📘 কুরআন-হাদীসের আলােকে গুনাহ মাফের উপায় > 📄 ভূমিকা

📄 ভূমিকা


দুনিয়ার প্রত্যেকটি শিশুই ফিতরাত বা স্বভাব-ধর্ম ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করে। আবার মানুষ মাত্রই কোন না কোনভাবে কখনো না কখনো প্রবৃত্তির তাড়নায় বা শয়তানের ধোঁকায় ভুল-ত্রুটি, গুনাহ-খাতা করে বসে; তা সে গুনাহ ছোট হোক বা বড় হোক, ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, জেনে হোক বা না জেনে হোক। শয়তান আল্লাহর নিকট প্রতিজ্ঞা করেই দুনিয়ায় এসেছে যে, সে আদমসন্তানকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করবেই। যা আল্লাহ তা'আলা এভাবে বর্ণনা করেছেন,
۞ قَالَ أَنْظِرْنِي إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ ۞ قَالَ إِنَّكَ مِنَ الْمُنْظَرِينَ ۞ قَالَ فَبِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأَقْعُدَنَّ لَهُمْ صِرَاطَكَ الْمُسْتَقِيمَ ۞ ثُمَّ لَآتِيَنَّهُمْ مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ وَعَنْ أَيْمَانِهِمْ وَعَنْ شَمَائِلِهِمْ ۖ وَلَا تَجِدُ أَكْثَرَهُمْ شَاكِرِينَ ۞
"সে (শয়তান) বলল, 'সেদিন (ক্বিয়ামাত) পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন, যেদিন তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে'। তিনি বললেন, 'নিশ্চয় তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত'। সে বলল, 'যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন (সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন), সে কারণে অবশ্যই আমি তাদের জন্য আপনার সোজা পথে বসে থাকব। 'তারপর অবশ্যই তাদের নিকট উপস্থিত হব তাদের সামনে থেকে ও তাদের পেছন থেকে এবং তাদের ডান দিক থেকে ও তাদের বাম দিক থেকে। আর আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না'।"১
তাই তো দেখা যায় অধিকাংশ মানুষই জীবনের কখনো না কখনো শয়তানের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে গুনাহ অর্জন করে।
গুনাহ করাটা মানুষের জন্য স্বাভাবিক। যেমনটা আনাস বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
كُلُّ بَنِي آدَمَ خَطَّاءٌ وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ»
"প্রত্যেক আদম সন্তানই চরম গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে তাওবাকারীগণ।"২
মু'মিন ব্যক্তি গুনাহকে মনে করে পাহাড়ের মত, যার নিচে সে বসে আছে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি গুনাহকে মনে করে মাছির মত, যা তার নাকের ডগায় বসে উড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
إِنَّ الْمُؤْمِنَ يَرَى ذُنُوبَهُ كَأَنَّهُ قَاعِدٌ تَحْتَ جَبَلٍ يَخَافُ أَنْ يَقَعَ عَلَيْهِ وَإِنَّ الْفَاجِرَ يَرَى ذُنُوبَهُ كَذُبَابٍ مَرَّ عَلَى أَنْفِهِ»
"ঈমানদার ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এত বড় মনে করে, যেন সে একটা পাহাড়ের নীচে বসা আছে, আর সে আশংকা করছে যে, কখন যেন পাহাড়টা তার উপর ধসে পড়বে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মত মনে করে, যা তার নাকের উপর দিয়ে চলে যায়।"৩
গুনাহ করাটা যেহেতু মানুষের জন্য স্বাভাবিক সেহেতু গুনাহ হয়ে যেতেই পারে। মানুষ যদি গুনাহ না করতো তাহলে আল্লাহ তাদের বদলে অন্য কোন জাতিকে সৃষ্টি করতেন, যারা গুনাহ করতো এবং পরক্ষণেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতো। এ কথাই রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন এভাবে,
وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ لَمْ تُذْنِبُوا لَذَهَبَ اللَّهُ بِكُمْ وَجَاءَ بِقَوْمٍ يُذْنِبُونَ فَيَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ فَيَغْفِرُ لَهُمْ»
"সেই স্বত্ত্বার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা যদি গুনাহ না করতে তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে বিলীন করে দিয়ে নতুন এমন এক জাতিকে সৃষ্টি করতেন যারা গুনাহ করতো আবার পরক্ষণেই আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতো। তারপর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিতেন।"৪
উল্লেখ্য যে, এই হাদীসের উদ্দেশ্য কখনই পাপের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা বা উৎসাহ দেয়া নয়; বরং উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর অসীম ক্ষমার ইচ্ছা ও অপার দয়ার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং আল্লাহর কাছে বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করার অভ্যাস গড়ে তোলার তাকিদ দেয়া। এর দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, বান্দার গুনাহ হয়ে গেলে সে যেন অহংকার করে বা লজ্জায় পরে কিংবা হীনমন্যতায় ভুগে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়া থেকে বিরত না থাকে; বরং সাথে সাথে যেন আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়ার সময় কান্নাকাটি করলে তা মাফ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্যই গুনাহগারের উচিত গুনাহ হয়ে গেলে কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। এই আদেশই নীচের হাদীসে দেয়া হয়েছে :
قَالَ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ مَا النَّجَاةُ قَالَ أَمْلِكَ عَلَيْكَ لِسَانَكَ وَلْيَسَعُكَ بَيْتُكَ وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ».
