📄 শায়খ বিন উসাইমীন-এর অভিমত বা ফতোয়া, “রোগীর উপর কুরআন পড়ে ফুঁক দেওয়া শরী‘আতসম্মত”
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (র) তাঁর এক ফতোয়ায় বলেন, যাদু অথবা অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর কুরআনে কারীম অথবা শরী'আত অনুমোদিত দু'আসমূহ দ্বারা ফুঁ দিতে কোনো অসুবিধা নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি প্রমাণিত যে, তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে ঝাড়-ফুঁক করেছেন। শায়খ উসাইমীন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যোগ করেছেন— “আয়াত এবং দু'আগুলো লিখে তাবীজ আকারে ঝুলানোর বৈধতা নিয়ে ওলামায়ে কেরাম মতবিরোধ করেছেন। নিষেধের মতটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। কেননা, লিখে তাবিজ আকারে ব্যবহারের কোনো কথা হাদীসে আসেনি। শুধু পড়ে ফুঁ দেওয়ার কথা এসেছে। কাজেই আয়াত এবং দু'আগুলোকে লিখে রোগীর গলায় অথবা শরীরে ঝুলিয়ে রাখার অনুমতি শরী'আতে না থাকায় বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এগুলো নিষিদ্ধ কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত হবে। শরী'আতের অনুমোদন ব্যতীত একটিকে আরেকটির জন্যে 'কারণ' বানানো শিরক।
শায়খ উসাইমীন তাবীজ ঝুলানোর বিধান আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তাবীজ কুরআন থেকে নেওয়া হলেও তা ঝুলানো জায়েয হবে না; কারণ এটি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। বরং রোগীকে ডেকে এনে সরাসরি তার উপর কুরআন বা দু'আ পড়বে, যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছেন। আর যেখানে কুরআন ছাড়া অন্য কোনো দুর্বোধ্য কথা বা হিবিজিবি লিখে লটকানো হয়, তা সর্বাবস্থায় অবৈধ এবং বিদ'আতের অন্তর্ভুক্ত, যা সম্পূর্ণ হারাম।
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (র) তাঁর এক ফতোয়ায় বলেন, যাদু অথবা অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর কুরআনে কারীম অথবা শরী'আত অনুমোদিত দু'আসমূহ দ্বারা ফুঁ দিতে কোনো অসুবিধা নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি প্রমাণিত যে, তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে ঝাড়-ফুঁক করেছেন। শায়খ উসাইমীন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যোগ করেছেন— “আয়াত এবং দু'আগুলো লিখে তাবীজ আকারে ঝুলানোর বৈধতা নিয়ে ওলামায়ে কেরাম মতবিরোধ করেছেন। নিষেধের মতটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। কেননা, লিখে তাবিজ আকারে ব্যবহারের কোনো কথা হাদীসে আসেনি। শুধু পড়ে ফুঁ দেওয়ার কথা এসেছে। কাজেই আয়াত এবং দু'আগুলোকে লিখে রোগীর গলায় অথবা শরীরে ঝুলিয়ে রাখার অনুমতি শরী'আতে না থাকায় বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এগুলো নিষিদ্ধ কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত হবে। শরী'আতের অনুমোদন ব্যতীত একটিকে আরেকটির জন্যে 'কারণ' বানানো শিরক।
শায়খ উসাইমীন তাবীজ ঝুলানোর বিধান আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তাবীজ কুরআন থেকে নেওয়া হলেও তা ঝুলানো জায়েয হবে না; কারণ এটি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। বরং রোগীকে ডেকে এনে সরাসরি তার উপর কুরআন বা দু'আ পড়বে, যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছেন। আর যেখানে কুরআন ছাড়া অন্য কোনো দুর্বোধ্য কথা বা হিবিজিবি লিখে লটকানো হয়, তা সর্বাবস্থায় অবৈধ এবং বিদ'আতের অন্তর্ভুক্ত, যা সম্পূর্ণ হারাম।