📄 সংকল্পবদ্ধ হয়ে শুরু করা
অনেক ক্ষেত্রে এমন হয়, কারও কোনো আমলের প্রতি প্রবল আগ্রহ জন্মে আর সাহস করে সে কাজও শুরু করে। পাশাপাশি এ কাজে তার নিয়তও ঠিক থাকে আর তা শেষ করার প্রবল স্পৃহাও লালন করে অন্তরে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না-যেতেই তার উদ্যম-সাহস নড়বড়ে হয়ে পড়ে, এমনকি সেই আমল ধীরগতি পেয়ে একসময় থেমেই যায়...।
📄 পকেটে ছোট কুরআন রাখা
পকেটে একটি ছোট কুরআন শরিফ রাখলে আপনার হিফজ অনেকটা সহজ হবে। আমি অনেক হাফেজের কথা জানি, যারা ৮০ ভাগেরও বেশি হিফজ সম্পন্ন করেছে তাদের ছোট কুরআন থেকে বিভিন্ন জায়গায় ও সময়ের বিরতিগুলো কাজে লাগিয়ে! আয়োজন করে বিশেষভাবে হিফজের জন্য বসা তাদের নিকট জরুরি ছিল না। কেননা, সাধারণত অধিকাংশেরই দিনের লম্বা একটা সময় বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, এক কাজের পর আরেকটি এসে ভিড় করে। তবে এই ব্যস্ততার মাঝেই সময়ের অল্পকিছু ফাঁকফোকরও পাওয়া যায়—আর ইচ্ছে করলে সেগুলো আমরা হিফজের কাজে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু অনেক সময় কুরআন শরিফের অভাবে সময়গুলো অযথা নষ্ট হয়, অতএব সে সময় পকেটে রাখা এই ছোট কুরআনটি আপনার অনেক কাজে আসবে।
ধরুন, আপনি পাবলিক বাসে করে কোথাও যাচ্ছেন, সেখানে প্রত্যেকদিন ১৫ মিনিট, আধা ঘণ্টা বা কখনো এক ঘণ্টা সময়ও চলে যাচ্ছে। অতএব, আপনি চাইলে এই সময়টা কাজে লাগাতে পারেন। এমনইভাবে পথ চলতে চলতে আপনি চাইলে হিফজকৃত অংশের পুনর্পাঠও সেরে নিতে পারেন। প্রথমে একবার গত সপ্তাহে হিফজ করা অংশ পড়লেন, তারপর আরও পূর্বের অংশগুলো পড়তে থাকলেন—একবার শেষ হলে বারবার পড়তে থাকলেন। এতে আপনার হিফজও শক্তিশালী হবে, পাশাপাশি প্রচুর সওয়াবেরও অধিকারী হবেন! এ-ক্ষণে হঠাৎ কোনো আয়াতে আটকে গেলে পকেট থেকে ছোট কুরআন শরিফটি বের করে দেখে নিয়ে আয়াতটি ঠিকঠাকভাবে তিলাওয়াত সম্পন্ন করে নিলেন...।
অথবা কোনো অফিস, লাইন বা কোথাও কিছুর অপেক্ষায় আছেন, কলেজ-ভার্সিটির লেকচারের বিরতির সময়ে বসে, মসজিদে আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে—চাইলে এ সময়গুলোও আপনি কাজে লাগাতে পারেন, চাই একটা আয়াতই হোক না-কেন! কেননা, এভাবে আয়াতে আয়াতে হবে 'রুবু', আর 'রুবু' 'রুবু' মিলে একসময় পুরো কুরআনুল কারিমই শেষ হয়ে যাবে—ইনশাআল্লাহ! (২০)
টিকাঃ
২০. স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য পকেটে কুরআন রাখার বিষয়টি আরও অনেক সহজসাধ্য। স্মার্টফোনে কুরআনের বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায়, যা হিফজে আগ্রহী এবং কুরআন তিলাওয়াত করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি উত্তম মাধ্যম হতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের স্মার্টফোনকে ফেতনা থেকে রক্ষা করে আমলের মাধ্যম বানিয়ে দিন। আমিন। (সম্পাদক)
