📄 মজলিস শেষে নির্দিষ্ট দু'আ পাঠ করা
মজলিসে ও আলোচনার শেষে নির্দিষ্ট দু'আ পড়লে গুনাহ মাফ হয়। আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন: «مَنْ جَلَسَ فِي مَجْلِسٍ فَكَثُرَ فِيهِ لَغَطُهُ فَقَالَ قَبْلَ أَنْ يَقُومَ مِنْ مَجْلِسِهِ ذَلِكَ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ إِلَّا غُفِرَ لَهُ مَا كَانَ فِي مَجْلِسِهِ ذَلِكَ»
"যে লোক মজলিসে বসলো এবং তাতে অতিরিক্ত কথাবার্তা হয়ে গেলো, সে উক্ত মজলিস হতে উঠে যাওয়ার আগে যদি বলে:
«سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ»
উচ্চারণ: সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা- ইলা- হা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তোমার জন্য। আমি সাক্ষ্য দেই যে, তুমি ব্যতীত আর কোন মা'বুদ নেই, তোমার কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তোমার দিকেই প্রত্যাবর্তন করি।
তাহলে উক্ত মজলিসে তার যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছিল তা ক্ষমা করে দেয়া হবে।"৩৯৭
আবূ বারযাহ্ আল আসলামী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يَقُولُ بِأَخَرَةِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقُومَ مِنَ الْمَجْلِسِ «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ». فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ لَتَقُولُ قَوْلًا مَا كُنْتَ تَقُولُهُ فِيمَا مَضَى. قَالَ «كَفَّارَةٌ لِمَا يَكُونُ فِي الْمَجْلِسِ»
রাসূলুল্লাহ যখন কোন মজলিস থেকে উঠার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি এ দু'আ পাঠ করতেন,
«سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ»
"সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।"
তখন এক ব্যক্তি বলে, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এমন দু'আ পাঠ করলেন, যা ইতোপূর্বে আর কখনো পাঠ করেননি। নাবী বলেন, এ দু'আ হলো মজলিসের কথাবার্তার ভুল-ত্রুটির জন্য কাফফারাহ্ স্বরূপ। ৩৯৮
নাফি' ইবন জুবায়র ইবন মুত'ইম তার পিতা (জুবায়র) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
مَنْ قَالَ سُبْحَانَ اللهِ وَ بِحَمْدِهِ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ فَقَالَهَا فِي تَجْلِسِ ذِكْرٍ كَانَتْ كَالطَّابِعِ يَطْبَعُ عَلَيْهِ وَ مَنْ قَالَهَا فِي مَجْلِسِ لَغْوِ كَانَتْ كَفَّارَةٌ لَهُ
"যে ব্যক্তি 'সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা- ইলা- হা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা' কোন যিক্রের মজলিসে পাঠ করবে তাহলে তা সিলমোহর হিসেবে গণ্য হবে আর কোন বেহুদা কথার মজলিসে পাঠ করলে তা মজলিসের কাফফারাহ্ হিসেবে গণ্য হবে। (অর্থাৎ এই দু'আ মজলিস শেষে পাঠ করলে তা মজলিসে বেহুদা কথার মাধ্যমে অর্জিত গুনাহ মোচনের কারণ হবে।) "৩৯৯
বিখ্যাত তাবিঈ 'আত্বা (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
من جلس مجلس ذكر كفر الله عنه بذلك المجلس عشرة مجالس من مجالس الباطل"
"যে ব্যক্তি একটি যিক্রের মজলিসে (কুরআন-সুন্নাহ্ আলোচনার মজলিসে) বসে তখন সেটি তার অন্যান্য দশটি বাতিল মজলিসে বসার গুনাহের কাফফারাহ্ হয়ে যায়।"৪০০
টিকাঃ
৩৯৭. জামি' আত্ তিরমিযী: ৩৪৩৩, হাদীসটি হাসান সহীহ।
৩৯৮. সুনান আবূ দাউদ: ৪৮৬১।
৩৯৯. আল মুসতাদরাক 'আলাস্ সহীহায়ন ১৯৭০, আল মু'জামুল কাবীর ১৫৮৬, ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী হাদীসটি সহীহ।
৪০০. যিকরের মজলিস দ্বারা কী উদ্দেশ্য তা বিস্তারিত জানতে নিম্নোক্ত আলোচনাটি দেখুন:
