📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া কাউকে হেদায়েত দেয়ার ক্ষমতা রাখে না

📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া কাউকে হেদায়েত দেয়ার ক্ষমতা রাখে না


মহান আল্লাহ বলেন, ইন্নাকা লা তাহদী মান আহবাবতা ওয়ালা কিন্নাল্লাহা ইয়াহদী মাই ইয়াশাউ ওয়া হুয়া আলামু বিল মুহতাদীন। “(হে মুহাম্মাদ) তুমি যাকে ভালোবাসো তাকে হেদায়েত দিতে পারবে না। বরং আল্লাহ্ যাকে চান তাকেই হেদায়েত দান করেন। তিনি হেদায়েত প্রাপ্তদের সম্পর্কে জানেন।” -সূরাহ্ ক্বস্বস্ব (২৮), ৫৬

যেখানে স্বয়ং নাবী তাঁর প্রিয় ব্যক্তিকে হেদায়েত দানের ক্ষমতা রাখেন না, সেখানে পীর বা ওয়ালী-আওলিয়ারা কিভাবে হেদায়েত দেয়ার ক্ষমতা রাখে! নিশ্চয় যে সকল পীররা মানুষদেরকে হেদায়েত দানের দাবী করে তারা অবশ্যই-অবশ্যই ভণ্ড।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া তাদের মুরিদদের জন্য “নিজ থেকে” আল্লাহর নিকট সুপারিশ করার ক্ষমতা রাখে না

📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া তাদের মুরিদদের জন্য “নিজ থেকে” আল্লাহর নিকট সুপারিশ করার ক্ষমতা রাখে না


মহান আল্লাহ বলেন, লা ইয়ামলিকুনাশ শাফাআতা ইল্লা মানিত্তাক্বাযা ইনদার রাহমানি আহদা। “রহমানের অনুমতি ব্যতীত কেউ সুপারিশ করার অধিকার রাখবে না।” -সূরাহ্ মারইয়াম (১৯), ৮৭

পীর ওয়ালী-আওলিয়ারা আল্লাহর নিকট থেকে তাদের মুরিদদের জন্য সুপারিশের অনুমতি পেয়েছে তার কোন প্রমাণ নেই। তাই যে সকল পীর বা ওয়ালী-আওলিয়ারা তাদের মুরিদদের পরকালে সুপারিশের আশ্বাস দেয়, তারা মিথ্যুক।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া ইহকালে আল্লাহকে দেখতে পারে না

📄 পীর বা ওয়ালী-আউলিয়া ইহকালে আল্লাহকে দেখতে পারে না


... তা'লামু আন্নাহু লাই ইয়ারা আহাদুম মিনকুম রব্বাহু আযযা ওয়া জাল্লা হাত্তা ইয়ামূতা। “রসূলুল্লহ্ ﷺ বলেছেন, ... জেনে রেখো নিশ্চয়ই কখনোই তোমাদের কেউ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমাদের রবকে দেখতে পাবে না” -মুসলিম, অধ্যায় ঃ ৫২, কিতাবুল ফিতান, অনুচ্ছেদঃ ১৯, ইবনু সাঈদের বর্ণনা, হাদিস # ১৬৯, আস্-সুন্নাহ (ইমাম ইবনু আবী আসিম রহ.), স্বহীহ, অনুচ্ছেদ : কখনোই তোমরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমাদের রবকে দেখতে পাবে না, হাদিস # ৪২৮।

সুতরাং যে সমস্ত পীর বা ওয়ালী-আওলিয়ারা ইহকালে আল্লাহকে দেখার দাবী করে এবং মুরিদদেরও আল্লাহকে দেখানোর আশ্বাস দেয়, তারা চরম মিথ্যাবাদী ও প্রতারক।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 যারা কবরে আছে তারা আমাদের কোনো কথা শুনতে পারে না

📄 যারা কবরে আছে তারা আমাদের কোনো কথা শুনতে পারে না


মহান আল্লাহ্ বলেন, ... ওয়ামা আন্তা বিমুসমেয়িন মান ফিল ক্বুবুরি। “...যে ব্যক্তি কবরে রয়েছে তাকে তুমি (কোনো কথা) শোনাতে পারবে না।” -সূরাহ্ ফাতির (৩৫), ২২

যেহেতু ক্ববরের ব্যক্তিরা আমাদের কোনো কথাই শোনে না সেহেতু তাদের কাছে কোনো কিছু চাওয়া বোকামী ছাড়া কিছুই নয়! তাই মাযারে গিয়ে দু'আ করে কোনো লাভ নেই। কারণ, মাযারের কবরওয়ালা পৃথিবীবাসীর কারো কথা শুনতে পারে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px