📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 কাউকে ‘রসূলের বান্দা’ বা ‘আব্দুর রসূল’ বলা যাবে না

📄 কাউকে ‘রসূলের বান্দা’ বা ‘আব্দুর রসূল’ বলা যাবে না


মহান আল্লাহ্ বলেন, মা কানা লিব্যাশারিন আই ইউতিয়াহুল্লাহুল কিতাবা ওয়াল হুকমা ওয়ান নুবুওয়াতা সুম্মা ইয়াকুলা লিন্নাসি কুনু ইবাদাল্লী মিন দুনিল্লাহি ওয়ালাকিন কুনূ রব্বানিয়্যিন...
“কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হিকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, 'তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে আমার বান্দা হয়ে যাও'-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, 'তোমরা আল্লাহৰ্ত্তয়ালা হয়ে যাও..." -সূরাহ্ আলি ইমরান (৩), ৭৯

এ আয়াতটিতে আল্লাহ্ তা'য়ালা সুস্পষ্টভাবে বলছেন যে, কোনো নাবী তাঁর জাতিকে কখনো একথা বলবেন না যে, “তোমরা আমার বান্দা।” এ থেকেই বুঝা যায় রসূলের বান্দা বলাটা বৈধ নয়। সুতরাং যে সমস্ত পীর ও মুরীদরা নিজেদের আব্দুর রসূল (রসূলের বান্দা) বলে থাকে তারা হারাম কাজ করে।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 উচ্চৈঃস্বরে জিকির করা হারাম

📄 উচ্চৈঃস্বরে জিকির করা হারাম


মহান আল্লাহ বলেন, ওাযকুর রব্বাকা ফী নাফসিকা তদ্বররুআও ওয়া খীফাতাও ওয়া দুনাল জাহরি মিনাল ক্বওলি বিল গুদুব্বি ওয়াল আসালি ওয়ালা তাকুম মিনাল গাফিলীন। “তোমরা তোমাদের রবকে ডাক সকাল-সন্ধ্যায় বিনয়ের সাথে মনে-মনে এবং অনুচ্চস্বরে আর গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।” -সূরাহ্ আ'রফ (৭), ২০৫

এ আয়াত থেকে বুঝা যায়, জিকির জোরে জোরে করা যাবে না। তাই যারা মাজিদ(মসজিদ), পীরের দরবারে, খানকায়, মাযারে, দরগাহ্ ইত্যাদি জায়গায় গিয়ে জোরে জোরে জিকির করে, তারা হারাম কাজ করছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px