📄 মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর
ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)
অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।
আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।
ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)
অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।
আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।
📄 ক্যান্সার চিকিৎসায়
ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় মূল করণীয় হচ্ছে—
* কুরআনে কারীম শোনা।
* কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া পানি পান করা, গোসল করা।
* ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গে কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া জয়তুন তেল [অলিভ অয়েল] মালিশ করা।
যে আয়াতগুলো পড়তে হবে, তা নিম্নরূপ:
১. সূরা ফাতেহা সম্পূর্ণ।
২. সূরা বাকারার প্রথম ৫টি আয়াত।
৩. সূরা বাকারার ১৬৪ ও ১৬৫ নং আয়াত।
৪. আয়াতুল কুরসী ও তার পরবর্তী দু আয়াত (সূরা বাকারা ২৫৫-২৫৭)।
৫. সূরা বাকারার শেষ দু আয়াত (২৮৫-২৮৬)।
৬. সূরা আলে ইমরানের প্রথম ৫ আয়াত।
৭. সূরা আলে ইমরানের ১৮ নং আয়াত।
৮. সূরা আলে ইমরানের ২৬ ও ২৭ নং আয়াত।
৯. সূরা আ'রাফের ৫৪, ৫৫ ও ৫৬ নং আয়াত।
১০. সূরা আ'রাফের ১১৭, ১১৮ ও ১১৯ নং আয়াত।
১১. সূরা ইউনুসের ৭৯, ৮০, ৮১ ও ৮২ নং আয়াত।
১২. সূরা ত্বা-হার ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮ ও ৬৯ নং আয়াত।
১৩. সূরা আল মু'মিনূন-এর ১১৫, ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ নং আয়াত।
১৪. সূরা হাশরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নং আয়াত।
১৫. সূরা সাফফাতের প্রথম ১৫ আয়াত।
১৬. সূরা আর রহমানের ৩১, ৩২ ও ৩৩ নং আয়াত।
১৭. সূরা মূলক-এর ৩ ও ৪ নং আয়াত।
১৮. সূরা আল কালাম-এর ৫১ ও ৫২ নং আয়াত।
১৯. সূরা আল জিন-এর ৩ নং আয়াত।
২০. সূরা কাফেরূন সম্পূর্ণ।
২১. সূরা আল ফালাক সম্পূর্ণ।
২২. সূরা আন নাস সম্পূর্ণ।
যা করতে হবে:
১. উল্লিখিত আয়াতে কারীমাগুলো ৭ বার পড়তে হবে, এতটুকু পরিমাণ পানিতে যা প্রত্যহ একবার গোসল এবং তিন গ্লাস পানি পান করার জন্যে যথেষ্ট হয়।
২. উপরিউক্ত আয়াতগুলো এতটুকু পরিমাণ যায়তুন তেলের মধ্যে পড়ে ফুঁ দেবে যা আক্রান্ত অঙ্গে ২১ দিন মালিশ করা যায়।
৩. নিম্নোক্ত দু'আগুলো পানি এবং যায়তুন তেলের উপর ৭ বার পড়তে হবে: ‘আল্লাহুম্মা রব্বান নাসি আযহিবিল বা'সা...’ এবং ‘আসআলুল্লাহাল আজীমা রব্বাল আরশিল আজীমি আই ইয়াশফিয়াকা’।
৪. ৩ বার পড়তে হবে: ‘আউযু বিকালি মাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন গযবিহি ওয়া ইক্বাবিহি...’। এরপর পড়বে ‘বিসমিল্লাহিশ শাফী আল্লাহুম্মাশফি আবদাকা ওয়া সদাক্বা রসূলুকা’।
দৈনিক একবার করে উক্ত পানি দ্বারা গোসল করতে হবে এবং পড়া পানি সকাল, দুপুর ও রাতে পান করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে যায়তুনের তৈল ২১ দিন মালিশ করতে হবে। সংক্রমণ রক্তে হলে মেরুদণ্ড এবং উভয় পায়ে তেল মালিশ করবে। মহান আল্লাহর হুকুমে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।
ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় মূল করণীয় হচ্ছে—
* কুরআনে কারীম শোনা।
* কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া পানি পান করা, গোসল করা।
* ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গে কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া জয়তুন তেল [অলিভ অয়েল] মালিশ করা।
যে আয়াতগুলো পড়তে হবে, তা নিম্নরূপ:
১. সূরা ফাতেহা সম্পূর্ণ।
২. সূরা বাকারার প্রথম ৫টি আয়াত।
৩. সূরা বাকারার ১৬৪ ও ১৬৫ নং আয়াত।
৪. আয়াতুল কুরসী ও তার পরবর্তী দু আয়াত (সূরা বাকারা ২৫৫-২৫৭)।
৫. সূরা বাকারার শেষ দু আয়াত (২৮৫-২৮৬)।
৬. সূরা আলে ইমরানের প্রথম ৫ আয়াত।
৭. সূরা আলে ইমরানের ১৮ নং আয়াত।
৮. সূরা আলে ইমরানের ২৬ ও ২৭ নং আয়াত।
৯. সূরা আ'রাফের ৫৪, ৫৫ ও ৫৬ নং আয়াত।
১০. সূরা আ'রাফের ১১৭, ১১৮ ও ১১৯ নং আয়াত।
১১. সূরা ইউনুসের ৭৯, ৮০, ৮১ ও ৮২ নং আয়াত।
১২. সূরা ত্বা-হার ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮ ও ৬৯ নং আয়াত।
১৩. সূরা আল মু'মিনূন-এর ১১৫, ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ নং আয়াত।
১৪. সূরা হাশরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নং আয়াত।
১৫. সূরা সাফফাতের প্রথম ১৫ আয়াত।
১৬. সূরা আর রহমানের ৩১, ৩২ ও ৩৩ নং আয়াত।
১৭. সূরা মূলক-এর ৩ ও ৪ নং আয়াত।
১৮. সূরা আল কালাম-এর ৫১ ও ৫২ নং আয়াত।
১৯. সূরা আল জিন-এর ৩ নং আয়াত।
২০. সূরা কাফেরূন সম্পূর্ণ।
২১. সূরা আল ফালাক সম্পূর্ণ।
২২. সূরা আন নাস সম্পূর্ণ।
যা করতে হবে:
১. উল্লিখিত আয়াতে কারীমাগুলো ৭ বার পড়তে হবে, এতটুকু পরিমাণ পানিতে যা প্রত্যহ একবার গোসল এবং তিন গ্লাস পানি পান করার জন্যে যথেষ্ট হয়।
২. উপরিউক্ত আয়াতগুলো এতটুকু পরিমাণ যায়তুন তেলের মধ্যে পড়ে ফুঁ দেবে যা আক্রান্ত অঙ্গে ২১ দিন মালিশ করা যায়।
৩. নিম্নোক্ত দু'আগুলো পানি এবং যায়তুন তেলের উপর ৭ বার পড়তে হবে: ‘আল্লাহুম্মা রব্বান নাসি আযহিবিল বা'সা...’ এবং ‘আসআলুল্লাহাল আজীমা রব্বাল আরশিল আজীমি আই ইয়াশফিয়াকা’।
৪. ৩ বার পড়তে হবে: ‘আউযু বিকালি মাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন গযবিহি ওয়া ইক্বাবিহি...’। এরপর পড়বে ‘বিসমিল্লাহিশ শাফী আল্লাহুম্মাশফি আবদাকা ওয়া সদাক্বা রসূলুকা’।
দৈনিক একবার করে উক্ত পানি দ্বারা গোসল করতে হবে এবং পড়া পানি সকাল, দুপুর ও রাতে পান করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে যায়তুনের তৈল ২১ দিন মালিশ করতে হবে। সংক্রমণ রক্তে হলে মেরুদণ্ড এবং উভয় পায়ে তেল মালিশ করবে। মহান আল্লাহর হুকুমে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।
📄 হক কথা
মানুষদের অনেকেই মনে করে যে, কুরআন হচ্ছে শুধু নামাযে পড়া, তাজবীদ সহকারে সুন্দর করে তিলাওয়াত করা অথবা তাবীজ হিসেবে ব্যবহার করা। বরং এতে করে তারা কুরআনের মহান পবিত্র লক্ষ্য উদ্দেশ্যকেই ত্যাগ করল। আর সেটি হচ্ছে যমিনে রাব্বুল আলামিনের সার্বভৌমত্বকে বাস্তবায়ন করা। মানব সৃষ্টির মূল লক্ষ্য এটিই। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আমি যমীনে খলিফা বানাতে চাই।” (সূরা ২; বাকারা ৩০)
