📄 ঘুমের মধ্যে আল্লাহর সাথে কথা বলা সংক্রান্ত সংশয়মূলক প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন (৩১): ওবাদাহ্ বিন স্বমিত হতে বর্ণিত, রসূলুল্লহ্ বলেছেন, রু'ইয়াল মু'মিনু কালামুই ইউকাল্লিমু বিহিল আবদু রব্বাহু তাবারাকা ওয়া তা'য়ালা ফিল মানামি। “মু'মিন বান্দা ঘুমের মধ্যে তাঁর রবের সাথে কথা বলার মাধ্যমে তাঁকে দেখে।”
উত্তর : হাদিসটি যঈফ। কারণ সানাদে মাজহুল রাবী রয়েছেন এবং কারো কারো স্মৃতিশক্তি বিভ্রাট (ইখতিলাত) হয়েছিল। অতএব, এ হাদিসটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
📄 ওয়াসিলাহ্ সংক্রান্ত সংশয়মূলক প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন (৩২): মহান আল্লাহ্ বলেন, ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আমানুত ত্তাক্বুল্লাহি ওাবতাগূ ইলাইহিল ওয়াসিলাহ্... “হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহ্'কে ভয় করো এবং তাঁর (আল্লাহ্'র) ওয়াসিলাহ্ অনুসন্ধান করো..."
উত্তর: এ ব্যাখাটি মনগড়া। ওয়াসিলাহ্ প্রধানত তিনভাবে ধরা যায়। ক) আল্লাহর নাম ও গুণের ওয়াসীলাহ্। খ) নেক আমলের ওয়াসীলাহ্। গ) দ্বীনদার ব্যক্তির দু'আর ওয়াসীলাহ্।
প্রশ্ন (৩৩): আমরা যখন কোনো মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর সাথে যদি দেখা করতে যাই তখন আমরা বিভিন্ন নেতা-নেত্রীকে মাধ্যম ধরি... এ জন্য পীর বা ওয়ালী-আওলিয়াদের ওয়াসীলাহ্ করে দু'আ করতে হবে।
উত্তর : সরাসরি আল্লাহ্'র কাছে দু'আ করলেই আল্লাহ্ আমাদের ডাকে সাড়া দিবেন। এক ব্যক্তি একশত খুন করার পরও আল্লাহ্'র কাছে তাওবাহ্'র করার মাধ্যমে ক্ষমা পেয়েছেন।
প্রশ্ন (৩৪): ইবলিস কোনো পীর বা ওয়ালী-আওলিয়াদের ওয়াসিলাহ্ ছাড়া দু'আ করেছে... সুতরাং যারা পীর বা ওয়ালী-আওলিয়াদের ওয়াসিলাহ্ ছাড়া দু'আ করে তারা শয়তানের অনুসারী।
উত্তর : এ ব্যাখ্যাটি চরম বেয়াদবীমূলক ব্যাখ্যা। কারণ, বহু নাবী-রাসূলগণ সরাসরি আল্লাহ্' তায়ালার কাছে দু'আ করেছেন।
প্রশ্ন (৩৫): আদম (আঃ) মুহাম্মাদের (সাঃ) ওয়াসীলাহ্ নিয়ে মুক্তি পেয়েছেন... (হাকিম ৪১৫৯)।
উত্তর : এই হাদিসের একজন বর্ণনাকারী আবদুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলামা যঈফ।
প্রশ্ন (৩৬): ওমার (রাঃ) অনাবৃষ্টির সময় আব্বাস এর ওয়াসিলাহ্ দিয়ে দু'আ করতেন (বুখারী ১০১০)।
উত্তর : ওমার যে বলেছেন, “নাবী কে ওয়াসিলাহ্ করে বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন” তা মূলতঃ রসূলুল্লহ্ এর দু'আর ওয়াসিলাহ্'কে বুঝিয়েছেন।