📄 ইমাম সাহেবের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শোনা
হিফজুল কুরআনে আগ্রহী ব্যক্তির অবশ্যই মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে। আমার পরামর্শ থাকবে, আপনি এমন কোনো মসজিদ বাছাই করে নিন, যার ইমাম সাহেব নিজে হাফেজ এবং তাজউইদের নিয়মকানুন মেনে বিশুদ্ধ তিলাওয়াত করেন-বিশেষত, তিনি যদি সুন্দর কণ্ঠের পাশাপাশি আয়াতগুলোর মর্মবোদ্ধা কেউ হন...। হাফেজ ইমাম সাহেব কুরআনের বিভিন্ন অংশ থেকে তিলাওয়াত করে থাকেন, এই সুযোগে তার সাথে আপনিও আপনার গতকাল, গত মাস এমনকি গত বছরের হিফজ করা কোনো অংশও শুনে নিতে পারবেন। পাশাপাশি, আপনার মুখস্থ করা হয়নি, এমন অংশের তিলাওয়াতও বারবার শুনতে পারায় পরবর্তী সময়ে তা হিফজ করা আপনার জন্য সহজ হয়ে উঠবে।
'জাহরি' নামাজ (যে নামাজে ইমাম সাহেব উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়েন) তথা ফজর, মাগরিব এবং এশার নামাজে ইমামের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। কোনো আয়াত না বুঝলে সেটা স্মরণে রাখুন, এরপর বাসায় ফিরে তাফসিরের কোনো গ্রন্থ খুলে সেই আয়াতের তাফসিরটুকু দেখে নিন। এতে যেমন আপনার হিফজ শক্তিশালী হবে, সেইসাথে আয়াতের তাফসিরও জানতে পারলেন এবং পরবর্তী সময়ে এর ওপর আমলও করতে পারবেন।
কোনো আয়াত শুনে সন্দেহ হলে নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগেই কুরআন শরিফ খুলে তা দেখে নিন। যাতে আয়াতের শুদ্ধাশুদ্ধি এবং অক্ষর-শব্দের সঠিক স্থান রপ্ত হয়ে যায়। এর দ্বারা নিজের হিফজ শক্তিশালী করা এবং অর্থ অনুধাবনের বিষয়টি ছাড়াও আপনি নামাজের খুশুখুজুর ব্যাপারটি আদায় করে নিলেন। কেননা, শুধু শরীর নয়; বরং আপনার মনও পুরোপুরিভাবে নামাজের সাথেই ছিল, বিধায় আপনার সওয়াবের পরিমাণও বিরাটাকার ধারণ করল। যেমন হযরত আবু বকর বিন আবদুর রহমান রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে, "একদা আম্মার বিন ইয়াসির রা. দু-রাকাত নামাজ আদায় করলে আবদুর রহমান বিন হারেস তাকে বললেন, হে আবুল ইয়াকযান [তাঁর উপনাম], মনে হয় নামাজ একটু হালকা করে পড়লেন! আম্মার রা. বললেন, আমি কি জরুরি কোনো বিষয় ছেড়ে দিয়েছি? আবদুর রহমান রা. বললেন, না, তবে মনে হয় নামাজটি একটু ছোট হয়ে গেল। আম্মার রা. বললেন, ভুল হওয়ার আশঙ্কা ছিল, তাই ছোট করে পড়ে নিলাম। কেননা, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোনো লোক হয়তো নামাজ পড়ে, অথচ সে নামাজের এক-দশমাংশ, এক-নবমাংশ, এক-অষ্টমাংশ, এক-সপ্তমাংশ (এভাবে তিনি সর্বশেষ সংখ্যা পর্যন্ত বললেন) আদায়কারী বলে গণ্য হয়েছে...।” (৫১) [অর্থাৎ ব্যক্তির মন নামাজে যতটুকু হাজির ছিল, সেই পরিমাণেই তাকে নামাজি বলে গণ্য করা হবে]।