'উকুবাহ্ ইবনু 'আমির বলেছেন, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ -কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল ! মুক্তির উপায় কী? রাসূলুল্লাহ বললেন: “তুমি নিজের জিহ্বাকে আয়ত্তে রাখ, নিজের ঘরে পড়ে থেকে নিজের পাপের জন্য কান্না কর"।
জীবন চলার পথে শয়তানের কুমন্ত্রণায় কখনো গুনাহ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এমন অবস্থায় একজন মুমিনের কর্তব্য হলো আল্লাহর কাছে তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাওয়া, তাওবাহ্ করা এবং 'আমলে সালেহ (সৎকর্ম) করতে থাকা।
স্বাভাবিকভাবে গুনাহ হয়ে গেলে সাথে সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া ও তাওবাহ্ করা উচিত। আবূ উমামাহ্ থেকে একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন :
إِنَّ صَاحِبَ الشِّمَالِ لِيَرْفَعُ الْقَلَمَ سِتَّ سَاعَاتٍ عَنِ الْعَبْدِ الْمُسْلِمِ الْمُخْطِئِ أَوِ الْمُسِيءِ، فَإِنْ نَدِمَ وَاسْتَغْفَرَ اللَّهَ مِنْهَا أَلْقَاهَا، وَإِلَّا كُتِبَتْ وَاحِدَةً
"বামপাশের ফেরেশতা গুনাহকারী মুসলিম বান্দার গুনাহ লেখার পূর্বে ছয় ঘন্টা (একটি নির্ধারিত সময়) কলম তুলে রাখেন (গুনাহ লেখেন না)। (এই সময়ের মধ্যে) গুনাহকারী ব্যক্তি যদি (তার গুনাহের কারণে) লজ্জিত হয় এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তাহলে ফেরেশতা তা না লিখে ছুঁড়ে ফেলে দেন। কিন্তু (এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যদি গুনাহকারী লজ্জিত হয়ে) ক্ষমা প্রার্থনা না করে তাহলে তার 'আমলনামায় একটি গুনাহ লেখা হয়।"৬
ক্ষমা চাইতে বা তাওবাহ্ করতে দেরি করা মারাত্মক অন্যায় ও ভুল। কারণ কখন যে মৃত্যু এসে যাবে তা আমরা কেউ জানি না। তাই প্রথমবার গুনাহ করে শয়তানকে খুশি করলেও আল্লাহ ইস্তিগফার ও তাওবার সুযোগ দেয়ার পরও তা না করে দ্বিতীয়বার শয়তানকে খুশি করা কোন মুসলিমের জন্য কখনো উচিত নয়। তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত গুনাহ হয়ে যাওয়ার পরপরই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া, তাওবাহ্ করা ও অন্যান্য সুন্নাহসম্মত 'আমল করার মাধ্যমে কৃত গুনাহসমূহ মাফ করিয়ে নেয়া।
কুরআন ও হাদীসে গুনাহ মাফের জন্য ইস্তিগফার ও তাওবার পাশাপাশি আরও কিছু 'আমল বর্ণিত হয়েছে যেগুলো করলে অনেক গুনাহ মাফ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা সে 'আমলগুলো না জানার কারণে এবং না করার কারণে আমাদের গুনাহগুলো মাফ করাতে পারি না। অথচ সেগুলো খুবই সহজ 'আমল। এই 'আমলগুলো করলে আমাদের গুনাহগুলো মাফ হয়ে যেতে পারে, ইনশা-আল্লা-হ। সেদিকে দৃষ্টি রেখে সকল গুনাহগারের জন্য এই বইয়ে শরীয়ত অনুযায়ী গুনাহ মাফের বেশকিছু পদ্ধতি ও 'আমল বর্ণনা করা হয়েছে।

টিকাঃ
১. সূরা আল আ'রাফ ০৭: ১৪-১৭।
২. জামি' আত্ তিরমিযী: ২৪৯৯, সুনান ইবনু মাজাহ: ৪২৫১, হাদীসটি হাসান।
৩. সহীহুল বুখারী: ৬৩০৮।
৪. সহীহ মুসলিম: ৭১৪১।
মুসনাদ আহমাদ: ২২২৩৫; সুনান আত্ তিরমিযী: ২৪০৬; মিশকাত: ৪৮৩৭, হাদীসটি সহীহ।
৬. আল মু'জামুল কাবীর : ৭৭৬৫, হাদীসটির সদন সহীহ, সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সহীহাহ্ : ১২০৯।

📘 কুরআন-হাদীসের আলােকে গুনাহ মাফের উপায় > 📄 গুনাহ কাকে বলে

📄 গুনাহ কাকে বলে


'গুনাহ' শব্দটি বাংলা ভাষায় বহুল প্রচলিত হলেও এটি মূলত ফার্সি শব্দ।৭ গুনাহ বুঝাতে বাংলায় আরও একটি বহুল প্রচলিত শব্দ হচ্ছে পাপ। বাংলা অভিধানে এর অর্থ লেখা হয়েছে অন্যায়, কলুষ, দুষ্কৃতি ইত্যাদি।৮ আরবীতে গুনাহ বা পাপ বুঝানোর জন্য অনেকগুলো পরিভাষা ব্যবহৃত হয়। যেমন, আল ইস্‌ম (الإئم), আল খাতা ও আল খতীয়াহ (الخطأ والخطيئة), আল মা'সিয়াহ (المعصية), আল জুম (الجرم), আয্ যানব (الذنب) ইত্যাদি।
এ সকল পরিভাষার মাঝে কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও মূলত যা বুঝায় তা হলো, আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল -এর আদেশ পালন না করা বা তাঁদের বিরুদ্ধাচরণ করা ও তাঁদের নিষেধকৃত কাজ করা, তা প্রকাশ্যেই হোক বা গোপনে হোক।

টিকাঃ
৭. বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, পৃ. ৩৬২।
