📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 যাবতীয় চর্ম রোগের চিকিৎসায়

📄 যাবতীয় চর্ম রোগের চিকিৎসায়


আপনার ডান হাতের তর্জনী (বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশের আঙ্গুল) দ্বারা রোগাক্রান্ত অংশের দিকে ইশারা করবেন। অতঃপর পড়তে হবে—

أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَى قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَى عُرُوشِهَا قَالَ أَنِّي يُحْيِي هَذِهِ اللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا ، فَأَمَاتَهُ اللهُ مِائَةَ عَامٍ ثُمَّ بَعَثَهُ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالَ بَلْ لَّبِثْتَ مِائَةَ عَامٍ فَانْظُرُ إِلَى طَعَامِكَ وَ شَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهُ وَ انْظُرُ إِلى حِمَارِكَ وَ لِنَجْعَلَكَ آيَةً لِلنَّاسِ وَانْظُرُ إِلَى الْعِظَامِ كَيْفَ نُنْشِزُ هَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًا فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

“অথবা, (হে রাসূল!) আপনি কি ঐ ব্যক্তির ঘটনার দিকে দৃষ্টি দেননি, যে একটি বস্তির পাশ দিয়ে গেল, (সে দেখল) তা (বিধ্বস্ত হয়ে) আপন অস্তিত্বের ওপর মুখ থুবড়ে আছে, (তখন সে ব্যক্তি বলল, এ (মৃত জনপদ)-কে কিভাবে আল্লাহ তাআলা আবার পুনর্জীবন দান করবেন, এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা (সত্যি সত্যিই) তাকে মৃত্যু দান করলেন এবং (এভাবেই তাকে) একশত বছর ধরে মৃত (ফেলে) রাখলেন। অতঃপর তাকে পুনরায় জীবিত করলেন। এবার জিজ্ঞেস করলেন, (বলতে পারো) তুমি কতোকাল (মৃত অবস্থায়) কাটিয়েছো? সে বললো, আমি একদিন কিংবা একদিনের কিছু অংশ (মৃত অবস্থায়) কাটিয়েছি। আল্লাহ তাআলা বললেন, বরং এমনি অবস্থায় তুমি একশ বছর কাটিয়ে দিয়েছ, তাকিয়ে দেখো, তোমার নিজস্ব খাবার ও পানীয়ের দিকে।” (সূরা ২; বাকারা ২৫৯)

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 মাথার খুসকি নিরাময়ে

📄 মাথার খুসকি নিরাময়ে


রোগীর উপর নিম্নোক্ত আয়াতে কারীমা পড়তে হবে।

فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيْهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ

“হঠাৎ করে ঐ বাগানকে পেয়ে বসে এক আগুনের ঘূর্ণিবায়ু, যাতে বাগান জ্বলে ভস্মিভূত হয়েছে।” (সূরা ২; বাকারা ২৬৬)

আল্লাহর কুদরত এবং শক্তিতে নিরাময় হয়ে যাবে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 বিষাক্ত ফোঁড়ার চিকিৎসায়

📄 বিষাক্ত ফোঁড়ার চিকিৎসায়


রোগীর উপর নিন্মোক্ত আয়াতে কারীমা পড়তে হবে।

وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْجِبَالِ فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا فَيَذَرُهَا قَاعًا صَفْصَفًا لَّا تَرَى فِيهَا عِوَجًا وَلَا أَمْتًا

“(হে নবী!) তারা আপনার কাছে (কিয়ামতের সময়) পাহাড়গুলোর অবস্থা (কী হবে) জানতে চাইবে। আপনি তাদের বলুন, (সে সময়) আমার মালিক এগুলোকে (টুকরো টুকরো করে) উড়িয়ে দেবেন। অতঃপর তাকে তিনি মসৃণ ও সমতল ভূমিতে পরিণত করে ছাড়বেন। তখন আপনি এতে কোনো রকম অসমতল ও উঁচু-নিচু দেখবেন না।” (সূরা ২০; ত্বা-হা ১০৫-১০৭)

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 যাবতীয় বক্ষ ব্যাধির চিকিৎসায়

📄 যাবতীয় বক্ষ ব্যাধির চিকিৎসায়


রুগীর উপর সূরা ইনশিরাহ পড়তে হবে। আলাম নাশরাহ লাকা সদরাক... (সূরা ৯৪; ইনশিরাহ ১-৮)

এবং মহান আল্লাহর বাণী,

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً মীল লিসানী ইয়াফকাহু কওলী
“(তিনি বললেন) হে আমার মালিক! আপনি আমার জন্যে আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন, আমার কাজ আমার জন্যে সহজ করে দিন, আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন, যাতে করে ওরা আমার কথা (ভালো করে) বুঝতে পারে।” (সূরা ২০; ত্বা-হা ২৫-২৮)

আয়াতগুলো পড়ে পড়ে ডান হাতে রোগীর বুকের উপর ম্যাসেজ করবে। যমযমের পানির ওপর সূরা ফাতেহা পড়ে ঐ পানি দ্বারা বক্ষ ধুয়ে ফেলবে এবং কিছু পানি পান করবে। এতে বক্ষ শক্তিশালী হয় এবং যাবতীয় ব্যথা দূরীভূত হয়। তবে হে আল্লাহর বান্দা, সিগারেট পান করা, পানকারীদের সাথে উঠাবসা করা আর বেশি কথা বলা থেকে সর্বদা সতর্ক হও।

সব সময় আল্লাহর কিতাব মুখস্থ করতে সচেষ্ট থাক, স্বীয় হৃদয়কে কুরআনের আয়াতসমূহ দ্বারা ভরপুর করো, সত্য কথা বলা, সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধের মাধ্যমে আল্লাহর কালেমাকে বুলন্দ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাও। আর বেশি বেশি তাহাজ্জুদ নামায পড়, অচিরেই তুমি সুস্থতা ও রোগমুক্তি দেখতে পাবে।

বক্ষ ব্যাধির জন্যে:
ইবনে মারদাওয়াইহ আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, আমি আমার বক্ষে অসুস্থতা অনুভব করি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “কুরআন পড়”। এর সাথে তিন বার সূরা ইনশিরাহ এবং আল্লাহ তাআলার বাণী— وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ (সূরা ১০; ইউনুছ ৫৭) পড়তে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00