ويدل على ذلك ما ورد في كتاب ( الحلية) لأن نعيم الأصبهاني، سنده إلى أن هذان قال : سمعت عطاء بن أبي رباح يقول : من جلس مجلس ذك كف الله عنه بذلك المجلس عشرة مجالس من مجالس الباطل. قال أبو هزان : قلت لعطاء : ما مجلس الذك ؟ قال : .... الحلال والحرام، وكيف تصلي، وكيف تصوم، وكيف تنكح، وكيف تطلق وتبيع وتشة . وقال الحافظ ابن حجر : والمراد بالذكر : الاتيان بالألفاظ الة ورد الترغيب في قولها والاكثار منها، مثا : الباقيات الصالحات وهم : سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكه ، ونحو ذلك. والدعاء بخدي الدنيا والآخرة. وبطلة، ذكر الله أيضاً، وبراد به : المواظبة على العما . بما أوجبه، أو ندب إليه : كتلاوة القرآن، وقراءة الحديث، ومدارسة العلم والتنفل الصلاة
قال العلامة الماركة : المراد الذكر - هنا - - الاتران الألفاظ الت التغي في قبلهاء والاكثار منها مثل الساقيات الصالحات، وهي : سبحان الله والحمد لله، ولا إله إلا الله والله أكه ، وما يلتحق بها من الحوقلة والবসসملة والحسيلة, والاستغفار, ونحو ذلك, الدعاء تحدى الدنيا والآخرة وبطلة ذكر الله أرضاً وزاد به المواظبة على العما ما أوجبه، أو ندب إليه, كتلاوة القرآن, وقراءة الحديث, ومدارسة العلم، والتنفل بالصلاة।
📄 মুসাফাহা (হ্যান্ডশেক) করা
মুসলিম ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে মুসাফাহা করলে গুনাহ ঝড়ে যায়। নাবী বলেছেন:
«مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ فَيَتَصَافَحَانِ إِلَّا غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَنْ يَفْتَرِقَا»
"দু'জন মুসলিম সাক্ষাৎকালে মুসাফাহা করলেই একে অপর থেকে পৃথক হবার পূবেই তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেয়া হয়।"৪০১
অন্য এক হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ فَيُسَلِّمُ أَحَدُهُمَا عَلَى صَاحِبِهِ وَيَأْخُذُ بِيَدِهِ لَا يَأْخُذُهُ إِلَّا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَتَفَرَّقَانِ حَتَّى يُغْفَرَ لَهُمَا
"যখনই দু'জন মুসলিম পরস্পর সাক্ষাৎ করে তাদের মধ্যে একজন অপরজনকে সালাম দিয়ে তার হাত ধরে (মুসাফাহা করে), আর তার হাত ধরা কেবলমাত্র আল্লাহর উদ্দেশেই হয়, তখনই তাদের পৃথক হওয়ার পূর্বে তাদের উভয়কে ক্ষমা করে দেয়া হয়।"৪০২
হুযায়ফাহ্ ইবনুল ইয়ামান থেকে বর্ণিত, তিনি নাবী বলেছেন:
إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا لَقِيَ الْمُؤْمِنَ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ وَأَخَذَ بَيْدَهُ فَصَافَحَهُ تَنَاثَرَتْ خَطَايَاهُمَا كَمَا يَتَنَاثَرُورَقَ الشَّجَرِ»
"যখন কোন মু'মিন আরেকজন মু'মিনের সাথে সাক্ষাৎ হলে একে অপরকে সালাম দেয় এবং অপরের হাত ধরে মুসাফাহাহ্ করে তখন তাদের দু'জনের গুনাহসমূহ তেমনিভাবে ঝরে পড়ে যেমনিভাবে (বসন্তকালে) গাছের পাতা ঝরে পড়ে।"৪০৩
উল্লেখ্য যে, হাদীসগুলোতে 'ইয়াদ' বা 'হাত' একবচনে এসেছে। সুতরাং মুসাফাহা একহাতে (শুধুমাত্র ডান হাতে) হবে। উভয়ের দুইহাত দুইহাত চার হাতে নয়।
টিকাঃ
৪০১. সুনান আবূ দাউদ: ৫২১৪; মুসনাদ আহমাদ: ১৮৫৪৭; জামি' আত্ তিরমিযী: ২৭২৭, হাদীসটির সনদ সহীহ।
৪০২. মুসনাদ আহমাদ: ১৮৫৪৮; সহীহ আল জামি': ৫৭৭৮।
৪০৩. আল মু'জামুল আওসাত: ২৪৫, সিলসিলাতুল আহাদীস আস্ সহীহাহ্: ২৬৯২।
📄 জীবের প্রতি দয়া দেখানো
ইসলাম শুধু মানবজীবনের প্রতিই দয়ার্দ্র হতে বলেনি, অন্যান্য জীবের প্রতিও দয়া দেখাতে উৎসাহ দিয়েছে। যে কোন জীবের প্রতি দয়া প্রদর্শন করলে পাপ মাফ হয়ে যাওয়ার আশা করা যায়। কুকুরের মত প্রাণীকে পানি পান করানোর কারণে একজন যেনাকারিণী মহিলাকে মাফ করে দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
