📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 কুরআন ও হাদিসের নির্দেশনা পাওয়ার পরও তা না ‘শোনা’ ‘জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক না খাটানো’ জাহান্নামে যাওয়ার কারণ

📄 কুরআন ও হাদিসের নির্দেশনা পাওয়ার পরও তা না ‘শোনা’ ‘জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক না খাটানো’ জাহান্নামে যাওয়ার কারণ


মহান আল্লাহ্ বলেন, تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ * كُلَّمَا أُلْقِيَ فِيهَا فَوُجٌ সায়ালাহুম খাযানাতুহা আলাম ইয়াতিকুম নাযীর। ক্বলূ বালা ক্বাদ জাআনা নাযীরুন ফাকাযযাবনা ওক্বুলনা মা নাযযাল্লাহু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা ফী দ্বলাালিন কাবীর। ওক্বলূ লাউ কুন্না নাসমাউ আও না'ক্বিলু মা কুন্না ফী আসহাবি স সা'ঈর।
“ক্রোধে জাহান্নাম যেনো ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার রক্ষীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? তারা (জাহান্নামীরা) বলবে; হ্যাঁ, আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলাম; আল্লাহ্ তা'আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। তারা আরও বলবে; যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।” -সূরাহ্ মূলক (৬৭), ৮-১০

মহান আল্লাহ্ বলেন, تَكَادُ তামাইয়্যাযূ মিনাল গইযি * কুল্লামা উলক্বিয়া ফীহা ফাওজুন সায়ালাহুম খাযানাতুহা আলাম ইয়াতিকুম নাযীর। ক্বলূ বালা ক্বাদ জাআনা নাযীরুন ফাকাযযাবনা ওক্বুলনা মা নাযযাল্লাহু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা ফী দ্বলাালিন কাবীর। ওক্বলূ লাউ কুন্না নাসমাউ আও না'ক্বিলু মা কুন্না ফী আসহাবি স সা'ঈর।
“ক্রোধে জাহান্নাম যেনো ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার রক্ষীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? তারা (জাহান্নামীরা) বলবে; হ্যাঁ, আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলাম; আল্লাহ্ তা'আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। তারা আরও বলবে; যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।” -সূরাহ্ মূলক (৬৭), ৮-১০

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 দ্বীনি বিষয়ে কুরআন হাদিস বাদ দিয়ে বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের যারা অনুসরণ করে, আল্লাহ তাদের কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন

📄 দ্বীনি বিষয়ে কুরআন হাদিস বাদ দিয়ে বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের যারা অনুসরণ করে, আল্লাহ তাদের কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন


এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنْزَلَ اللهُ قَالُوا বালো নাত্তাবিউ মা আলফাইনা আলাইহি আবাআনা। আওয়ালাউ কানা আবাউহুম লা ইয়া'ক্বিলুনা শাইয়াও ওয়ালা ইয়াহতাদুন। ওমাসালুল্লাযীনা কাফারু কামাসালিল্লাযী ইয়ান'ইক্বু বিমা লা ইয়াসমাউ ইল্লা দু'আআও ওানিদাআ, সুম্মুম বুকমুন উমইয়ুন ফাহুম লা ইয়া'ক্বিলুন।
“যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান এবং রসূলের দিকে এস, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞান না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয় তবুও কি তারা তাই করবে? এসব কাফিরদের তুলনা সে ব্যক্তির মতো যে এমন কিছুকে ডাকে যা হাঁক-ডাক ছাড়া আর কিছুই শুনে না, তারা বধির, মূক ও অন্ধ; কাজেই তারা বুঝবে না।” -সূরা বাক্বরহ (২), ১৭০-১৭১

বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসরণের কারণে যুগে যুগে কত শত জাতি ধ্বংস হয়েছে। কারণ মানুষেরা ওহীর অনুসরণ বাদ দিয়ে বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করত। আমরাও যদি আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচতে চাই এবং পূর্বের জাতিগুলোর মতো ধ্বংস হতে না চাই, তবে আমাদেরও অবশ্যই বাপ-দাদাদের অনুসরণ বাদ দিয়ে সঠিকভাবে কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিস তথা ওয়াহীর অনুসরণ করা।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 মাযারপন্থি-পীরপন্থি কথিত আলিমদের সাথে অন্যান্য আলিমদের মতপার্থক্য হলে করণীয়