৮. বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, পৃ. ৭৪৬।

📘 কুরআন-হাদীসের আলােকে গুনাহ মাফের উপায় > 📄 গুনাহ-এর প্রকারভেদ

📄 গুনাহ-এর প্রকারভেদ


গুনাহ বা পাপগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
১. কাবীরা গুনাহ বা বড় গুনাহ; যেমন শির্ক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, নিরপরাধ মানুষ হত্যা করা, বিদ'আত করা, মিথ্যা বলা, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, যাদু করা, সুদ খাওয়া ইত্যাদি।
২. সগীরা গুনাহ বা ছোট গুনাহ; যেগুলো কাবীরা গুনাহ নয় এমন গুনাহ; যেমন, পরনারীর প্রতি দ্বিতীয়বার তাকানো ইত্যাদি।

📘 কুরআন-হাদীসের আলােকে গুনাহ মাফের উপায় > 📄 কাবীরা গুনাহের তালিকা

📄 কাবীরা গুনাহের তালিকা


কাবীরা গুনাহের কোন সুনির্দিষ্ট তালিকা কুরআন ও হাদীসে একই জায়গায় ধারাবাহিকভাবে আসেনি। বিভিন্ন আয়াত ও হাদীস গবেষণা করে 'আলিমগণ কাবীরা গুনাহের তালিকা প্রণয়ন করেছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হচ্ছেন ইমাম হাফিয শামসুদ্দীন আয যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ)৯। তিনি তার কিতাব "আল কাবায়ির"-এর মধ্যে অর্ধশতাধিক কাবীরা গুনাহের তালিকা দিয়েছেন। সম্প্রতি সাউদী আরবের বিখ্যাত 'আলিম শাইখ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন 'আবদুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন যা তার রচিত ইসলামী ফিকহ বিশ্বকোষ-এর ১৬ তম পর্বে "কিতাবুল কাবায়ির" নামে উল্লিখিত হয়েছে। নিম্নে সেই তালিকাটি পেশ করা হলো। উল্লেখ্য যে, তিনি তার লেখায় প্রতিটি কাবীরা গুনাহ্র দলীল উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আমরা কলেবর বৃদ্ধির শঙ্কায় দলীলগুলোর মূলপাঠ (Text) উল্লেখ না করে শুধু সূত্র (রেফারেন্স) উল্লেখ করে দিয়েছি। যাতে করে কোন পাঠক চাইলে সেই সূত্র ধরে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।১০
(ক) অন্তরের কাবীরা গুনাহ:
১. কুফ্র১১
২. শিরক১২
৩. অহংকার১৩
৪. মুনাফিক্বী১৪
৫. রিয়া বা লোক দেখানো 'আমল১৫
৬. যাদু করা১৬
৭. অশুভ লক্ষণ বিশ্বাস করা১৭
(খ) জ্ঞান ও জিহাদ সংক্রান্ত কাবীরা গুনাহ:
৮. আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশে জ্ঞান অর্জন করা১৮
৯. জ্ঞান গোপন করা১৯
১০. আল্লাহ ও রাসূল -এর উপর মিথ্যা আরোপ করা২০
১১. জ্ঞান অনুযায়ী 'আমল না করা২১
১২. আল্লাহর পথে দা'ওয়াত দানে বিরত থাকা বা দা'ওয়াতী কাজ ছেড়ে দেয়া২২
১৩. সৎ কাজের আদেশ দান ও অসৎ কাজে নিষেধ করা হতে বিরত থাকা বা তা ছেড়ে দেয়া২৩
১৪. আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা হতে বিরত থাকা বা তা ছেড়ে দেয়া২৪
১৫. ভ্রান্তদলের পক্ষে যুদ্ধ করা২৫
১৬. যুদ্ধে মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব করা ও তাদেরকে সাহায্য করা২৬
(গ) 'ইবাদাতের ক্ষেত্রে কাবীরা গুনাহ
১৭. পেশাব হতে বেঁচে/সতর্ক না থাকা (যথাযথভাবে পরিচ্ছন্ন না থাকা)২৭
১৮. সলাত পরিত্যাগ করা২৮
১৯. সলাতে ইমামের পূর্বে কোন কাজ করা২৯
২০. সলাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা৩০
২১. যাকাত দানে বাধা দেয়া বা যাকাত না দেয়া৩১
২২. সিয়াম পরিত্যাগ করা৩২
২৩. হাজ্জ পরিত্যাগ করা৩৩
২৪. আল্লাহকে স্মরণ না করা৩৪
(ঘ) শাসন-প্রশাসন ও লেনদেনের ক্ষেত্রে কাবীরা গুনাহ
২৫. আল্লাহর অবতীর্ণ বিধান ছাড়া শাসন/বিচার করা৩৫
২৬. শাসক কর্তৃক নাগরিকদের ধোঁকাদান বা নাগরিকদের সাথে প্রতারণা করা৩৬
২৭. অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ করা৩৭
২৮. সূদ খাওয়া৩৮
২৯. ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসাৎ ও অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করা৩৯
৩০. জুয়া খেলা৪০
৩১. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া৪১
৩২. শরীয়তের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা৪২
৩৩. স্বাধীন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে মূল্য গ্রহণ করা৪৩
৩৪. অন্যায়ভাবে মালিকানা দাবি করা৪৪
৩৫. মানুষের সাথে প্রতারণা করা৪৫
৩৬. মিথ্যা কসম করে পণ্য বিক্রয় করা৪৬
