📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 ভুলে যাওয়ার চিকিৎসা

📄 ভুলে যাওয়ার চিকিৎসা


দারেমী [হাদীস নং ৩৩৮৫] মৃগীরা ইবনে ছোবাঈ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার ১০টি আয়াত পড়বে সে কুরআন ভুলবে না।
• শুরু থেকে চার (১-৪) আয়াত
• আয়াতুল কুরসী (২৫৫)
• আয়াতুল কুরসীর পরবর্তী (২৫৬-২৫৭) দু'আয়াত
• আর সর্বশেষ তিন (২৮৪-২৮৬) আয়াত।

لِلَّهِ مَا فِي السَّمُوتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُসِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحাসিবকুম বিহিল্লাহু ফাইয়াগফিরু লিমান ইয়াশাউ... [সূরা ২; বাকারা ২৮৪-২৮৬]

দারেমী [হাদীস নং ৩৩৮৫] মৃগীরা ইবনে ছোবাঈ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার ১০টি আয়াত পড়বে সে কুরআন ভুলবে না।
• শুরু থেকে চার (১-৪) আয়াত
• আয়াতুল কুরসী (২৫৫)
• আয়াতুল কুরসীর পরবর্তী (২৫৬-২৫৭) দু'আয়াত
• আর সর্বশেষ তিন (২৮৪-২৮৬) আয়াত।

لِلَّهِ مَا فِي السَّمُوتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُসِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحাসিবকুম বিহিল্লাহু ফাইয়াগফিরু লিমান ইয়াশাউ... [সূরা ২; বাকারা ২৮৪-২৮৬]

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 কুমন্ত্রণার চিকিৎসা

📄 কুমন্ত্রণার চিকিৎসা


আবূ দাউদ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তুমি তোমার মনে কোনো ধরনের খারাপ চিন্তা বা কুমন্ত্রণা অনুভব কর তখন বল,
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَ الْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
“তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি প্রকাশ্য, তিনি অপ্রকাশ্য এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” (সূরা ৫৭; হাদীদ ৩)

আরেকটি পদ্ধতি হলো, ঘুমানোর পূর্বে রাত্রে সূরা গাফের পড়বে এবং ঘুম আসা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ শরীফ পড়তে থাকবে।

আবূ দাউদ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তুমি তোমার মনে কোনো ধরনের খারাপ চিন্তা বা কুমন্ত্রণা অনুভব কর তখন বল,
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَ الْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
“তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি প্রকাশ্য, তিনি অপ্রকাশ্য এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” (সূরা ৫৭; হাদীদ ৩)

আরেকটি পদ্ধতি হলো, ঘুমানোর পূর্বে রাত্রে সূরা গাফের পড়বে এবং ঘুম আসা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ শরীফ পড়তে থাকবে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর

📄 মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর


ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)

অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।

আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।

ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)

অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।

আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 ক্যান্সার চিকিৎসায়

📄 ক্যান্সার চিকিৎসায়


ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় মূল করণীয় হচ্ছে—
* কুরআনে কারীম শোনা।
* কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া পানি পান করা, গোসল করা।
* ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গে কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া জয়তুন তেল [অলিভ অয়েল] মালিশ করা।

যে আয়াতগুলো পড়তে হবে, তা নিম্নরূপ:
১. সূরা ফাতেহা সম্পূর্ণ।
২. সূরা বাকারার প্রথম ৫টি আয়াত।
৩. সূরা বাকারার ১৬৪ ও ১৬৫ নং আয়াত।
৪. আয়াতুল কুরসী ও তার পরবর্তী দু আয়াত (সূরা বাকারা ২৫৫-২৫৭)।
৫. সূরা বাকারার শেষ দু আয়াত (২৮৫-২৮৬)।
৬. সূরা আলে ইমরানের প্রথম ৫ আয়াত।
৭. সূরা আলে ইমরানের ১৮ নং আয়াত।
৮. সূরা আলে ইমরানের ২৬ ও ২৭ নং আয়াত।
৯. সূরা আ'রাফের ৫৪, ৫৫ ও ৫৬ নং আয়াত।
১০. সূরা আ'রাফের ১১৭, ১১৮ ও ১১৯ নং আয়াত।
১১. সূরা ইউনুসের ৭৯, ৮০, ৮১ ও ৮২ নং আয়াত।
১২. সূরা ত্বা-হার ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮ ও ৬৯ নং আয়াত।
১৩. সূরা আল মু'মিনূন-এর ১১৫, ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ নং আয়াত।
১৪. সূরা হাশরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নং আয়াত।
১৫. সূরা সাফফাতের প্রথম ১৫ আয়াত।
১৬. সূরা আর রহমানের ৩১, ৩২ ও ৩৩ নং আয়াত।
১৭. সূরা মূলক-এর ৩ ও ৪ নং আয়াত।
১৮. সূরা আল কালাম-এর ৫১ ও ৫২ নং আয়াত।
১৯. সূরা আল জিন-এর ৩ নং আয়াত।
২০. সূরা কাফেরূন সম্পূর্ণ।
২১. সূরা আল ফালাক সম্পূর্ণ।
২২. সূরা আন নাস সম্পূর্ণ।