টিকাঃ
৫১. মুসনাদে আহমাদ: ১৮৮৭৯।
📄 সহজ অংশ দিয়ে শুরু করা
এটা একদমই জরুরি নয় যে কুরআনের বিন্যাসে বা একদম প্রথম সুরা থেকেই আপনাকে হিফজ শুরু করতে হবে। বরং আমি বলব, সহজ অংশগুলো দিয়ে শুরু করুন। এতে সেগুলো আপনি দ্রুত সময়ে হিফজ করে ফেলতে পারবেন এবং শুরুর দিকেই বেশ ভালো পরিমাণ আপনার হিফজ হয়ে যাবে, যা নিঃসন্দেহে আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে, উৎসাহ জোগাবে। কেননা, আপনার বুকে এক-পঞ্চমাংশ কুরআন থাকলে আপনি যে আগ্রহ-উদ্দীপনা পাবেন, অর্ধেক কুরআন মুখস্থ থাকলে কিন্তু তার বরাবর হবে না...। যার একেবারেই কিছু মুখস্থ নেই, একই কথা প্রযোজ্য হয় তার ক্ষেত্রেও...।
কুরআনের পারাগুলোর সহজতা-কাঠিন্য আপেক্ষিক ব্যাপার। কোনো সুরা হতে পারে আমার জন্য সহজ, কিন্তু আপনার জন্য কঠিন, আবার এর উল্টোটি হওয়াও সম্ভব। তবুও, কিছু সুরা সহজ হওয়ার ব্যাপারে অনেক হাফেজই একমত। এ জন্য আমি পরামর্শ দেবো, সেগুলো দিয়ে হিফজ শুরু করুন—অর্থাৎ যে-সুরাগুলো সাধারণত আমরা নামাজে শুনতে পাই এবং যেগুলোতে নানান ঘটনা বিবৃত রয়েছে...। উদাহরণস্বরূপ:
১. ত্রিশতম পারা [আমপারা]
২. উনত্রিশতম পারা
৩. সুরা বাকারা
৪. সুরা আলে ইমরান
অনেকে অবশ্য আকারে বড় হওয়ায় শেষোক্ত দুটি সুরা মুখস্থ করতে ভয় পায়, তবে বাস্তবতা কিন্তু তার একেবারেই বিপরীত। কেননা—
প্রথমত: এ সুরা দুটির অধিকাংশ আয়াতই নামাজে আমরা ইমাম সাহেবের পেছনে শুনে থাকি।
দ্বিতীয়ত: সুরা দুটিতে বহু ঘটনার কথা বর্ণিত রয়েছে, অনেকগুলো আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পেছনে রয়েছে বিভিন্ন শানে নুজুল (আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পটভূমি); ফলে, যে ব্যক্তি সেই ঘটনাগুলো জানে, তার জন্য সেই ঘটনাসংশ্লিষ্ট আয়াতগুলো হিফজ করা সহজ হবে। যেমন: সুরা বাকারায় আলোচনা করা হয়েছে নবীজির সাথে বনি ইসরাইলের [ইহুদি-খ্রিষ্টান] বিভিন্ন আচরণের কথা; আলোচিত হয়েছে প্রসিদ্ধ অনেক বিধানের কথা—রোজা, হজ, ঋণ, সদকা, সুদ ইত্যাদি।
এ ছাড়াও রয়েছে আয়াতুল কুরসি, রয়েছে প্রসিদ্ধ শেষ কয়েক আয়াত, তালুতের ঘটনা—আর এগুলো প্রায় সব মুসলমানই জানে।
অতঃপর রয়েছে সুরা আলে ইমরান। সেখানে আলোচনা করা হয়েছে ইসলামের ব্যাপারে আহলে কিতাবদের বিভিন্ন সংশয় ও তার জবাব নিয়ে। আরও আলোচনা রয়েছে ইসলামের প্রসিদ্ধ যুদ্ধ 'গাযওয়ায়ে উহুদ' নিয়ে। তা ছাড়া জাহরি নামাজে পড়া হয়, এটিও সেই প্রসিদ্ধ সুরাগুলোর অন্যতম।
তৃতীয়ত: সবচেয়ে বড় কথা হলো, এ সুরা দুটি কেয়ামত দিবসে তাদের ধারণকারীর পক্ষে কথা বলবে!
