্তিষ্কে প্রবেশ করে।
৩. লেখ্যশক্তি: যে-সব আয়াত হিফজ করা আপনার জন্য বেশি কঠিন মনে হয়, সেগুলো বারবার লিখে চর্চা করতে পারেন।

📘 কুরআন হিফজ করবেন যেভাবে > 📄 হিফজ শক্তিশালী হওয়ার আগে সামনে না- এগোনো

📄 হিফজ শক্তিশালী হওয়ার আগে সামনে না- এগোনো


কখনো হিফজ শেষ করতে আপনি অধীর আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন। তাই দেখা যাবে, হিফজকৃত অংশকে পোক্ত না-করেই আপনি রুবু থেকে রুবু, সুরা থেকে সুরা দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলছে, যা মুখস্থের ক্ষেত্রে তেমন পরিশ্রম সাধিত হয় না, তা মস্তিষ্কে বেশিদিন স্থায়ী হয় না।
অতএব, এক আয়াত থেকে অন্য আয়াত বা এক রুবু থেকে অন্য রুবুতে ততক্ষণ যাওয়া উচিত নয়, যতক্ষণ প্রথম আয়াত বা রুবু মুখস্থের ব্যাপারে আশ্বস্থ না-হন। অন্যথায় হিফজের পেছনে ব্যয় করা সময়টুকু বাস্তবে তেমন উপকারী কোনো কাজে লেগেছে বলে বিবেচিত হবে না।

📘 কুরআন হিফজ করবেন যেভাবে > 📄 সুরাগুলো আলাদা আলাদাভাবে আয়ত্ব করা

📄 সুরাগুলো আলাদা আলাদাভাবে আয়ত্ব করা


হিফজের সুবিধার্থে বড় সুরাগুলো আমরা ভাগ ভাগ করে মুখস্থ করব। যেমন: আজ দু-আয়াত, কাল দু-আয়াত—এভাবে সপ্তাহে এক রুবু হিফজ পূর্ণ করে ফেলা যাবে। আর এই রীতিতে এক মাসে, দু-মাসে অথবা এরচেয়ে কম বা বেশি সময়ে আপনার একটা পূর্ণ সুরা মুখস্থ হয়ে যাবে।
এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় হচ্ছে, যেকোনো একটি সুরার হিফজ পূর্ণ হওয়ার পর শুরুর আয়াত থেকে শেষ আয়াত পর্যন্ত মস্তিষ্কে গেঁথে নেওয়া চাই, তাহলে কুরআনের সমস্ত সুরা আলাদা আলাদাভাবে আমাদের স্মৃতিতে বসে যাবে। এর জন্য আমাদের প্রত্যেকটি সুরা শেষ হওয়ার পর পুরো সুরাটি বারবার তিলাওয়াত করা জরুরি।
অনেক হাফেজের ক্ষেত্রে এমন হয়, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি অনুসরণ না-করার ফলে যে অংশ নিয়ে বর্তমান চর্চা অব্যাহত রাখে, তা ভালোভাবে শোনাতে পারলেও যখন একই সুরার পরের অংশে এগিয়ে যায়, তখন পূর্ববর্তী সেই অংশ শোনাতে গেলে আটকে যায়—আর স্মরণ করতে পারে না। তবে কেউ যদি তখন সেই অংশের শুরুটা বলে দেয়, তখন আবার সে নির্বিঘ্নে পুরো আয়াত বলে ফেলতে পারে, কিন্তু পরবর্তী অংশের শুরুতে গিয়ে আবারও বাঁধে একই বিপত্তি...! অতএব, শক্তিশালী হিফজ ও সাবলীল তিলাওয়াতের জন্য আমরা কোনোমতেই এই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারি না—বিশেষত যে-সকল হাফেজ নামাজের ইমামতি করেন; তদুপরি যারা লম্বা কিরাআতের নামাজ, যেমন: ফজর, তারাবিহ এবং তাহাজ্জুদের ইমামতি করেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00