যা করতে হবে:
১. উল্লিখিত আয়াতে কারীমাগুলো ৭ বার পড়তে হবে, এতটুকু পরিমাণ পানিতে যা প্রত্যহ একবার গোসল এবং তিন গ্লাস পানি পান করার জন্যে যথেষ্ট হয়।
২. উপরিউক্ত আয়াতগুলো এতটুকু পরিমাণ যায়তুন তেলের মধ্যে পড়ে ফুঁ দেবে যা আক্রান্ত অঙ্গে ২১ দিন মালিশ করা যায়।
৩. নিম্নোক্ত দু'আগুলো পানি এবং যায়তুন তেলের উপর ৭ বার পড়তে হবে: ‘আল্লাহুম্মা রব্বান নাসি আযহিবিল বা'সা...’ এবং ‘আসআলুল্লাহাল আজীমা রব্বাল আরশিল আজীমি আই ইয়াশফিয়াকা’।
৪. ৩ বার পড়তে হবে: ‘আউযু বিকালি মাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন গযবিহি ওয়া ইক্বাবিহি...’। এরপর পড়বে ‘বিসমিল্লাহিশ শাফী আল্লাহুম্মাশফি আবদাকা ওয়া সদাক্বা রসূলুকা’।

দৈনিক একবার করে উক্ত পানি দ্বারা গোসল করতে হবে এবং পড়া পানি সকাল, দুপুর ও রাতে পান করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে যায়তুনের তৈল ২১ দিন মালিশ করতে হবে। সংক্রমণ রক্তে হলে মেরুদণ্ড এবং উভয় পায়ে তেল মালিশ করবে। মহান আল্লাহর হুকুমে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।

ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় মূল করণীয় হচ্ছে—
* কুরআনে কারীম শোনা।
* কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া পানি পান করা, গোসল করা।
* ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গে কুরআন পড়ে ফুঁ দেওয়া জয়তুন তেল [অলিভ অয়েল] মালিশ করা।

যে আয়াতগুলো পড়তে হবে, তা নিম্নরূপ:
১. সূরা ফাতেহা সম্পূর্ণ।
২. সূরা বাকারার প্রথম ৫টি আয়াত।
৩. সূরা বাকারার ১৬৪ ও ১৬৫ নং আয়াত।
৪. আয়াতুল কুরসী ও তার পরবর্তী দু আয়াত (সূরা বাকারা ২৫৫-২৫৭)।
৫. সূরা বাকারার শেষ দু আয়াত (২৮৫-২৮৬)।
৬. সূরা আলে ইমরানের প্রথম ৫ আয়াত।
৭. সূরা আলে ইমরানের ১৮ নং আয়াত।
৮. সূরা আলে ইমরানের ২৬ ও ২৭ নং আয়াত।
৯. সূরা আ'রাফের ৫৪, ৫৫ ও ৫৬ নং আয়াত।
১০. সূরা আ'রাফের ১১৭, ১১৮ ও ১১৯ নং আয়াত।
১১. সূরা ইউনুসের ৭৯, ৮০, ৮১ ও ৮২ নং আয়াত।
১২. সূরা ত্বা-হার ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮ ও ৬৯ নং আয়াত।
১৩. সূরা আল মু'মিনূন-এর ১১৫, ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ নং আয়াত।
১৪. সূরা হাশরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নং আয়াত।
১৫. সূরা সাফফাতের প্রথম ১৫ আয়াত।
১৬. সূরা আর রহমানের ৩১, ৩২ ও ৩৩ নং আয়াত।
১৭. সূরা মূলক-এর ৩ ও ৪ নং আয়াত।
১৮. সূরা আল কালাম-এর ৫১ ও ৫২ নং আয়াত।
১৯. সূরা আল জিন-এর ৩ নং আয়াত।
২০. সূরা কাফেরূন সম্পূর্ণ।
২১. সূরা আল ফালাক সম্পূর্ণ।
২২. সূরা আন নাস সম্পূর্ণ।

যা করতে হবে:
১. উল্লিখিত আয়াতে কারীমাগুলো ৭ বার পড়তে হবে, এতটুকু পরিমাণ পানিতে যা প্রত্যহ একবার গোসল এবং তিন গ্লাস পানি পান করার জন্যে যথেষ্ট হয়।
২. উপরিউক্ত আয়াতগুলো এতটুকু পরিমাণ যায়তুন তেলের মধ্যে পড়ে ফুঁ দেবে যা আক্রান্ত অঙ্গে ২১ দিন মালিশ করা যায়।
৩. নিম্নোক্ত দু'আগুলো পানি এবং যায়তুন তেলের উপর ৭ বার পড়তে হবে: ‘আল্লাহুম্মা রব্বান নাসি আযহিবিল বা'সা...’ এবং ‘আসআলুল্লাহাল আজীমা রব্বাল আরশিল আজীমি আই ইয়াশফিয়াকা’।
৪. ৩ বার পড়তে হবে: ‘আউযু বিকালি মাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন গযবিহি ওয়া ইক্বাবিহি...’। এরপর পড়বে ‘বিসমিল্লাহিশ শাফী আল্লাহুম্মাশফি আবদাকা ওয়া সদাক্বা রসূলুকা’।

দৈনিক একবার করে উক্ত পানি দ্বারা গোসল করতে হবে এবং পড়া পানি সকাল, দুপুর ও রাতে পান করতে হবে। আক্রান্ত স্থানে যায়তুনের তৈল ২১ দিন মালিশ করতে হবে। সংক্রমণ রক্তে হলে মেরুদণ্ড এবং উভয় পায়ে তেল মালিশ করবে। মহান আল্লাহর হুকুমে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00