৩৭. অন্যায় উদ্দেশে পণ্য মজুদ করা৪৭
৩৮. মিথ্যা শপথ করা৪৮
৩৯. দোষ গোপন ও মিথ্যা কথা বলে পণ্য বিক্রয় করা৪৯
৪০. হারাম ব্যবসা করা৫০
৪১. যুলুম করে (অন্যায়ভাবে) কোন কিছু গ্রহণ করা৫১
৪২. সাক্ষ্য গোপন করা৫২
৪৩. জমিনের সীমানা/খুঁটি অন্যায়ভাবে পরিবর্তন করা৫৩
(ঙ) পারস্পরিক সম্পর্ক বিষয়ক কাবীরা গুনাহ
৪৪. অধীনদের ওপর অত্যাচার করা৫৪
৪৫. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া৫৫
৪৬. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা৫৬
৪৭. কারো বংশ নিয়ে কটাক্ষ করা৫৭
৪৮. বিনা কারণে মুসলিমের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা৫৮
৪৯. মন্দ নামে ডাকা৫৯
৫০. প্রতিবেশীর সাথে দুর্ব্যবহার করা৬০
৫১. মানুষকে কষ্ট দেয়া৬১
৫২. এমন কথা বলা যা বললে আল্লাহ তা'আলা রাগান্বিত হন৬২
৫৩. মুসলিমকে কাফির বলা৬৩
৫৪. বিনা প্রয়োজনে ভিক্ষাবৃত্তি করা৬৪
৫৫. স্বামীর অবাধ্য হওয়া৬৫
৫৬. স্ত্রীর ওপর অত্যাচার করা৬৬
৫৭. স্বামীর ডাকে সাড়া না দেয়া৬৭
৫৮. মু'আহ্ (সাময়িক চুক্তিভিত্তিক) বিবাহ করা৬৮
৫৯. গায়রে মাহরাম (যাদের সাথে বিবাহ বৈধ) মহিলার সাথে বিবাহহীন অবস্থায় নির্জনে অবস্থান করা৬৯
৬০. সন্তানদের মাঝে সমতা বিধান না করা৭০
৬১. দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করা৭১
(চ) চারিত্রিক কাবীরা গুনাহ
৬২. মিথ্যা বলা৭২
৬৩. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া৭৩
৬৪. গীবত ও চোগলখোরী করা৭৪
৬৫. আমানতের খিয়ানত করা৭৫
৬৬. অভিশাপ দেয়া৭৬
৬৭. সাহাবীদেরকে গালি দেয়া৭৭
৬৮. অসমীচীন ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা৭৮
৬৯. সীমালঙ্ঘন করা৭৯
৭০. অত্যাচার ও শত্রুতা করা৮০
৭১. মারাত্মক ঝগড়া বিবাদ করা৮১
৭২. অশ্রাব্য গালিগালাজ করা৮২
৭৩. হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করা৮৩
৭৪. গর্ব ও অহংকার করা৮৪
৭৫. কৃপণতা করা৮৫
৭৬. বাড়াবাড়ি করা৮৬
৭৭. বিশ্বাসঘাতকতা করা৮৭
৭৮. অপকৌশল ও ঠকবাজি করা৮৮
৭৯. অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা করা৮৯
৮০. আত্মহত্যা করা৯০
৮১. অপচয় করা৯১
৮২. অপব্যয় করা৯২
৮৩. স্বেচ্ছাচারিতা করা৯৩
৮৪. গোয়েন্দাগিরি করা৯৪
৮৫. অন্যায়ভাবে রাগান্বিত হওয়া৯৫
৮৬. অশ্লীল ভাষায় কথা বলা৯৬
৮৭. আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিরাপদ মনে করা৯৭
৮৮. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া৯৮
৮৯. অপরের প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করা৯৯
৯০. উপকার করে খোঁটা দেয়া১০০
৯১. আল্লাহর ওয়ালীদের সাথে শত্রুতা করা১০১
৯২. আল্লাহর শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব করা১০২
৯৩. হারামের মধ্যে ডুবে থাকা১০৩
৯৪. ওয়াদা ভঙ্গ করা১০৪
৯৫. মাদকাসক্ত হওয়া১০৫
৯৬. যিনা বা ব্যভিচার করা১০৬
৯৭. সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া১০৭
৯৮. চুরি করা১০৮
৯৯. ডাকাতি করা১০৯
১০০. চেহারায় দাগ কাটা ও চিহ্ন দেয়া১১০
১০১. সোনা-রূপার পাত্রে পানাহার করা১১১
১০২. পুরুষের রেশম বা স্বর্ণের পোশাক পরিধান করা১১২
১০৩. অস্ত্র দিয়ে কারো দিকে ইশারা করা১১৩
১০৪. জানা সত্ত্বেও অন্যকে পিতা দাবী করা১১৪
১০৫. বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ ও বাজনা শোনা১১৫
১০৬. কবরের উপর বসা১১৬
১০৭. টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়া১১৭
১০৮. পুরুষদের মহিলার বেশ এবং মহিলাদের পুরুষদের বেশ ধারণ করা১১৮
১০৯. ছায়ায় ও রাস্তায় প্রসাব-পায়খানা করা১১৯
১১০. মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কোন জন্তুকে আটকে রাখা১২০
১১১. কোন জন্তুকে তীর বা গুলি লাগানোর ট্রেনিং-এর লক্ষ্য বস্তু বানানো১২১
১১২. বিনা কারণে কুকুর পোষা১২২
১১৩. মৃত জন্তু ও রক্ত খাওয়া১২৩
উল্লেখ্য যে, উপর্যুক্ত তালিকায় বর্ণিত গুনাহগুলোর মধ্যে শাস্তির পরিমাণ ও ভয়ংকরিতার দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। এগুলোর কোনটি পৃথিবীতে দণ্ডনীয় অপরাধ আবার কোনটির পৃথিবীতে দণ্ড উল্লেখ নেই। আবার কিছু গুনাহ কাবীরা গুনাহ কিনা তা নিয়ে 'আলিমগণের মধ্যে সঙ্গত কারণেই মতবিরোধ রয়েছে। তাছাড়া যেহেতু এখানে সংক্ষেপে শুধু গুনাহগুলোর শিরোনাম উল্লেখ করা হয়েছে সেহেতু উল্লিখিত শিরোনামগুলোর সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা বোঝা জরুরি। নতুবা ভুল বোঝার আশঙ্কা রয়েছে। এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট বইপত্র পড়ে ও 'আলিমদের জিজ্ঞেস করে স্পষ্ট করে বুঝে নেয়া উচিত।

