📄 যাদু টোনার চিকিৎসা
ইবনে আবি হাতেম লাইছ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি শুনতে পেয়েছি যে, নিম্নের আয়াতগুলো যাদুটোনার চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী। পানি ভর্তি পাত্রে আয়াতগুলো পড়ে ফুঁ দিবে। অতঃপর যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির মাথায় উক্ত পানি ঢালবে।
আয়াতগুলো হচ্ছে:
১. فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَى مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ...
“অচিরেই আল্লাহ তাআলা তা ব্যর্থ করে দেবেন; আল্লাহ তাআলা কখনো ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের কাজকর্ম শুধরে দেন না।” (সূরা ১০; ইউনুস ৮১-৮২)
২. وَأَوْحَيْنَا إِلَى مُوسَى أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ...
“অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল, আর তারা যা কিছু বানিয়ে এনেছিল তা মিথ্যা প্রতিপন্ন হলো।” (সূরা ৭; আ’রাফ ১১৭-১২০)
৩. وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينিকাত তাকলফ মা সনাউ... (সূরা ২০; ত্বা-হা ৬৯)
“তোমার ডান হাতে যে (লাঠি) আছে তা নিক্ষেপ করো, ওরা যা কিছুই করেছে তা তো ছিলো নেহায়েত যাদুকরের কৌশল; আর যাদুকর কখনো সফল হয় না।”
📄 ভুলে যাওয়ার চিকিৎসা
দারেমী [হাদীস নং ৩৩৮৫] মৃগীরা ইবনে ছোবাঈ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার ১০টি আয়াত পড়বে সে কুরআন ভুলবে না।
• শুরু থেকে চার (১-৪) আয়াত
• আয়াতুল কুরসী (২৫৫)
• আয়াতুল কুরসীর পরবর্তী (২৫৬-২৫৭) দু'আয়াত
• আর সর্বশেষ তিন (২৮৪-২৮৬) আয়াত।
لِلَّهِ مَا فِي السَّمُوتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُসِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحাসিবকুম বিহিল্লাহু ফাইয়াগফিরু লিমান ইয়াশাউ... [সূরা ২; বাকারা ২৮৪-২৮৬]
দারেমী [হাদীস নং ৩৩৮৫] মৃগীরা ইবনে ছোবাঈ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার ১০টি আয়াত পড়বে সে কুরআন ভুলবে না।
• শুরু থেকে চার (১-৪) আয়াত
• আয়াতুল কুরসী (২৫৫)
• আয়াতুল কুরসীর পরবর্তী (২৫৬-২৫৭) দু'আয়াত
• আর সর্বশেষ তিন (২৮৪-২৮৬) আয়াত।
لِلَّهِ مَا فِي السَّمُوتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُসِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحাসিবকুম বিহিল্লাহু ফাইয়াগফিরু লিমান ইয়াশাউ... [সূরা ২; বাকারা ২৮৪-২৮৬]
📄 কুমন্ত্রণার চিকিৎসা
আবূ দাউদ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তুমি তোমার মনে কোনো ধরনের খারাপ চিন্তা বা কুমন্ত্রণা অনুভব কর তখন বল,
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَ الْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
“তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি প্রকাশ্য, তিনি অপ্রকাশ্য এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” (সূরা ৫৭; হাদীদ ৩)
আরেকটি পদ্ধতি হলো, ঘুমানোর পূর্বে রাত্রে সূরা গাফের পড়বে এবং ঘুম আসা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ শরীফ পড়তে থাকবে।
আবূ দাউদ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন তুমি তোমার মনে কোনো ধরনের খারাপ চিন্তা বা কুমন্ত্রণা অনুভব কর তখন বল,
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَ الْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
“তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি প্রকাশ্য, তিনি অপ্রকাশ্য এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” (সূরা ৫৭; হাদীদ ৩)
আরেকটি পদ্ধতি হলো, ঘুমানোর পূর্বে রাত্রে সূরা গাফের পড়বে এবং ঘুম আসা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ শরীফ পড়তে থাকবে।
📄 মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর
ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)
অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।
আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।
ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাডে, আর ইবনে মাজাহ তার সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত (অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা) তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুসনাদে আহমদ: ২/৪৪০)
অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন।
আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
“(হে মুহাম্মদ!) আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ, তিনি এক একক, আল্লাহ কারোই মুখাপেক্ষী নন, তাঁর থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি, আর তাঁর সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ-ই নেই।” (সূরা ১১২; ইখলাস ১-৪) এরপর বাম দিকে তিন বার থু থু ফেলবে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে।