📄 মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন,
لَا عَقْرَ فِي الْإِسْلَامِ, قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ কানু ইয়া'ক্বিরুনা ইনদাল ক্বাবরি ইয়ানি বাকারাতান আও বিশাইয়িন
“ইসলামে কোন আকর নেই।” বর্ণনাকারী আবদুর রাজ্জাক রহ. বলেন, জাহিলিয়াতের (অজ্ঞতার) যুগে লোকেরা কবরের পাশে গিয়ে গরু বা ছাগল যবাই (আকর) করতো। -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১৫, কিতাবুল জানায়েজ, অনুচ্ছেদ : ৭৪, কবরের পাশে যবাই করা নিষিদ্ধ, হাদিস # ৩২২২।
এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন, ল্যা আক্বরা ফিল ইসলামি, ক্বলা আবদুর রযযাকু কানূ ইয়া'ক্বিরূনা ইনদাল ক্বাবরি ইয়ানি বাকারাতান আও বিশাইয়িন “ইসলামে কোন আকর নেই।” বর্ণনাকারী আবদুর রাজ্জাক রহ. বলেন, জাহিলিয়াতের (অজ্ঞতার) যুগে লোকেরা কবরের পাশে গিয়ে গরু বা ছাগল যবাই (আকর) করতো। -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১৫, কিতাবুল জানায়েজ, অনুচ্ছেদ : ৭৪, কবরের পাশে যবাই করা নিষিদ্ধ, হাদিস # ৩২২২।
এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম।
📄 মাযারকে কেন্দ্র করে ওরশ বা অনুষ্ঠান আয়োজন করা নিষেধ
আবু হুরইরহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন,
لَا تَجْعَلُوا قَبْرِى عِيدًا وَصَلُّوا عَلَى فَإِنَّ صَلَاتَكُمْ تَبْلُغُنِي حَيْثُ কুনতুম
“...তোমরা আমার কৃবরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হবে।” -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ৫, কিতাবুল হাজ্জ, অনুচ্ছেদঃ ১০০, কবর যিয়ারত, হাদিস # ২০৪২।
এ হাদিসটির প্রতি গভীরভাবে লক্ষ্য করুন, যেখানে রসুলুল্লহ্ (সাঃ) এর কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব করা নিষেধ, সেখানে কোন পীর-আওলিয়ার কবরকে কেন্দ্র করে ওরশ, জন্ম-বার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী ইত্যাদি উৎসব পালন করা কি হারাম হবে না? অবশ্যই হবে।
আবু হুরইরহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন, ল্যা তাজআলূ ক্বাবরী ঈদাও ওয়া সল্লু আল্যা ফাইন্না সলাতাকুম তাবলুগুনী হাইসু কুনতুম “...তোমরা আমার ক্ববরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হবে।” -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ৫, কিতাবুল হাজ্জ, অনুচ্ছেদঃ ১০০, কবর যিয়ারত, হাদিস # ২০৪২।
এ হাদিসটির প্রতি গভীরভাবে লক্ষ্য করুন, যেখানে রসুলুল্লহ্ (সাঃ) এর কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব করা নিষেধ, সেখানে কোন পীর-আওলিয়ার কবরকে কেন্দ্র করে ওরশ, জন্ম-বার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী ইত্যাদি উৎসব পালন করা কি হারাম হবে না? অবশ্যই হবে।
📄 মানত করা নিষেধ তাই মাযারে মানত করে কোন লাভ নেই
ইবনু ওমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
أَنَهُ نَهَى عَنِ النُّدْرِ وَقَالَ إِنَّهُ لَا يَأْتِي بِخَيْرٍ ওাইন্নামা ইউস্তাখরাজু বিহি মিনাল বাখীল
“নাবী (সাঃ) মানত করতে নিষেধ করেছেন আর বলেছেন তা (মানত) কল্যাণ বয়ে আনে না। তবে মানতের মাধ্যমে কৃপণ লোকের থেকে কিছু (অর্থ-সম্পদ) বের করা হয়।” -মুসলিম, অধ্যায় : ২৭, মানত, অনুচ্ছেদঃ ২, মানত করার নিষেধাজ্ঞা আর তা কিছুই ফিরিয়ে দেয় না, হাদিস # ২,৩,৪/১৬৩৯, তিরমিযী, স্বহীহ্, অধ্যায়: ১৮, মানত ও শপথ, অনুচ্ছেদ : ১০, মানত করা অপছন্দনীয়, হাদিস # ১৫৩৮, ইবনু মাজাহ্, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১১, কাফ্ফারাসমূহ, অনুচ্ছেদ : ১৫, মানত করা নিষেধ, হাদিস # ২১২৩ (হাদিসটি মুসলিমের বর্ণনা)।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারে মানত করে তারা আসলে 'বোকা'।
ইবনু ওমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আনাহু নহা আনিন নুদরি ওয়াক্বলা ইন্নাহু লা ইয়াতি বিখয়রিন ওয়াইন্নামা ইউস্তাখরাজু বিহি মিনাল বাখীল। “নাবী (সাঃ) মানত করতে নিষেধ করেছেন আর বলেছেন তা (মানত) কল্যাণ বয়ে আনে না। তবে মানতের মাধ্যমে কৃপণ লোকের থেকে কিছু (অর্থ-সম্পদ) বের করা হয়।” -মুসলিম, অধ্যায় : ২৭, মানত, অনুচ্ছেদঃ ২, মানত করার নিষেধাজ্ঞা আর তা কিছুই ফিরিয়ে দেয় না, হাদিস # ২,৩,৪/১৬৩৯, তিরমিযী, স্বহীহ্, অধ্যায়: ১৮, মানত ও শপথ, অনুচ্ছেদ : ১০, মানত করা অপছন্দনীয়, হাদিস # ১৫৩৮, ইবনু মাজাহ্, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১১, কাফ্ফারাসমূহ, অনুচ্ছেদ : ১৫, মানত করা নিষেধ, হাদিস # ২১২৩ (হাদিসটি মুসলিমের বর্ণনা)।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারে মানত করে তারা আসলে 'বোকা'।
📄 দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হারাম
আবু মালিক আশ'আরী থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লহ্ বলেন, ... মিন উম্মাতি আক্বওয়ামুন ইয়াস্তাহিল্লুনাল হিরা ওয়াল হারীরা ওয়াল খামরা ওয়াল মাআযিফ।
"...আমার উম্মাতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যাভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে..."-বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৪, পানীয়, অনুচ্ছেদঃ ৬, যে ব্যক্তি মদকে ভিন্ন নামে নামকরণ করে তা হালাল মনে করে, হাদিস # ৫৫৯০।
এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, রসূলুল্লহ্ ও স্বহাবাগণ (দফ ব্যতীত) বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করতেন না। পরবর্তিতে কিছু মানুষ সেগুলোকে হালাল মনে করবে। তাই বুঝে নিতে হবে যে, যে সমস্ত পীরের দরবারে, খানকায় বা মাযারে দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, তারা হারামকাজে লিপ্ত।
আবু মালিক আশ'আরী থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লহ্ বলেন, ... মিন উম্মাতি আক্বওয়ামুন ইয়াস্তাহিল্লুনাল হিরা ওয়াল হারীরা ওয়াল খামরা ওয়াল মাআযিফ। "...আমার উম্মাতের মধ্যে অবশ্যই এমন কতগুলো দলের সৃষ্টি হবে, যারা ব্যাভিচার, রেশমী কাপড়, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে..." -বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৪, পানীয়, অনুচ্ছেদঃ ৬, যে ব্যক্তি মদকে ভিন্ন নামে নামকরণ করে তা হালাল মনে করে, হাদিস # ৫৫৯০।
এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, রসূলুল্লহ্ ও স্বহাবাগণ (দফ ব্যতীত) বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করতেন না। পরবর্তিতে কিছু মানুষ সেগুলোকে হালাল মনে করবে। তাই বুঝে নিতে হবে যে, যে সমস্ত পীরের দরবারে, খানকায় বা মাযারে দফ ব্যতীত বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, তারা হারামকাজে লিপ্ত।