📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া আল্লাহর ইবাদাত করতে বাধ্য

📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া আল্লাহর ইবাদাত করতে বাধ্য


মহান আল্লাহ্ বলেন, وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
“আমি জ্বীন ও মানবজাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাতের জন্যই সৃষ্টি করেছি”। -সূরাহ্ যারিয়াত (৫১), ৫৬

উপরোক্ত আয়াত থেকে বুঝা যায়, নাবী-রসূল, শহীদ, পীর বা ওয়ালী আওলিয়া এমনকি সমগ্র মানবজাতি এবং জ্বীন জাতি সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্যই হচ্ছে আল্লাহর ইবাদাত করা। সেখানে কেউ যদি বলে যে, কোন এক পর্যায়ের যাওয়ার পর আল্লাহর ইবাদাত করা লাগে না, তারা আল্লাহর সৃষ্টির উদ্দেশ্যের বিরোধীতাকারী ও পথভ্রষ্ট।

মহান আল্লাহ্ আরও বলেন, يأَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
“হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত কর, যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা মুত্তাক্বী (আল্লাহভীরু) হতে পারো।” -সূরা বাক্বরহ (২), ২১

এ আয়াত থেকে বুঝা যায়, সৃষ্টির শুরু থেকে সকল নাবী-রসূল, শহীদ, সিদ্দিক, ওয়ালী-আওলিয়াসহ সকল মানুষকে আল্লাহর ইবাদাত করতে হবে।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য

📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য


মহান আল্লাহ্ বলেন, كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ...
“প্রত্যেক জীব মৃত্যুবরণ করবে...” -সূরাহ্ আনকাবূত (২৯), ৫৭

এ আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, সব মানুষই একদিন মারা যাবে। তাহলে বুঝে নিতে হবে যে, পীর বা ওয়ালী-আওলিয়ারাও মারা যায়।

মহান আল্লাহ্ আরও বলেন, إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ.
“(হে মুহাম্মাদ) তুমি মারা যাবে আর তারাও মারা যাবে।” -সূরাহ্ যুমার (৩৯), ৩০

যেখানে রসূলুল্লহ্ মারা গিয়েছেন সেখানে পীর বা ওয়ালীরা মারা যাবে না কেনো? অবশ্যই পীর বা ওয়ালী-আওলিয়ারাও মারা যাবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px