📄 দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হারাম
আবু মালিক আশ'আরী থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লহ্ বলেন, ... মিন উম্মাতি আক্বওয়ামুন ইয়াস্তাহিল্লুনাল হিরা ওয়াল হারীরা ওয়াল খামরা ওয়াল মাআযিফ।
"...আমার উম্মাতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যাভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে..."-বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৪, পানীয়, অনুচ্ছেদঃ ৬, যে ব্যক্তি মদকে ভিন্ন নামে নামকরণ করে তা হালাল মনে করে, হাদিস # ৫৫৯০।
এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, রসূলুল্লহ্ ও স্বহাবাগণ (দফ ব্যতীত) বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করতেন না। পরবর্তিতে কিছু মানুষ সেগুলোকে হালাল মনে করবে। তাই বুঝে নিতে হবে যে, যে সমস্ত পীরের দরবারে, খানকায় বা মাযারে দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, তারা হারামকাজে লিপ্ত।
আবু মালিক আশ'আরী থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লহ্ বলেন, ... মিন উম্মাতি আক্বওয়ামুন ইয়াস্তাহিল্লুনাল হিরা ওয়াল হারীরা ওয়াল খামরা ওয়াল মাআযিফ। "...আমার উম্মাতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যাভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে..." -বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৪, পানীয়, অনুচ্ছেদঃ ৬, যে ব্যক্তি মদকে ভিন্ন নামে নামকরণ করে তা হালাল মনে করে, হাদিস # ৫৫৯০।
এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, রসূলুল্লহ্ ও স্বহাবাগণ (দফ ব্যতীত) বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করতেন না। পরবর্তিতে কিছু মানুষ সেগুলোকে হালাল মনে করবে। তাই বুঝে নিতে হবে যে, যে সমস্ত পীরের দরবারে, খানকায় বা মাযারে দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, তারা হারামকাজে লিপ্ত।
📄 কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্য যেমন হওয়া উচিৎ
আনাস থেকে বর্ণিত, ওাকুনতু নহাইতুকুম আন যিয়ারাতিল ক্বুবুরি সুম্মা বাদা লী ফাযুরুহা ফাইন্নাহা তুরি ক্বুল ক্বালবি ওয়াতুদমিউল আইনা ওয়াতuযাক্কিরুল আখিরাতা ফাযুরু ওলা তাক্বুলু হুজরান।
“রসূলুল্লহ্ বলেছেন, 'আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, হ্যাঁ এখন তোমরা কবর যিয়ারত করবে। কারণ কবর যিয়ারত (১) হৃদয়কে কোমল করে, (২) চক্ষুকে অশ্রুসিক্ত করে ও (৩) পরকালকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে তোমরা শোক ও বেদনা প্রকাশ করতে যেয়ে সেখানে কিছু বলবে না।” -সুনানুল কুবরা (ইমাম বায়হাক্বী রহ.), স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদ : ১৬৭, কবর যিয়ারত, হাদিস # ৭১৯৮।
উপরোক্ত হাদিস এবং বর্তমান মানুষদের কার্যকলাপ দেখে যে কেউ বুঝতে পারবে যে, রসূলুল্লহ কবর যিয়ারতের যে উদ্দেশ্যগুলো আমাদের শিখিয়েছেন, বর্তমানের মানুষরা সেই উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়েছে। আর সে জন্যই তারা আজ কবরে যায় কবরবাসীর কাছে চাইতে, বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে, কবরে সাজদাহ্ দিতে, কবরবাসী পরকালে তাকে রক্ষা করবে এই আশায়, সন্তান পাওয়ার আশায় ইত্যাদি। যা কি'না শারী'আহ্'য় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আনাস থেকে বর্ণিত, ওাকুনতু নহাইতুকুম আন যিয়ারাতিল ক্বুবুরি সুম্মা বাদা লী ফাযুরুহা ফাইন্নাহা তুরি ক্বুল ক্বালবি ওয়াতুদমিউল আইনা ওয়াতuযাক্কিরুল আখিরাতা ফাযুরু ওলা তাক্বুলু হুজরান। “রসূলুল্লহ্ বলেছেন, 'আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, হ্যাঁ এখন তোমরা কবর যিয়ারত করবে। কারণ কবর যিয়ারত (১) হৃদয়কে কোমল করে, (২) চক্ষুকে অশ্রুসিক্ত করে ও (৩) পরকালকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে তোমরা শোক ও বেদনা প্রকাশ করতে যেয়ে সেখানে কিছু বলবে না।” -সুনানুল কুবরা (ইমাম বায়হাক্বী রহ.), স্বহীহ্, অধ্যায় ঃ কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদ : ১৬৭, কবর যিয়ারত, হাদিস # ৭১৯৮।
উপরোক্ত হাদিস এবং বর্তমান মানুষদের কার্যকলাপ দেখে যে কেউ বুঝতে পারবে যে, রসূলুল্লহ কবর যিয়ারতের যে উদ্দেশ্যগুলো আমাদের শিখিয়েছেন, বর্তমানের মানুষরা সেই উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়েছে। আর সে জন্যই তারা আজ কবরে যায় কবরবাসীর কাছে চাইতে, বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে, কবরে সাজদাহ্ দিতে, কবরবাসী পরকালে তাকে রক্ষা করবে এই আশায়, সন্তান পাওয়ার আশায় ইত্যাদি। যা কি'না শারী'আহ্'য় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।