টিকাঃ
৯. জন্ম: ৬৭৩ হি. মৃত্যু: ৭৪৮ হি.।
১০. এই তালিকাটি রাজশাহীর মাকতাবাতুস সুন্নাহ্ থেকে বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে।
১১. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৬১-১৬২; সূরা আন্ নাহল ১৬ : ১০৬; সূরা আন্ নিসা ৪ : ১৩৬; সূরা আন্ নিসা ৪ : ১৫০-১৫১।
১২. সূরা আল বায়্যিনাহ্ ৯৮ : ৬; সূরা আন্ নিসা ৪ : ৪৮; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫ : ৭২; সহীহুল বুখারী: ৬৮৫৭, সহীহ মুসলিম: ২৭২, সুনান বায়হাক্বী: ১৭১২৮; সহীহুল বুখারী: ২৬৫৪, সহীহ মুসলিম: ২৬৯, জামি' আত্ তিরমিযী: ১৯০১,৩০১৯।
১৩. সূরা আল মু'মিন ৪০ : ৬০; সূরা আন্ নিসা ৪ : ১৭২-১৭৩; সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ৩৪; সহীহুল বুখারী: ৬০৭১, সহীহ মুসলিম: ৭৩৬৬, সুনান আবু দাউদ: ৪৫৯৫, সুনান ইবনু মাজাহ: ২৬৪৯।
১৪. সূরা আন্ নিসা ৪: ১৪৫; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৬৮; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৭১।
১৫. সূরা আল কাহফ ১৮: ১১০; সহীহ মুসলিম: ৭৬৬৬, সুনান ইবনু মাজাহ: ৪২০২, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ৯৩৮; সহীহ মুসলিম: ৫০৩২, সুনান আন্ নাসায়ী ৩১৩৭, মুসতাদরাক হাকিম: ২৫২৪।
১৬. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১০২; সহীহুল বুখারী: ৬৮৫৭, সহীহ মুসলিম: ২৭২, সুনান বায়হাক্বী: ১৭১২৮।
১৭. সূরা ইয়াসীন ৩৬: ১৮-১৯; সুনান আবূ দাউদ: ৩৯১০, জামি' আত্ তিরমিযী: ১৬১৪।
১৮. সূরা আন্ নিসা ৪: ১৪২; সহীহ মুসলিম: ৫০৩২, সুনান আন্ নাসায়ী ৩১৩৭, মুসতাদরাক হাকীম: ২৫২৪, ৩৬৪, মুসনাদ আহমাদ: ২৮৭৭।
১৯. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১৫৯-১৬০; সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১৭৪-১৭৫; সুনান আবু দাউদ : ৩৬৫৮, জামি' আত্ তিরমিযী: ২৬৪৯, সুনান ইবনু মাজাহ: ২৬৪, হাদীসটি হাসান, সহীহ।
২০. সূরা আল আন'আম ৬: ১৪৪; সূরা আন্ নাহল ১৬: ১১৬-১১৭; সহীহুল বুখারী: ১১০, সহীহ মুসলিম: ৪, সুনান ইবনু মাজাহ: ৩০, সুনান আবূ দাউদ: ৩৬৫১।
২১. সূরা আস সফ ৬১: ২-৩, সহীহুল বুখারী: ৩২৬৭, সহীহ মুসলিম: ৭৬৭৪।
২২. সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১০৪-১০৫; সূরা মুহাম্মাদ ৪৭: ৩৮।
২৩. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৭৮-৭৯; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৮০; সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১০৪-১০৫।
২৪. সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৩৮-৩৯; সহীহ মুসলিম: ৫০৪০, সুনান আবূ দাউদ: ২৫০২, সুনান আন্ নাসায়ী: ৩০৯৭; সহীহুল বুখারী: ২৭৬৬, সহীহ মুসলিম: ২৭২।
২৫. সহীহ মুসলিম: ৪৮৯২, সুনান আন্ নাসায়ী : ৪১১৪, সহীহ ইবনু হিব্বান: ৪৫৮০।
২৬. সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ২৩; সহীহ মুসলিম: ৪৮০৩, সুনান আন্ নাসায়ী (কুবরা): ১১৫৩৬।
২৭. সহীহুল বুখারী: ২১৬, সহীহ মুসলিম: ৭০৩, সুনান আন্ নাসায়ী: ২০৬৭, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্: ৫৫।
২৮. সূরা মারইয়াম ১৯: ৫৯; সহীহ মুসলিম: ২৫৬, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ৬৪৯৫।
২৯. সহীহুল বুখারী: ৬৯১, সহীহ মুসলিম: ৯৯২।
৩০. সহীহুল বুখারী: ৫১০, সহীহ মুসলিম: ১১৬০, মুয়াত্ত্বা মালিক: ১৬২, ৫২৬, সুনান আন্ নাসায়ী: ৭০১।
৩১. সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১৮০; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৩৪; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৩৫; সহীহুল বুখারী: ১৪৬০, সহীহ মুসলিম: ২৩৪৭, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ১৫৫৯; সহীহ মুসলিম: ২৩৩৯, সুনান আবূ দাউদ: ১৬৫৮, সুনান আন্ নাসায়ী: ২৪৪২।