আইন-বিধান জারি করার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। তাঁর বিধানই হচ্ছে হক (সত্য)। একে প্রতিষ্ঠা না করলে দীন প্রতিষ্ঠিত হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আইন-বিধান জারি করার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। আর (এ বিধানের বলেই) তিনি আদেশ দিচ্ছেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারো গোলামি করবে না। (কারণ) এটাই হচ্ছে সঠিক জীবনবিধান, কিন্তু মানুষদের অধিকাংশই (এটা) জানে না।” (সূরা ১২; ইউসুফ ৪০)
এটিই হচ্ছে কুরআনের মহান লক্ষ্য, তথা মানুষদেরকে তাদের স্রষ্টার গোলাম বানানো, যাতে করে তারা সুখী, সম্মানিত, সৌভাগ্যবান হিসেবে জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু ধর্ম এবং রাষ্ট্রকে আলাদা করে কুরআন মোতাবেক শাসনকর্ম পরিচালনা না করা এবং মানবরচিত জীবনবিধানের অধীনে আশ্রয় গ্রহণের ফলশ্রুতিতে মানুষের করুণ পরিণতি ঘটেছে। যারা ইসলামের দাবি করেন অথচ ইসলামী শরী'আত মোতাবেক শাসনকার্য পরিচালনা করেন না, তারা যালিম হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। কুরআন লটকানোর জন্যে তাবীজ আর কতিপয় নিদর্শন শুধু নয়, বরং মানুষের জন্যে সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ সম্বলিত জীবনবিধান।
মানুষদের অনেকেই মনে করে যে, কুরআন হচ্ছে শুধু নামাযে পড়া, তাজবীদ সহকারে সুন্দর করে তিলাওয়াত করা অথবা তাবীজ হিসেবে ব্যবহার করা। বরং এতে করে তারা কুরআনের মহান পবিত্র লক্ষ্য উদ্দেশ্যকেই ত্যাগ করল। আর সেটি হচ্ছে যমিনে রাব্বুল আলামিনের সার্বভৌমত্বকে বাস্তবায়ন করা। মানব সৃষ্টির মূল লক্ষ্য এটিই। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আমি যমীনে খলিফা বানাতে চাই।” (সূরা ২; বাকারা ৩০)
আইন-বিধান জারি করার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। তাঁর বিধানই হচ্ছে হক (সত্য)। একে প্রতিষ্ঠা না করলে দীন প্রতিষ্ঠিত হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আইন-বিধান জারি করার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তাআলার। আর (এ বিধানের বলেই) তিনি আদেশ দিচ্ছেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারো গোলামি করবে না। (কারণ) এটাই হচ্ছে সঠিক জীবনবিধান, কিন্তু মানুষদের অধিকাংশই (এটা) জানে না।” (সূরা ১২; ইউসুফ ৪০)
এটিই হচ্ছে কুরআনের মহান লক্ষ্য, তথা মানুষদেরকে তাদের স্রষ্টার গোলাম বানানো, যাতে করে তারা সুখী, সম্মানিত, সৌভাগ্যবান হিসেবে জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু ধর্ম এবং রাষ্ট্রকে আলাদা করে কুরআন মোতাবেক শাসনকর্ম পরিচালনা না করা এবং মানবরচিত জীবনবিধানের অধীনে আশ্রয় গ্রহণের ফলশ্রুতিতে মানুষের করুণ পরিণতি ঘটেছে। যারা ইসলামের দাবি করেন অথচ ইসলামী শরী'আত মোতাবেক শাসনকার্য পরিচালনা করেন না, তারা যালিম হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। কুরআন লটকানোর জন্যে তাবীজ আর কতিপয় নিদর্শন শুধু নয়, বরং মানুষের জন্যে সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ সম্বলিত জীবনবিধান।
📄 শায়খ বিন উসাইমীন-এর অভিমত বা ফতোয়া, “রোগীর উপর কুরআন পড়ে ফুঁক দেওয়া শরী‘আতসম্মত”