📄 মাযারপন্থি-পীরপন্থি কথিত আলিমদের সাথে অন্যান্য আলিমদের মতপার্থক্য হলে করণীয়


মহান আল্লাহ বলেন, فَإِنْ تَنَازَعُتُمْ فِي শাইয়িন ফারুদ্দুহু ইলাল্লাহি ওয়ার রসূল ইন কুনতুম তু'মিনুনা বিল্লাহি ওয়াল ইয়াওমিল আখির।
“...যদি তোমাদের মাঝে কোন একটি বিষয়ে মতবিরোধ হয়, তবে তা ফিরিয়ে দাও আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে, যদি তোমরা মু'মিন হয়ে থাকো...” -সূরাহ্ নিসা (৪), ৫৯

উপরোক্ত আয়াত অনুযায়ী মাযারপন্থি-পীরপন্থি কথিত আলিমদের সাথে অন্যান্য আলিমদের মতপার্থক্য হলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ﷺ দিকে তথা কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিসের দিকে ফিরিয়ে দিতে হবে। যাদের বক্তব্য কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিসের সাথে মিলবে, তাদেরটাই মেনে নিতে হবে।

মহান আল্লাহ বলেন, فَإِنْ تَنَازَعُتُمْ فِي শাইয়িন ফারুদ্দুহূ ইলাল্লাহি ওয়ার রসূলে ইন কুনতুম তু'মিনুনা বিল্লাহি ওয়াল ইয়াওমিল আখির। “...যদি তোমাদের মাঝে কোন একটি বিষয়ে মতবিরোধ হয়, তবে তা ফিরিয়ে দাও আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে, যদি তোমরা মু'মিন হয়ে থাকো...” -সূরাহ্ নিসা (৪), ৫৯

উপরোক্ত আয়াত অনুযায়ী মাযারপন্থি-পীরপন্থি কথিত আলিমদের সাথে অন্যান্য আলিমদের মতপার্থক্য হলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ﷺ দিকে তথা কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিসের দিকে ফিরিয়ে দিতে হবে। যাদের বক্তব্য কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিসের সাথে মিলবে, তাদেরটাই মেনে নিতে হবে।

📘 কুরআন হাদিসের আলোকে মাযার ও পীর আওলিয়া 📄 আমাদের উদ্দেশ্য সঠিক হলেই চলবে না, বরং ইবাদাতের পন্থাও কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিস ভিত্তিক হতে হবে

📄 আমাদের উদ্দেশ্য সঠিক হলেই চলবে না, বরং ইবাদাতের পন্থাও কুরআন ও গ্রহণযোগ্য হাদিস ভিত্তিক হতে হবে


মহান আল্লাহ বলেন, ... مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ زُلْفَى...
“...(মূর্তিপূজারিরা বলে) আমরা এগুলোর (মূর্তির) ইবাদাত এজন্যই করি যে, এগুলো আমাদের আল্লাহর নৈকট্যে পৌছে দিবে..” -সূরাহ যুমার (৩৯), ৩

এ আয়াতটি থেকে বুঝা যায়, মূর্তিপূজারিদের নিয়ত ঠিক ছিল, কিন্তু ইবাদাতের পন্থা ঠিক ছিল না। তারা আল্লাহ'র নৈকট্য পাওয়ার জন্য মূর্তিকে মাধ্যম ধরতো। একইভাবে এখনও কতিপয় মানুষ আল্লাহ'র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য পীর বা মাযারবাসী মৃত ব্যক্তিকে মাধ্যম ধরে। সুতরাং আমাদের উদ্দেশ্যের সাথে মিল রেখে ইবাদাতের পন্থাও ঠিক হতে হবে।

মহান আল্লাহ বলেন, ... مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ যুলফা... “...(মূর্তিপূজারিরা বলে) আমরা এগুলোর (মূর্তির) ইবাদাত এজন্যই করি যে, এগুলো আমাদের আল্লাহর নৈকট্যে পৌছে দিবে..” -সূরাহ যুমার (৩৯), ৩

এ আয়াতটি থেকে বুঝা যায়, মূর্তিপূজারিদের নিয়ত ঠিক ছিল, কিন্তু ইবাদাতের পন্থা ছিল না। তারা আল্লাহ'র নৈকট্য পাওয়ার জন্য মূর্তিকে মাধ্যম ধরতো। একইভাবে এখনও কতিপয় মানুষ আল্লাহ'র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য পীর বা মাযারবাসী মৃত ব্যক্তিকে মাধ্যম ধরে। সুতরাং আমাদের উদ্দেশ্যের সাথে মিল রেখে ইবাদাতের পন্থাও ঠিক হতে হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px