৩২. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১৮৩; সহীহুল বুখারী: ৮, সহীহ মুসলিম: ১২২, ১২৩।
৩৩. সূরা আ-লি 'ইমরা- ৩: ৯৭; সহীহুল বুখারী: ৮, সহীহ মুসলিম: ১২২।
৩৪. সূরা আল আ'রাফ ৭: ২০৫; মুসনাদ আহমাদ: ৯৫৮০, জামি' আত্ তিরমিযী: ৩৩৮০।
৩৫. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৪৪; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৪৫; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৪৭; সহীহুল বুখারী: ৭১৫১, সহীহ মুসলিম: ৩৮৩, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১৭৯০১।
৩৬. সূরা আশ্ শূরা ৪২: ৪২; সূরা সোয়াদ ৩৮: ২৬; সহীহুল বুখারী: ৭১৫০, সহীহ মুসলিম : ৪৮৩৪।
৩৭. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১৮৮; সূরা আন্ নিসা ৪: ২৯।
৩৮. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ২৭৮-২৭৯; সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১৩০-১৩১; সহীহ মুসলিম : ৪১৭৭।
৩৯. সূরা আন্ নিসা ৪: ১০; সহীহুল বুখারী: ৬৮৫৭, সহীহ মুসলিম: ২৭২, সুনান আবূ দাউদ: ২৮৭৪।
৪০. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৯০-৯১।
৪১. সূরা আল হাজ্জ ২২: ৩০ সহীহুল বুখারী: ২৬৫৪, সহীহ মুসলিম: ২৬৯।
৪২. সহীহুল বুখারী: ২৪২৪, সহীহ মুসলিম: ৪১৩৬।
৪৩. সহীহুল বুখারী: ২২২৭, সুনান ইবনু মাজাহ: ২৪৪২, মুসনাদ আহমাদ: ৮৬৭৭।
৪৪. সহীহুল বুখারী: ৩৫০৮, সহীহ মুসলিম: ২২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান: ১৫৩৩৫।
৪৫. সূরা আন্ নিসা ৪: ২৯; সহীহ মুসলিম: ২৯৫, সহীহ ইবনু হিব্বান: ৪৯০৫, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ২১২০।
৪৬. সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩ : ৭৭; সহীহুল বুখারী: ২৩৬৯, সহীহ মুসলিম: ৩১০; সহীহুল বুখারী: ২০৮৭, সহীহ মুসলিম: ৪২০৯; সহীহ মুসলিম: ৩০৬।
৪৭. সহীহ মুসলিম: ৪২০৭, সুনান আবূ দাউদ: ৩৪৪৭।
৪৮. সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩ : ৭৭; সহীহুল বুখারী: ২৩৫৬, সহীহ মুসলিম: ৩৭২, সুনান আন্ নাসায়ী: ৫৯৭৬, সুনান আবূ দাউদ: ৩২৪২; সহীহ মুসলিম: ৩৭০, সুনান দারিমী : ২৬৪৫, মুয়াত্ত্বা মালিক: ১১।
৪৯. সহীহুল বুখারী: ২০৮২, সহীহ মুসলিম: ৩৯৩৭; সহীহুল বুখারী: ৬৮৭৪, সহীহ মুসলিম : ২৯৪, সুনান ইবনু মাজাহ: ২৫৭৫, সুনান আন্ নাসায়ী: ৪১০০।
৫০. সূরা লুক্বমান ৩১ : ৬; সহীহুল বুখারী: ২২২৩, সহীহ মুসলিম: ৪১৩২, সুনান ইবনু মাজাহ: ২১৬৭, সুনান আবূ দাউদ: ৩৪৮৬; সুনান আবূ দাউদ: ৩৬৭৪, সুনান ইবনু মাজাহ : ৩৩৮০, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১০৭৭৮।
৫১. সূরা আল ফুরক্বান ২৫ : ১৯; সহীহুল বুখারী: ২৪৫২, সহীহ মুসলিম : ৪২২০; সহীহুল বুখারী: ২৪৫৪, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ২১৬৬।
৫২. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৮৩; সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ২২৮।
৫৩. সহীহ মুসলিম: ৫২৩৯, সুনান আন্ নাসায়ী: ৪৪৪২, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১৭০১৭।
৫৪. সহীহ মুসলিম: ৪৮২৬, সুনান আন্ নাসায়ী: ৮৮২২, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ২০৪৬৬; সহীহ মুসলিম: ৩৮৩, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১৭৯০১।
৫৫. সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ২৩-২৪; সহীহুল বুখারী: ২৬৫৪, সহীহ মুসলিম: ২৬৯, জামি' আত্ তিরমিযী: ১৯০১, ৩০১৯; সহীহুল বুখারী: ৫৯৭৩, সহীহ মুসলিম: ২৭৩, সুনান আবূ দাউদ: ৫১৪১।
৫৬. সূরা মুহাম্মাদ ৪৭: ২২-২৩; সহীহুল বুখারী: ৫৯৮৯, সহীহ মুসলিম: ৬৬৮৩, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ৩৪৩৪, ৩৪৩৬; সহীহুল বুখারী ৫৯৮৪, সহীহ মুসলিম: ৬৬৮৫, সুনান আবু দাউদ: ১৬৯৬।
৫৭. সূরা আল হুজুরাত ৪৯ : ১১; সহীহ মুসলিম: ২২০৩, জামি' আত্ তিরমিযী: ১০০১, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ১৫৩৫।
৫৮. সহীহুল বুখারী: ৬০৭৭, সহীহ মুসলিম: ৬৬৯৭, সুনান আবু দাউদ: ৪৯১১, জামি' আত্ তিরমিযী: ১৯৩২; সহীহ মুসলিম: ৬৭০৯, মুসনাদ আহমাদ: ৯১৯৯; সুনান আবু দাউদ : ৪৯১৫, মুসনাদ আহমাদ: ১৭৯৩৫, মুসতাদ্রাক হাকীম ৭২৯২।
