📄 কবরকে রং করা হারাম
জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
نَهَى رَسُلُ اللهِ ﷺ أَنْ يُجَصَّصَ الْقَبْرَ ... “রসূলুল্লহ্ ﷺ কবরে চুনকাম (রং) করতে নিষেধ করেছেন।” -মুসলিম, অধ্যায়: ১১, কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদঃ ৩২, কবর চুনকাম করা এবং এর উপর গৃহ নির্মাণ প্রসঙ্গে, হাদিস # ৯৪/৯৭০
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারের কবরকে চুনকাম বা রং করেছে, তারা রসূলুল্লহ্ ﷺ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে।
জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
নহা রসুলাল্লাহি ﷺ আই ইউজাসসিসাল ক্বাবরা ... “রসূলুল্লহ্ ﷺ কবরে চুনকাম (রং) করতে নিষেধ করেছেন।” -মুসলিম, অধ্যায়: ১১, কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদঃ ৩২, কবর চুনকাম করা এবং এর উপর গৃহ নির্মাণ প্রসঙ্গে, হাদিস # ৯৪/৯৭০
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারের কবরকে চুনকাম বা রং করেছে, তারা রসূলুল্লহ্ ﷺ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে।
📄 কবরকে এক বিঘতের বেশি উঁচু করা হারাম
قَالَ عَلِىُّ ﷺ أَلَا أَبْعَثُكَ عَلَى مَا بَعَثَنِي عَلَيْهِ رَسُولُ اللهِ ﷺ أَلَا تَدَعَنَّ قَبْرًا مُشْرِفًا إِلَّا سَوَّয়ْتَهُ “আলী বলেন, আমি কি তোমাকে সেই কাজে পাঠাবো না, যেই কাজে আমাকে রসূলুল্লহ্ ﷺ পাঠিয়েছিলেন ? তুমি (এক বিঘতের) উঁচু কবরকে সমান করে দিবে...” -মুসলিম, অধ্যায়: ১১, কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদ: ৩১, কবর সমান করার নির্দেশ, হাদিস # ৯৩/৯৬৯, নাসাঈ, সহীহ, অধ্যায়: ২১, জানায়িয, অনুচ্ছেদ: কবর উঁচু হলে তা সমতল করে দেয়া, হাদিস # ২০৩১, আবু দাউদ, সহীহ, অধ্যায়: ১৫. জানাযা, অনুচ্ছেদ: ৭২. কবর সমান করা, হাদিস # ৩২১৮ (হাদিসটি নাসাঈর বর্ণনা)।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারের কবরকে এক বিঘতের চেয়ে বেশি উঁচু করেছে, তারা হারাম কাজ করেছে।
قَالَ عَلِىُّ ﷺ أَلَا أَبْعَثُكَ عَلَى مَا বয়াছানি আলাইহি রাসূলুল্লাহি ﷺ আল্লা তাদাআন্না ক্বাবরান মুশরিফান ইল্লা সাওআইতাহু “আলী বলেন, আমি কি তোমাকে সেই কাজে পাঠাবো না, যেই কাজে আমাকে রসূলুল্লহ্ ﷺ পাঠিয়েছিলেন ? তুমি (এক বিঘতের) উঁচু কবরকে সমান করে দিবে...” -মুসলিম, অধ্যায়: ১১, কিতাবুল জানায়িয, অনুচ্ছেদ: ৩১, কবর সমান করার নির্দেশ, হাদিস # ৯৩/৯৬৯, নাসাঈ, সহীহ, অধ্যায়: ২১, জানায়িয, অনুচ্ছেদ: কবর উঁচু হলে তা সমতল করে দেয়া, হাদিস # ২০৩১, আবু দাউদ, সহীহ, অধ্যায়: ১৫. জানাযা, অনুচ্ছেদ: ৭২. কবর সমান করা, হাদিস # ৩২১৮ (হাদিসটি নাসাঈর বর্ণনা)।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা মাযারের কবরকে এক বিঘতের চেয়ে বেশি উঁচু করেছে, তারা হারাম কাজ করেছে।
📄 কবরের উপরে ছবি আঁকা হারাম
আইশাহ্ থেকে বর্ণিত,
أُولَئِكَ إِذَا مَاتَ مِنْهُمُ الرَّجُلُ الصَّالِحُ بَنُوا عَلَى قَبْرِهِ مَسْجِدًا, ثُمَّ صَوَّرُوا فِيهِ تِلْكَ الصُّورَةَ أُولَئِكَ شِرَارُ الْخَلْقِ عِنْدَ اللَّهِ . “...রসূলুল্লহ্ ﷺ বলেছেন, সেসব দেশের লোকেরা (হাবশার খৃষ্টানরা) তাদের কোনো নেককার ব্যক্তি মারা গেলে তার কবরের উপরে মাসজিদ নির্মাণ করতো এবং ঐসব চিত্রকর্ম অঙ্কন করতো। তারা হলো আল্লাহ্'র নিকৃষ্ট সৃষ্টি।” -বুখারী, অধ্যায়: ২৩, কিতাবুল জানাযা, অনুচ্ছেদঃ ৭০, কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণ করা, হাদিস # ১৩৪১।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা কবরের উপর ভাস্কর্য নির্মাণ বা প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছে, তারা রসূলুল্লহ্ ﷺ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে।
আইশাহ্ থেকে বর্ণিত, উলাইকা ইযা মাতা মিনহুমুর রাজুলুস সালিহু বানাও আলা ক্বাবরিহি মাসজিদান, সুম্মা সাওয়ারু ফীহি তিলকাস সূরতি উলাইকা শিরারুল খালক্বি ইনদাল্লাহ। “...রসূলুল্লহ্ ﷺ বলেছেন, সেসব দেশের লোকেরা (হাবশার খৃষ্টানরা) তাদের কোনো নেককার ব্যক্তি মারা গেলে তার কবরের উপরে মাসজিদ নির্মাণ করতো এবং ঐসব চিত্রকর্ম অঙ্কন করতো। তারা হলো আল্লাহ্'র নিকৃষ্ট সৃষ্টি।” -বুখারী, অধ্যায়: ২৩, কিতাবুল জানাযা, অনুচ্ছেদঃ ৭০, কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণ করা, হাদিস # ১৩৪১।
এ হাদিসটি থেকে বুঝা যায়, যারা কবরের উপর ভাষ্কর্য নির্মাণ বা প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছে, তারা রসূলুল্লহ্ ﷺ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে।
📄 কবরের উপরে মাসজিদ বানানো হারাম
জুনদুব থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি নাবী এর মৃত্যুর ৫ দিন পূর্বে বলতে শুনেছি,
أَنَّ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَانُوا يَتَّخِذُونَ قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ وَصَالِحِيهِمُ مَسَاجِدَ أَلَا فَلَا تَتَّখِذُوا الْقُبُورَ مَسَاجِدَ إِنِّى أَنْهُكُمْ عَنْ ذَلِكَ.
“... নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নাবী এবং সৎলোকদের কবরকে মাসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান তোমরা কবরগুলোকে মাসজিদ বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদের নিষেধ করছি।” -মুসলিম, অধ্যায়ঃ ৫, মাসজিদ ও স্বলাতের স্থানসমূহ, অনুচ্ছেদ : ৩, কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো এবং কবরকে সাজদাহ্'র স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা, হাদিস # ২৩/৫৩২
আব্দুল্লহ্ হতে বর্ণিত তিনি বলেন,
سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ إِنَّ مِنْ شِرَّارَ النَّاسِ مَنْ تَدْرَكَهُ السَّاعَةُ وَهُمْ أَحْيَاء وَমَنْ يَتَّخِذُ الْقُبُرَ مَسَاجِدَ.
"আমি নাবীকে বলতে শুনেছি জীবিত অবস্থায় যাদের উপর ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে, তারা হলো মানুষের মাঝে সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক এবং যারা কবরকে মাজিদ বানাবে তারাও সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক।” -মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ্, হাদিস # ৩৮৪৪, ৪১৪৩
আবু হুরইরহ্ নাবী থেকে বর্ণনা করেন,
لَعَنَ اللهُ قَوْمًا اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ
“...ঐ জাতির উপর আল্লাহ্'র অভিশাপ বর্ষণ হোক যারা নাবীদের কবরকে মাসজিদে রূপান্তর করে।"-মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ, হাদিস # ৭৩৫২।
উপরোক্ত হাদিসসমূহ থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায়, যারা কবরের উপর মাজিদ নির্মাণ করে মাযার বানিয়েছে তারা রসূলুল্লহ্ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে, তারা মানুষের মধ্যে সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক ও তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ রয়েছে।
জুনদুব থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি নাবী এর মৃত্যুর ৫ দিন পূর্বে বলতে শুনেছি, আনাল্লা মান কানা ক্বাবলাকুম কানূ তাত্তাকিযূনা ক্বুবুরা আম্বিয়ায়িহিম ওয়া সলিহীহিম মাসাজিদা আলা ফালা তাত্তাকিযুল ক্বুবুরা মাসাজিদা ইন্নী আনহাকুম আন যালিকা। “... নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নাবী এবং সৎলোকদের কবরকে মাসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান তোমরা কবরগুলোকে মাসজিদ বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদের নিষেধ করছি।” -মুসলিম, অধ্যায়ঃ ৫, মাসজিদ ও স্বলাতের স্থানসমূহ, অনুচ্ছেদ : ৩, কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো এবং কবরকে সাজদাহ্'র স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা, হাদিস # ২৩/৫৩২
আব্দুল্লহ্ হতে বর্ণিত তিনি বলেন, সামী'তু রসুলাল্লাহি ﷺ ইয়াক্বুলু ইন্না মিন শিররারাি ন্নাসি মান তাদরিকুহুস সাআতু ওয়াহুম আহ্ইয়াউ ওয়ামাই তাত্তাকিযুল ক্বুবুরা মাসাজিদা। "আমি নাবীকে বলতে শুনেছি জীবিত অবস্থায় যাদের উপর ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে, তারা হলো মানুষের মাঝে সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক এবং যারা কবরকে মাজিদ বানাবে তারাও সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক।” -মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ্, হাদিস # ৩৮৪৪, ৪১৪৩
আবু হুরইরহ্ নাবী থেকে বর্ণনা করেন, লানাল্লাহু ক্বওমান তাত্তাকিযূ ক্বুবুরা আম্বিয়ায়িহিম মাসাজিদা “...ঐ জাতির উপর আল্লাহ্'র অভিশাপ বর্ষণ হোক যারা নাবীদের কবরকে মাসজিদে রূপান্তর করে।" -মুসনাদে আহমাদ, স্বহীহ, হাদিস # ৭৩৫২।
উপরোক্ত হাদিসসমূহ থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায়, যারা কবরের উপর মাজিদ নির্মাণ করে মাযার বানিয়েছে তারা রসূলুল্লহ্ এর নির্দেশ অমান্য করে হারাম কাজ করেছে, তারা মানুষের মধ্যে সর্বাধিক নিকৃষ্ট লোক ও তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ রয়েছে।