📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 দাঁতের ব্যথার জন্যে

📄 দাঁতের ব্যথার জন্যে


ব্যথাযুক্ত গালের উপর (আঙ্গুল দিয়ে) লিখবে,

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴿ قُلْ هُوَ الَّذِي أَنْشَأَكُمْ وَ جَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَ الْأَبْصَارَ وَ الْأَفْئِدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ ﴾
“(হে রাসূল!) আপনি বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের কান, চোখ দিয়েছেন। আরো দিয়েছেন, একটি অন্তর কিন্তু তোমরা খুব কমই (এসব দানের) কৃতজ্ঞতা আদায় কর।” (সূরা ৬৭; মূলক ২৩)

এমনিভাবে আরো লিখবে,

وَلَهُ مَا سَكَنَ فِي الَّيْلِ وَالنَّহাারি ওহুয়াস সামীউল আলীম
“আর যা কিছু রাত ও দিনে স্থিতি লাভ করে তা তাঁরই। এবং তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।” (সূরা ৬; আনআম ১৩)

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 কণ্ঠনালীর ব্যথায়

📄 কণ্ঠনালীর ব্যথায়


ইমাম বায়হাকী তাঁর ‘শেয়াবুল ঈমান’ গ্রন্থে ওয়াছেলা বিন আছকা থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে স্বীয় কণ্ঠনালীর ব্যথার অভিযোগ করল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “তুমি বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত কর।” (শেয়াবুল ঈমান ২/৫১৯)

কিতাবুল্লাহের বেশি বেশি তিলাওয়াত রোগীর উপর রহমত এবং প্রশান্তি নাযিল করবে। তখন তার গোটা শরীরকে স্থিরতা ঢেকে ফেলবে, শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বীয় দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করতে পারবে। আর আল্লাহর হুকুমে রোগীর নিকট সুস্থতা এবং রোগ মুক্তি ফিরে আসবে, আল্লাহ তাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করবেন।

তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে তারতীল যত সুন্দর হবে সূরের তন্ত্রিগুলোও ততই সুবিন্যস্ত হবে, হৃদয় প্রশান্তিতে ভরে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে আর রোগের যাবতীয় উপকরণ সরে যাবে, দূরীভূত হবে। কেননা, ভালোর সাথে খারাপ একত্রিত হতে পারে না। কুরআনের কথা কতই না ভালো, যা রহমানের বান্দাদের জন্যে শেফা, রহমত এবং বলছম তুল্য, যারা কিতাবুল্লাহকে তিলাওয়াত এবং আমলের মাধ্যমে আঁকড়ে ধরে, আর প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখানো মতাদর্শে জীবন পরিচালনা করে তাদের জন্যে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 নাকের রক্তক্ষরণের চিকিৎসা

📄 নাকের রক্তক্ষরণের চিকিৎসা


শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ (র) নাক থেকে রক্তক্ষরণ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কপালের উপর লিখতেন,

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴿ وَقِيلَ يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي وَ غِيضَ الْمَاءُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ ﴾
“(অতঃপর) বলা হলো, হে যমীন! তুমি (এবার) তোমার পানি গিলে নাও, হে আসমান! তুমিও (পানি বর্ষণ থেকে) ক্ষান্ত হও। অতএব, পানির প্রচণ্ডতা প্রশমিত হলো এবং (আল্লাহর) কাজও সম্পন্ন হলো।” (সূরা ১১; হৃদ ৪৪)

আর তাঁকে আমি বলতে শুনেছি, একাধিক লোকের জন্যে আমি এটা লিখেছি, আল্লাহর হুকুমে তারা সুস্থ হয়েছে। ক্ষরিত রক্ত দিয়ে লেখা বৈধ হবে না। যেমনটি মূর্খরা করে থাকে। কেননা, রক্ত অপবিত্র। অতএব উহা দ্বারা আল্লাহর পবিত্র কালাম লেখা বৈধ হবে না। ইবনুল কাইয়্যেম আল যাউজিয়া তার আত-তিব্বুন নববী-এর ২৭৮ পৃষ্ঠায় এমনটি উল্লেখ করেছেন। জাফরানের কালি দিয়ে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কপালে উক্ত আয়াতে কারীমাটুকু লিখতে হবে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 বধিরতার চিকিৎসায়

📄 বধিরতার চিকিৎসায়


বধিরতায় আক্রান্ত কানের উপর ডান হাত রেখে ক্বারী সাহেব পড়বেন,

لَوْ أَنْزَلْنَا هَذَا الْقُرْآنَ عَلَى جَبَلٍ لَرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُّতসাদ্দেআম মিন খশিয়াতিল্লাহ... (সূরা ৫৯; হাশর ২১)

আরো পড়বেন—

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمٰنُ الرَّحِيمُ هُوَ اللهُ الَّذِي لَا إِلهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلْمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُতাকাব্বির... (সূরা ৫৯; হাশর ২২-২৪)

“তিনিই আল্লাহ তাআলা, তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, দেখা-অদেখা সব কিছুই তাঁর জানা, তিনি দয়াময়, তিনি করুণাময়। তিনিই আল্লাহ তাআলা, তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি রাজাধিরাজ, তিনি পূত-পবিত্র, তিনি শান্তি (দাতা), তিনি বিধায়ক, তিনি রক্ষক, তিনি পরাক্রমশালী, তিনি প্রবল, তিনি মাহাত্ম্যের একক অধিকারী। তারা যেসব (ব্যাপারে আল্লাহর সাথে) শিরক করছে, আল্লাহ তাআলা সেসব কিছু থেকে অনেক পবিত্র। তিনি আল্লাহ তাআলা, তিনি সৃষ্টিকর্তা, তিনি সৃষ্টির উদ্ভাবক, সব কিছুর রূপকার তিনি, তাঁর জন্যেই (নিবেদিত) সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে (যেখানে) যা কিছু আছে তার সব কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছে, তিনি পরাক্রমশালী, তিনি প্রবল প্রজ্ঞাময়।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00