📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 মাযারের কবরে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালানো, গোলাপ জল ছিটানো, কবরকে সাজানো মূর্তিপূজারই নামান্তর

📄 মাযারের কবরে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালানো, গোলাপ জল ছিটানো, কবরকে সাজানো মূর্তিপূজারই নামান্তর


মাজারে যেভাবে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালায়, গোলাপ জল ছিটায় এবং ক্ববরকে সাজায় ঠিক সেভাবেই হিন্দু মূর্তিপূজারিরা তাদের মূর্তিকে কেন্দ্র করে পূজা করে থাকে। যা থেকে বুঝা যায়, কবরে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালানো, গোলাপ জল ছিটানো পূজা করারই মত বিষয়। এখন কেউ হয়তো বলতো পারেন যে, কবর পূজনীয় হয় না। তাদের জবাবে আমি বলবো আপনারা ভুল বলছেন। কবর পূজনীয় হয় তার প্রমাণ পেশ করা হলো। আবু হুরইরহ নাবী থেকে বর্ণনা করেন,
أَللَّهُمَّ لَا تَجْعَلُ قَبْرِي وَثَنَا ... “হে আল্লাহ্ আমার কবরকে তুমি পূজনীয় বানিয়ো না..."-মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ, হাদিস # ৭৩৫২।

এ হাদিস থেকে বুঝা যায় কবর পূজনীয় হতে পারে। অর্থাৎ যারা কবর সাজায়, আগরবাতি জ্বালায়, গোলাপজল ছিটায় তারা মূলতঃ কবর পূজারী।

মাজারে যেভাবে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালায়, গোলাপ জল ছিটায় এবং ক্ববরকে সাজায় ঠিক সেভাবেই হিন্দু মূর্তিপূজারিরা তাদের মূর্তিকে কেন্দ্র করে পূজা করে থাকে। যা থেকে বুঝা যায়, কবরে আগরবাতি বা মোমবাতি জ্বালানো, গোলাপ জল ছিটানো পূজা করারই মত বিষয়। এখন কেউ হয়তো বলতো পারেন যে, কবর পূজনীয় হয় না। তাদের জবাবে আমি বলবো আপনারা ভুল বলছেন। কবর পূজনীয় হয় তার প্রমাণ পেশ করা হলো। আবু হুরইরহ নাবী থেকে বর্ণনা করেন,

أَللَّهُمَّ لَا تَجْعَلُ قَبْرِي وَثَنَا ... “হে আল্লাহ্ আমার কবরকে তুমি পূজনীয় বানিয়ো না..."-মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ, হাদিস # ৭৩৫২।

এ হাদিস থেকে বুঝা যায় কবর পূজনীয় হতে পারে। অর্থাৎ যারা কবর সাজায়, আগরবাতি জ্বালায়, গোলাপজল ছিটায় তারা মূলতঃ কবর পূজারী।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 মাযারের কবরকে যারা পূজা করে তারা মূর্তিপূজারি বলে বিবেচিত

📄 মাযারের কবরকে যারা পূজা করে তারা মূর্তিপূজারি বলে বিবেচিত


ইবনু ওমার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمُ
“রসূলুল্লহ্ বলেন, যে ব্যক্তি অন্যজাতির (ধর্মীয় কাজের) অনুসরণ করবে তারা ঐ জাতির অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।” -আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ২৭, কিতাবুল-লিবাস্, অনুচ্ছেদ: ৫, খ্যাতি লাভের পোশাক পরিধান করা, হাদিস # ৪০৩১।

ইবনু ওমার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
মান তাশাব্বাহা বি ক্বওমিন ফাহুয়া মিনহুম
“রসূলুল্লহ্ বলেন, যে ব্যক্তি অন্যজাতির (ধর্মীয় কাজের) অনুসরণ করবে তারা ঐ জাতির অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।” -আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ২৭, কিতাবুল-লিবাস্, অনুচ্ছেদ: ৫, খ্যাতি লাভের পোশাক পরিধান করা, হাদিস # ৪০৩১।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম

📄 মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম


আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন,
لَا عَقْرَ فِي الْإِسْلَامِ, قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ কানু ইয়া'ক্বিরুনা ইনদাল ক্বাবরি ইয়ানি বাকারাতান আও বিশাইয়িন
“ইসলামে কোন আকর নেই।” বর্ণনাকারী আবদুর রাজ্জাক রহ. বলেন, জাহিলিয়াতের (অজ্ঞতার) যুগে লোকেরা কবরের পাশে গিয়ে গরু বা ছাগল যবাই (আকর) করতো। -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১৫, কিতাবুল জানায়েজ, অনুচ্ছেদ : ৭৪, কবরের পাশে যবাই করা নিষিদ্ধ, হাদিস # ৩২২২।

এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন, ল্যা আক্বরা ফিল ইসলামি, ক্বলা আবদুর রযযাকু কানূ ইয়া'ক্বিরূনা ইনদাল ক্বাবরি ইয়ানি বাকারাতান আও বিশাইয়িন “ইসলামে কোন আকর নেই।” বর্ণনাকারী আবদুর রাজ্জাক রহ. বলেন, জাহিলিয়াতের (অজ্ঞতার) যুগে লোকেরা কবরের পাশে গিয়ে গরু বা ছাগল যবাই (আকর) করতো। -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায় : ১৫, কিতাবুল জানায়েজ, অনুচ্ছেদ : ৭৪, কবরের পাশে যবাই করা নিষিদ্ধ, হাদিস # ৩২২২।

এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, মাযারকে কেন্দ্র করে পশু কুরবানী করা হারাম।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 মাযারকে কেন্দ্র করে ওরশ বা অনুষ্ঠান আয়োজন করা নিষেধ

📄 মাযারকে কেন্দ্র করে ওরশ বা অনুষ্ঠান আয়োজন করা নিষেধ


আবু হুরইরহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন,
لَا تَجْعَلُوا قَبْرِى عِيدًا وَصَلُّوا عَلَى فَإِنَّ صَلَاتَكُمْ تَبْلُغُنِي حَيْثُ কুনতুম
“...তোমরা আমার কৃবরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হবে।” -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ৫, কিতাবুল হাজ্জ, অনুচ্ছেদঃ ১০০, কবর যিয়ারত, হাদিস # ২০৪২।

এ হাদিসটির প্রতি গভীরভাবে লক্ষ্য করুন, যেখানে রসুলুল্লহ্ (সাঃ) এর কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব করা নিষেধ, সেখানে কোন পীর-আওলিয়ার কবরকে কেন্দ্র করে ওরশ, জন্ম-বার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী ইত্যাদি উৎসব পালন করা কি হারাম হবে না? অবশ্যই হবে।

আবু হুরইরহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লহ্ (সাঃ) বলেছেন, ল্যা তাজআলূ ক্বাবরী ঈদাও ওয়া সল্লু আল্যা ফাইন্না সলাতাকুম তাবলুগুনী হাইসু কুনতুম “...তোমরা আমার ক্ববরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হবে।” -সুনান আবু দাউদ, স্বহীহ্, অধ্যায়ঃ ৫, কিতাবুল হাজ্জ, অনুচ্ছেদঃ ১০০, কবর যিয়ারত, হাদিস # ২০৪২।

এ হাদিসটির প্রতি গভীরভাবে লক্ষ্য করুন, যেখানে রসুলুল্লহ্ (সাঃ) এর কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব করা নিষেধ, সেখানে কোন পীর-আওলিয়ার কবরকে কেন্দ্র করে ওরশ, জন্ম-বার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী ইত্যাদি উৎসব পালন করা কি হারাম হবে না? অবশ্যই হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px