৫৯. সূরা আল হুজুরাত ৪৯ : ১১; সহীহুল বুখারী ৬০৪৪, সহীহ মুসলিম: ২৩০, সুনান ইবনু মাজাহ: ৬৯, সুনান আন্ নাসায়ী ৪১০৫; সহীহুল বুখারী ৩০, সহীহ মুসলিম: ৪৪০৫।
৬০. সহীহুল বুখারী: ৬০১৬, মুসনাদ আহমাদ ৮৪১১, ৮৪১২, ৮৪১৩; সহীহ মুসলিম: ১৮১, মুসনাদ আহমাদ: ৮৮৫৫, সহীহ ইবনু হিব্বান: ৫১০।
৬১. সূরা আল বুরূজ ৮৫: ১০; সূরা আল আহযাব ৩৩ : ৫৮; সহীহ মুসলিম: ৬৮২৩, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১৬৬৬৫, সহীহ ইবনু হিব্বান: ২৮৭১।
৬২. সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৬৫-৬৬; সহীহুল বুখারী: ৬৪৭৮, সহীহ মুসলিম: ৭৬৭২।
৬৩. সূরা আল আহযাব ৩৩ : ৫৮; সহীহুল বুখারী ৬০৪৫, সহীহ মুসলিম: ৬১, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ৭৮৭১।
৬৪. সহীহুল বুখারী: ১৪৭৪, সহীহ মুসলিম: ২৪৪৫-২৪৪৬; সুনান ইবনু মাজাহ ১৮৩৮, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ৭৮৭১।
৬৫. সূরা আন্ নিসা ৪: ৩৪; সহীহুল বুখারী: ৩২৩৭, সহীহ মুসলিম: ৩৬১১, মুসনাদ আহমাদ: ৭৪৬৫; সহীহুল বুখারী: ৩০৪, সহীহ মুসলিম: ২৫০, সুনান ইবনু মাজাহ: ৪০০৩।
৬৬. সূরা আন্ নিসা ৪: ১২৯; সহীহ মুসলিম: ৩৭২১, মুসনাদ আহমাদ: ৮৩৬৩, সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১৪৭২৭; সহীহুল বুখারী: ৫১৮৬, সহীহ মুসলিম: ৩৭২০, সুনানুল কুবরা নাসায়ী: ৯০৯৫; সুনান আবু দাউদ: ২১৩৩, জামি' আত্ তিরমিযী: ১১৪১, সুনান আদ্‌ দারিমী: ২২৫২।
৬৭. সহীহুল বুখারী: ৫১৯৪, সহীহ মুসলিম: ৩৬১১, সুনান আদ্‌ দারিমী: ২২৭৪; সহীহ মুসলিম: ৩৬১৩; সহীহুল বুখারী: ৩২৩৭; সুনান আবু দাউদ: ২১৪১।
৬৮. সহীহ মুসলিম: ৩৪৯৬, সুনানুল কুবরা নাসায়ী: ৫৫১৯।
৬৯. সহীহুল বুখারী: ৫২৩২, সহীহ মুসলিম: ৫৮০৩, সুনান আদ্‌ দারিমী: ২৬৮৪; সহীহুল বুখারী: ৬০০০৬; সহীহ মুসলিম: ৩৩৩৬; সুনানুল কুবরা বায়হাক্বী: ১০১৩৪।
৭০. সহীহুল বুখারী: ২৫৮৭, সহীহ মুসলিম: ৪২৬৯; সুনান আন্ নাসায়ী: ৩৬৮১; সহীহ ইবনু হিব্বান: ৫১০৩।
৭১. সূরা আন্ নিসা ৪: ১০৮; সহীহুল বুখারী: ৬০৫৮; সহীহ মুসলিম: ৬৭৯৮; মুসনাদ আহমাদ: ১০৪২৭।
৭২. সূরা আল 'আন্কাবৃত ২৯: ৬৮; সহীহুল বুখারী: ৬০৯৪, সহীহ মুসলিম: ৬৮০৩, সুনান আদ্‌ দারিমী: ২৭৫৭; সহীহুল বুখারী: ৩৩, সহীহ মুসলিম: ২২০; সুনান আবু দাউদ: ৪৬৮৮; জামি' আত্ তিরমিযী: ২৬৩২।
৭৩. সূরা আন্ নূর ২৪: ২৩; সূরা আন্ নূর ২৪ ৪; সহীহুল বুখারী: ২৭৬৬, সহীহ মুসলিম: ২৭২।
৭৪. সূরা আল হুজুরাত ৪৯ ১২; সূরা আল কুলাম ৬৮: ১০-১৩; সহীহ মুসলিম: ৬৭৫৮, সুনান আবু দাউদ: ৪৮৭৪, শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী : ৩৫৬১; সহীহুল বুখারী: ৬০৫৬; সহীহ মুসলিম: ৩০৩।
৭৫. সূরা আল আনফাল ৮: ২৭; সহীহুল বুখারী: ৩৪; সহীহ মুসলিম: ২১৯।
৭৬. সহীহুল বুখারী: ৬০৪৭, সহীহ মুসলিম: ২১১০; সহীহ মুসলিম: ৬৭৭৭; সুনান আবু দাউদ: ৪৯০৭।
৭৭. সহীহুল বুখারী: ৩৬৭৩, সহীহ মুসলিম: ৬৬৫১, সুনান ইবনু মাজাহ: ১৬১, সুনান আবু দাউদ: ৪৬৫৮; সহীহুল বুখারী: ৩৭৮৩; সহীহ মুসলিম: ২৪৬; জামি' আত্ তিরমিযী: ৩৯০০।
৭৮. সূরা আল হুজুরাত ৪৯ ১১; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৬৫; সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯: ৬৬।
৭৯. সূরা আশ্ শূরা ৪২ ৪২; সূরা আল আ'রাফ ৭ ৩৩; সুনান আবূ দাউদ: ৪৯০২, জামি' আত্ তিরমিযী: ২৫১১; সুনান ইবনু মাজাহ: ৪২১১।
৮০. সূরা আল কাহফ ১৮ ২৯; সূরা কফ ৫০ ২৪-২৬; সূরা হূদ ১১: ১০২; সহীহুল বুখারী : ৪৬৮৬, সহীহ মুসলিম: ৬৭৪৬, জামি' আত্ তিরমিযী: ৩১১০; সহীহুল বুখারী: ২৪৪২, সহীহ মুসলিম: ৬৭৪৩, সুনান আবূ দাউদ: ৪৮৯৩।
৮১. সূরা আল হাজ্জ ২২: ৩; সূরা আন্ নিসা ৪ ১১৫; সহীহুল বুখারী: ২৪৫৭; সহীহ মুসলিম: ৬৯৫১।
৮২. সূরা আল আহযাব ৩৩ ৫৮; সহীহুল বুখারী: ৪৮; সহীহ মুসলিম: ২৩০।
৮৩. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২: ১০৯; সহীহুল বুখারী: ৬০৬৪; সহীহ মুসলিম: ৬৭০১।
৮৪. সূরা গাফির/আল মু'মিন ৪০: ৬০; সূরা লুকুমান ৩১: ১৮; সহীহ মুসলিম: ২৭৫; সুনান ইবনু মাজাহ: ৫৯; সহীহুল বুখারী: ৪৯১৮; সহীহ মুসলিম: ৭৩৬৬।
৮৫. সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১৮০; সুনান আবু দাউদ: ১৬৯৮; শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ৪১৬১।