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (র) তাঁর এক ফতোয়ায় বলেন, যাদু অথবা অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর কুরআনে কারীম অথবা শরী'আত অনুমোদিত দু'আসমূহ দ্বারা ফুঁ দিতে কোনো অসুবিধা নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি প্রমাণিত যে, তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে ঝাড়-ফুঁক করেছেন। শায়খ উসাইমীন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যোগ করেছেন— “আয়াত এবং দু'আগুলো লিখে তাবীজ আকারে ঝুলানোর বৈধতা নিয়ে ওলামায়ে কেরাম মতবিরোধ করেছেন। নিষেধের মতটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। কেননা, লিখে তাবিজ আকারে ব্যবহারের কোনো কথা হাদীসে আসেনি। শুধু পড়ে ফুঁ দেওয়ার কথা এসেছে। কাজেই আয়াত এবং দু'আগুলোকে লিখে রোগীর গলায় অথবা শরীরে ঝুলিয়ে রাখার অনুমতি শরী'আতে না থাকায় বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এগুলো নিষিদ্ধ কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত হবে। শরী'আতের অনুমোদন ব্যতীত একটিকে আরেকটির জন্যে 'কারণ' বানানো শিরক।
শায়খ উসাইমীন তাবীজ ঝুলানোর বিধান আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তাবীজ কুরআন থেকে নেওয়া হলেও তা ঝুলানো জায়েয হবে না; কারণ এটি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। বরং রোগীকে ডেকে এনে সরাসরি তার উপর কুরআন বা দু'আ পড়বে, যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছেন। আর যেখানে কুরআন ছাড়া অন্য কোনো দুর্বোধ্য কথা বা হিবিজিবি লিখে লটকানো হয়, তা সর্বাবস্থায় অবৈধ এবং বিদ'আতের অন্তর্ভুক্ত, যা সম্পূর্ণ হারাম।
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন (র) তাঁর এক ফতোয়ায় বলেন, যাদু অথবা অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর কুরআনে কারীম অথবা শরী'আত অনুমোদিত দু'আসমূহ দ্বারা ফুঁ দিতে কোনো অসুবিধা নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি প্রমাণিত যে, তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে ঝাড়-ফুঁক করেছেন। শায়খ উসাইমীন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যোগ করেছেন— “আয়াত এবং দু'আগুলো লিখে তাবীজ আকারে ঝুলানোর বৈধতা নিয়ে ওলামায়ে কেরাম মতবিরোধ করেছেন। নিষেধের মতটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। কেননা, লিখে তাবিজ আকারে ব্যবহারের কোনো কথা হাদীসে আসেনি। শুধু পড়ে ফুঁ দেওয়ার কথা এসেছে। কাজেই আয়াত এবং দু'আগুলোকে লিখে রোগীর গলায় অথবা শরীরে ঝুলিয়ে রাখার অনুমতি শরী'আতে না থাকায় বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এগুলো নিষিদ্ধ কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত হবে। শরী'আতের অনুমোদন ব্যতীত একটিকে আরেকটির জন্যে 'কারণ' বানানো শিরক।
শায়খ উসাইমীন তাবীজ ঝুলানোর বিধান আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তাবীজ কুরআন থেকে নেওয়া হলেও তা ঝুলানো জায়েয হবে না; কারণ এটি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। বরং রোগীকে ডেকে এনে সরাসরি তার উপর কুরআন বা দু'আ পড়বে, যেমনটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেছেন। আর যেখানে কুরআন ছাড়া অন্য কোনো দুর্বোধ্য কথা বা হিবিজিবি লিখে লটকানো হয়, তা সর্বাবস্থায় অবৈধ এবং বিদ'আতের অন্তর্ভুক্ত, যা সম্পূর্ণ হারাম।