بَيْنَمَا كَلْبٌ يُطِيفُ بِرَكِيَّةٍ قَدْ كَادَ يَقْتُلُهُ الْعَطَشُ إِذْ رَأَتْهُ بَغِيٌّ مِنْ بَغَايَا بَنِي إِسْرَائِيلَ فَنَزَعَتْ مُوقَهَا فَاسْتَقَتْ لَهُ بِهِ فَسَقَتْهُ إِيَّاهُ فَغُفِرَ لَهَا بِهِ
"কোন এক সময় একটি কুকুর একটি কূপের চারপাশে ঘোরা-ফিরা করছিল। পিপাসা তাকে মৃতপ্রায় করে তুলেছিল। (এই অবস্থায়) হঠাৎ বনী ইসরাঈলের বেশ্যাদের মধ্যে এক বেশ্যা তাকে দেখতে পেল। অতঃপর সে তার চামড়ার মোজা খুলে (কূপ থেকে) পানি উঠিয়ে তাকে পান করাল। এই 'আমলের কারণে তাকে ক্ষমা করা হল।"৪০৪
আবূ হুরায়রাহ্ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقِ اشْتَدَّ عَلَيْهِ الْعَطَشُ فَوَجَدَ بِتْرًا فَنَزَلَ فِيهَا فَشَرِبَ ثُمَّ خَرَجَ فَإِذَا كَلْبٌ يَلْهَتُ يَأْكُلُ الثَّرَى مِنَ الْعَطَشِ فَقَالَ الرَّجُلُ لَقَدْ بَلَغَ هُذَا الْكَلْبَ مِنَ الْعَطَشِ مِثْلُ الَّذِي كَانَ بَلَغَ مِنِّي فَنَزَلَ الْبِئْرَ فَمَلَأَ خُفَّهُ مَاءً ثُمَّ أَمْسَكَهْ بِفِيهِ حَتَّى رَبِّي فَسَقَى الْكَلْبَ فَشَكَرَ اللهُ لَهُ فَغَفَرَ لَهُ». قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنَّ لَنَا فِي هُذِهِ الْبَهَائِمِ لِأَجْرًا فَقَالَ فِي كُلِّ كَبِدٍ رَطْبَةٍ أَجْرٌ».
এক ব্যক্তি কোন পথ ধরে চলছিল, এমতাবস্থায় তার খুব পিপাসা পেল। সে একটি কূপ দেখতে পেয়ে তাতে নেমে পড়ল এবং পানি পান করল। এরপর সে বেরিয়ে এল। তখন সে দেখতে পেল যে, একটি কুকুর (পিপাসায়) জিব বের করে হাঁপাচ্ছে আর মাটি চাঁছে। লোকটি (মনে মনে) বলল, কুকুরটির আমার মত তীব্র পিপাসা পেয়েছে। তখন সে কুয়ায় নামল এবং তার (চামড়ার) মোজায় পানি ভরল পরে সে তার মুখ আটকে ধরে উপরে উঠল এবং কুকুরটিকে পান করালো, মহান আল্লাহ তার (এ 'আমলে) সন্তুষ্ট হলেন এবং তাকে মাফ করে দিলেন। (সাহাবীগণ) জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা হলে কি আমাদের জন্য এসব প্রাণীর ব্যাপারে (সদাচরণে)-ও সাওয়াব রয়েছে? তিনি বললেন, প্রতিটি তাজা কলিজায় (প্রাণধারীতে) সাওয়াব রয়েছে। ৪০৫
টিকাঃ
৪০৪. সহীহুল বুখারী: ৩৪৬৭; সহীহ মুসলিম: ৫৯৯৮।
৪০৫. সহীহুল বুখারী: ৬০০৯; সহীহ মুসলিম: ৫৯৯৬।
📄 মানুষের কল্যাণ করা বা মানুষের কষ্ট দূর করা
মানুষের কল্যাণ করলে বা মানুষের কষ্ট হয় এমন কিছু থেকে মানুষকে রক্ষা করলেও গুনাহ মাফ হয়। আবূ হুরায়রাহ্ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقٍ وَجَدَ غُصْنَ شَوْكٍ عَلَى الطَّرِيقِ فَأَخَرَهُ فَشَكَرَ اللَّهُ لَهُ فَغَفَرَ لَهُ
"একদিন এক ব্যক্তি রাস্তা চলছিল। সে রাস্তার উপর একটি কাঁটাযুক্ত ডাল দেখতে পেল। অতঃপর সে তা সরিয়ে দিল। আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি সন্তুষ্ট হলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন।"৪০৬
আবূ হুরায়রাহ্ বলেন, নাবী বলেছেন:
مَرَّ رَجُلٌ مُسْلِمٌ بِشَوْكٍ فِي الطَّرِيقِ ، فَقَالَ : لَأُمِيطَنَّ هَذَا الشَّوْكَ ، لَا يَضُرُّ رَجُلًا مُسْلِمًا ، فَغُفِرَ لَهُ
“এক ব্যক্তি রাস্তা অতিক্রমকালে তাঁর পথে কাঁটা পড়ল। সে বলল, আমি অবশ্যই এই কাঁটা অপসারিত করব যাতে এটি কোন মুসলিমের কষ্টের কারণ হতে না পারে। তাঁকে এই জন্য ক্ষমা করা হল।”৪০৭
টিকাঃ
৪০৬. সহীহুল বুখারী: ৬৫২, ২৪৭২; সহীহ মুসলিম: ৫০৪৯, ৬৮৩৫।
৪০৭. মুসনাদ আহমাদ: ৮৪৯৮; আল আদাব আল মুফরাদ: ২২২, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।