৮৬. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৭৭; মুসনাদ আহমাদ: ১৮৫১; সুনান আন্ নাসায়ী: ৩০৫৭; সূরা আ-লি 'ইমরা-ন ৩: ১৬১; সহীহ মুসলিম: ৩২৩; সুনান আদ্‌ দারিমী: ২৫৩২।
৮৭. সহীহুল বুখারী: ৩১৮৮; সহীহ মুসলিম: ৪৬২৭; সহীহ মুসলিম: ৪৬৩৬; বায়হাক্বী: ১৬৬৩৫।
৮৮. সূরা আল ফা-ত্বির ৩৫: ১০; সূরা আল ফা-ত্বির ৩৫: ৪৩; সূরা আন্ নিসা ৪: ১৪২; সহীহ মুসলিম: ৭৩৮৬, মুসনাদ আহমাদ: ১৭৪৮৪।
৮৯. সূরা আন্ নিসা ৪: ৯৩; সূরা আল ফুরক্বান ২৫: ৬৮-৭০; সহীহুল বুখারী: ২৭৬৬, সহীহ মুসলিম: ২৭২।
৯০. সূরা আন্ নিসা ৪: ২৯; সূরা আন্ নিসা ৪: ৩০; সহীহুল বুখারী ৩৪৬৩; সহীহ মুসলিম : ১১৩।
৯১. সূরা আল আ'রাফ ৭: ৩১; সূরা আল মু'মিন ৪০: ৪০।
৯২. সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ২৬; সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ২৭; সুনান আবূ দাউদ: ২৮৭২; সুনান আন্ নাসায়ী: ৩৬৬৮; সুনান ইবনু মাজাহ: ২৭১৮।
৯৩. সূরা সোয়াদ ৩৮: ৫৫-৫৬; সূরা আন্ না-যি'আ-ত ৭৯: ৩৭-৩৯; সূরা আন্ নাবা ৭৮: ২১-২২।
৯৪. সূরা আল হুজুরাত ৪৯ : ১২; সহীহুল বুখারী : ৬০৬৮, সহীহ মুসলিম : ৬৭০১; সুনান ইবনু মাজাহ : ৩৮৪৯, সুনান আবু দাউদ : ৪৯১০; সহীহুল বুখারী : ৭০৪২; বায়হাক্বী : ১৪৫৭২।
৯৫. সূরা আল আ'রাফ ৭ : ২০০; সহীহুল বুখারী : ৬১১৬, মুসনাদ আহমাদ : ১০০১১; সহীহুল বুখারী : ৩৩৮২, সহীহ মুসলিম : ৬৮১২।
৯৬. সূরা আল আ'রাফ ৭ : ৩৩; সূরা আন্ নাহল ১৬ : ৯০; সহীহুল বুখারী : ৬০৩২; সহীহ মুসলিম : ৬৭৬১।
৯৭. সূরা আল আ'রাফ ৭ : ৯৯; সূরা আন্ নাহল ১৬: ৪৫-৪৭।
৯৮. সূরা ইউসুফ ১২ : ৮৭; সূরা বানী ইসরাঈল ১৭ : ৮৩; সূরা আয যুমার ৩৯ : ৫৩; সূরা আল হিজর ১৫ : ৫৫-৫৬; সূরা ফুস্সিলাত ৪১ : ৪৯।
৯৯. সূরা আল ফাতহ ৪৮ : ৬; সূরা ফুস্সিলাت ৪১ : ২২-২৩; সহীহুল বুখারী : ৬০৬৬, সহীহ মুসলিম : ৬৭০১।
১০০. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৬৪; সহীহ মুসলিম : ৩০৬, সুনান ইবনু মাজাহ : ২২০৮; সুনান আবূ দাউদ : ৩৪৭৪।
১০১. সূরা আল বুরূজ ৮৫ : ১০; সহীহুল বুখারী : ৬৫০২; শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী : ১২৪৭।
১০২. সূরা আল মুজাদালাহ্ ৫৮ : ২২; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫ : ৫১।
১০৩. সূরা আল হাজ্জ ২২ : ২৫; সহীহুল বুখারী : ৬৮৮২; বায়হাক্বী : ১৫৯০২।
১০৪. সূরা আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৭; সূরা আর রা'দ ১৩ : ২৫; সূরা আল মায়িদাহ্ ৫ : ১৩; সহীহ মুসলিম : ৪৮৯২, সুনান আন্ নাসায়ী : ৪১১৪।
১০৫. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫ ৯০-৯১; সহীহ মুসলিম: ৫৩৩৫, মুসনাদ আহমাদ: ১৪৮৮০; সহীহুল বুখারী: ৫৫৭৫, সহীহ মুসলিম: ৫৩৪১।
১০৬. সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ৩২; সূরা আন্ নূর ২৪: ২-৩।
১০৭. সূরা আল আ'রাফ ৭ ৮০-৮৪; সুনান আবু দাউদ: ৪৪৬২, জামি' আত্ তিরমিযী: ১৪৫৬।
১০৮. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৩৮; সহীহুল বুখারী: ২৪৭৫, সহীহ মুসলিম: ২১১; সহীহুল বুখারী: ৬৭৬৩; সহীহ মুসলিম: ৪৫০৩।
১০৯. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৩৩।
১১০. সহীহ মুসলিম: ৫৬৭২; সহীহ মুসলিম: ৫৬৭৪।
১১১. সহীহুল বুখারী: ৫৪২৬, সহীহ মুসলিম: ৫৫২১; সহীহ মুসলিম: ৫৫০৯।
১১২. সহীহুল বুখারী: ৫৮৩৪; সহীহ মুসলিম: ৫৫৩১; সহীহ মুসলিম: ৫৫৯৩।
১১৩. সহীহ মুসলিম: ৬৮৩২।
১১৪. সহীহুল বুখারী: ৬৭৬৬; সহীহ মুসলিম: ২২৯।
১১৫. সূরা লুক্বমান ৩১ ৬; সহীহুল বুখারী: ৫৫৯০; সহীহ মুসলিম: ৪০৩৯।
১১৬. সহীহ মুসলিম: ২২৯২।
১১৭. সহীহ মুসলিম: ৩০৬, সুনান ইবনু মাজাহ: ২২০৮; সুনান আবু দাউদ: ৩৪৭৬; সহীহুল বুখারী: ৫৭৮৭।
১১৮. সহীহুল বুখারী: ৫৮৮৫; সুনান ইবনু মাজাহ ১৯০৪; শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ৩২০৭; ৩২০৮; সহীহুল বুখারী ৫৮৮৬; সুনান আবূ দাউদ: ৪৯৩২; মুসনাদ আহমাদ: ২১২৩।
১১৯. সহীহ মুসলিম: ৬৪১, সুনান আবূ দাউদ: ২৫; সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্: ৬৭; শারহুস্ সুন্নাহ্ বাগাভী: ১৯১।
১২০. সহীহুল বুখারী: ৩৩১৮; সহীহ মুসলিম: ৫৯৮৯।
১২১. সহীহুল বুখারী: ৫৫১৫; সহীহ মুসলিম: ৫১৭৪।
১২২. সহীহুল বুখারী: ৫৪৮১; সহীহ মুসলিম: ৪১০৬।
১২৩. সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00