৫. সুরা ইউসুফ
৬. সাতাশতম পারা
৭. সুরা ইয়াসিন
৮. সুরা কাসাস
৯. সুরা আনফাল
১০. সুরা আহযাব
১১. সুরা লুকমান
১২. সুরা সোয়াদ
তেমনইভাবে, যে-সব সুরার কোনো বিশেষ ফজিলত রয়েছে বা যেগুলো তিলাওয়াতের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে, সেগুলো দ্বারাও শুরু করতে পারেন। কেননা, সেগুলো পড়তে কুরআন শরিফ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিবেশ সৃষ্টি বা আলাদা আয়োজনের প্রয়োজন পড়বে না। যেমন:
১. সুরা কাহফ
ইমাম দারেমি রহ. হজরত আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জুমার দিন যে ব্যক্তি সুরা কাহফ পড়ে, তার পায়ের নিচ থেকে এক আলো বিচ্ছুরিত হয়ে ঊর্ধ্বাকাশ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়, যা কিয়ামতের দিন তার জন্য আলোকবর্তিকা হবে। তা ছাড়া পাঠকারীর জন্য এই দুই জুমার মাঝের গোনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হয়।” (৫২)
২. সুরা মুলক
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কুরআনের মধ্যে ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা আছে, যা কারও পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়। সুরাটি হলো, 'তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক' (অর্থাৎ সুরা মুলক)।” (৫৩)
৩. সুরা সাজদা ও সুরা ইনসান [সুরা দাহর]
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিন ফজরের নামাজে الَّهُ تَنْزِيلُ السجدة ]সুরা সাজদা[ এবং ﴾ هَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ حِينٌ مِنْ الدَّهْرِ﴿ ]সুরা ইনসান/দাহর]-এ দুটি সুরা তিলাওয়াত করতেন।” (৫৪)
৪. সুরা জুমুআ ও সুরা মুনাফিকুন
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার নামাজে সুরা জুমুআ ও সুরা মুনাফিকুন পাঠ করতেন।” (৫৫)
৫. সুরা কাফ
উম্মে হিশাম বিনতে হারেসা বিন নুমান রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "সুরা কাফ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে শুনে শুনেই মুখস্থ করে ফেলেছি, কারণ প্রত্যেক জুমার খুতবায় তিনি এটি পড়তেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেন একই চুলা ছিল।” (৫৬) [অর্থাৎ উভয়ের বাড়ির নৈকট্য এবং আল্লাহর রাসুলের অবস্থাদি সম্পর্কে তিনি কতটুকু জ্ঞাত ছিলেন, সে কথার প্রতি ইঙ্গিত করা হচ্ছে এখানে]।
একটি বিষয় উল্লেখ করা জরুরি মনে করছি, সুরা ওয়াকিয়ার ফজিলত সংক্রান্ত লোকমুখে প্রচলিত হাদিসগুলোর সবগুলোই অত্যন্ত দুর্বল অথবা 'মাওজু' (বানোয়াট)।
এ ছাড়া, কিছু সুরা অপেক্ষাকৃত কঠিন হওয়ায় সেগুলো দিয়ে শুরু না- করারও পরামর্শ থাকবে। যেমন:
১. সুরা ইউনুস
২. সুরা ফাতির
৩. আটাশতম পারা
৪. সুরা নিসা
৫. সুরা নাহল
৬. সুরা আনকাবুত
৭. সুরা যুমার
তবে আমি পুনরায় বলছি, এই সহজতা-কাঠিন্যের নির্বাচন সকলের জন্য এক নয়; কেননা, একজনের কাছে যা সহজ, অন্যজনের কাছে সেটা নিতান্ত কঠিনও হতে পারে...। বস্তুত আল্লাহই তওফিকদাতা।
টিকাঃ
৫২. আত-তারগিব ওয়াত-তারহিক ১/২৯৮- হাদিস নং: ১০৯৮ [মাকতাবায়ে মুসতাফাল বাবিল হালাবি- সূত্র: মাকতাবায়ে শামেলা]।
জামে তিরমিযি: ২৮৯১।
৫৪. সহিহ বুখারি: ৮৯১।
৫৫. সহিহ মুসলিম: ৮৭৯।
৫৬. সহিহ মুসলিম: ৮৭৩।
৫৭. উল্লেখ্য, ড. সারজানি এখানে উদাহরণহীন রূপে অতি ব্যাপকভাবে মন্তব্য করেছেন, বিধায় তা জটিল, কেননা একেক অঞ্চলে একেক রকম বিষয় প্রচলিত থাকে। অতএব এ ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় হচ্ছে, এই সুরা সংক্রান্ত ফজিলত জানতে উলুমুল হাদিসে প্রাজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের শরণাপন্ন হওয়া। (সম্পাদক)