📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 এ পথ, ও পথ

📄 এ পথ, ও পথ


মাথার খুসকি নিরাময়ে রোগীর উপর নিম্নোক্ত আয়াতে কারীমা পড়তে হবে—
فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيْهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ
“হঠাৎ করে ঐ বাগানকে পেয়ে বসে এক আগুনের ঘূর্ণিবায়ু, যাতে বাগান জ্বলে ভস্মিভূত হয়েছে।” (সূরা ২; বাকারা ২৬৬)
আল্লাহর কুদরত এবং শক্তিতে নিরাময় হয়ে যাবে।

বিষাক্ত ফোঁড়ার চিকিৎসায় রোগীর উপর নিন্মোক্ত আয়াতে কারীমা পড়তে হবে—
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْجِبَالِ فَقُلْ يَنْসিফুহা রব্বী নাসফা... (সূরা ২০; ত্বা-হা ১০৫-১০৭)
“(হে নবী!) তারা আপনার কাছে (কিয়ামতের সময়) পাহাড়গুলোর অবস্থা (কী হবে) জানতে চাইবে। আপনি তাদের বলুন, (সে সময়) আমার মালিক এগুলোকে (টুকরো টুকরো করে) উড়িয়ে দেবেন। অতঃপর তাকে তিনি মসৃণ ও সমতল ভূমিতে পরিণত করে ছাড়বেন। তখন আপনি এতে কোনো রকম অসমতল ও উঁচু-নিচু দেখবেন না।”

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 অস্থির মানসিকতা

📄 অস্থির মানসিকতা


রুগীর উপর সূরা ইনশিরাহ পড়তে হবে। আলাম নাশরাহ লাকা সদরাক... (সূরা ৯৪; ইনশিরাহ ১-৮)। এবং মহান আল্লাহর বাণী,
رَبِّ اشْرَحْ লীল সদরী ওয়া ইয়াসসির লী আমরী ওয়াহলুল উকদাতাম মিল লিসানী ইয়াফকাহু কওলী
“(তিনি বললেন) হে আমার মালিক! আপনি আমার জন্যে আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন, আমার কাজ আমার জন্যে সহজ করে দিন, আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন, যাতে করে ওরা আমার কথা (ভালো করে) বুঝতে পারে।” (সূরা ২০; ত্বা-হা ২৫-২৮)
আয়াতগুলো পড়ে পড়ে ডান হাতে রোগীর বুকের উপর ম্যাসেজ করবে। যমযমের পানির ওপর সূরা ফাতেহা পড়ে ঐ পানি দ্বারা বক্ষ ধুয়ে ফেলবে এবং কিছু পানি পান করবে। এতে বক্ষ শক্তিশালী হয় এবং যাবতীয় ব্যথা দূরীভূত হয়।

বক্ষ ব্যাধির জন্যে ইবনে মারদাওয়াইহ আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, আমি আমার বক্ষে অসুস্থতা অনুভব করি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “কুরআন পড়”। এর সাথে তিন বার সূরা ইনশিরাহ এবং আল্লাহ তাআলার বাণী— وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ (সূরা ১০; ইউনুছ ৫৭) পড়তে হবে।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 অন্তরের শান্তি

📄 অন্তরের শান্তি


গোলাপজল ও জাফরানের কালি দ্বারা সাদা পাত্রে তিনবার আয়াতুল কুরসী লিখবে। যমযমের পানি হলে উত্তম নতুবা যেকোনো পানি দ্বারা তা ধৌত করে খালী পেটে এক সপ্তাহ যাবৎ পান করবে। যমযমের পানির মধ্যে সাতবার সূরা ফাতেহা পড়বে। অতঃপর খালি পেটে ঐ পানি পান করবে।

হৃদ রোগে করণীয়: আবূ জাফর মোহাম্মদ বিন আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি স্বীয় অন্তরে কাঠিন্য অনুভব করে, সে যেন একটি পাত্রে জাফরানের কালি দ্বারা সূরা ইয়াসিন লিখে তা পান করে। হৃদয়কে শক্তিশালী করতে এবং এতে প্রফুল্লতা দান করতে পরীক্ষিত তদবীরের অন্যতম হচ্ছে: রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে স্বীয় ডান হাত বুকের উপর রেখে সূরা গাফের পড়বে। আর সকালে সাতটি খেজুর নিয়ে তার উপর সাতবার সূরা ফাতিহা পড়বে, আল্লাহর নাম নিয়ে সেগুলো খেয়ে ফেলবে। মহান আল্লাহ বলেন— أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ “জেনে রেখ, আল্লাহর যিকরেই অন্তর প্রশান্ত হয়।” (সূরা ১৩; রাদ ২৮)

টিকাঃ
১. ইমাম কুরতুবী আর হাকেম তার মোসতাদরাকে বর্ণনা করেছেন।

📘 কুরআন দিয়ে নিজের চিকিৎসা করুন > 📄 সহাবস্থান করতে শেখা

📄 সহাবস্থান করতে শেখা


অর্শ্ব রোগের পূর্ণ চিকিৎসা প্রাচীন ইসলামী চিকিৎসায় পাওয়া যায়। তবে শর্ত হলো, রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিকারী বস্তুসমূহ যেমন অতিরিক্ত রাগ, ঝাল খাবার ইত্যাদি থেকে বেঁচে থাকতে হবে। লাউ, আঁশযুক্ত সবজি ও মাছের কলিজার তেল এ রোগের উপকারী খাদ্য।

কুরআন থেকে যা লিখতে হবে— সূরা ফাতেহা (ওয়ালাদ যললীন পর্যন্ত), সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, নাস এবং এরপর লিখবে:
أعُوْذُ بِوَجْهِ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِعِزَّتِهِ الَّتِي لَا تُرَامُ، وَبِقُدْرَتِهِ الَّتِي لَا يَمْنَعُ مِنْهَا شَيْءٌ مِنْ شَرِّ هُذَا الْوَجَعِ, وَمِنْ شَرِّ মফীহি
“আল্লাহ তাআলার সুমহান মর্যাদা এবং তাঁর সে সম্মান যার নাগাল পাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়, তাঁর সে ক্ষমতা, যা থেকে কোনো কিছুকে বাধা দেওয়া যায় না, তাঁর নিকট এ ব্যথার অনিষ্টতা এবং এতে যত প্রকারের ক্ষতি রয়েছে সব কিছু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”

এই কথাগুলো গোলাপজল ও জাফরান দিয়ে নকশাবিহীন কাচের পাত্রে লিখবে। কালি শুকানোর পর যমযমের পানি অথবা বৃষ্টির পানি দ্বারা ধৌত করে তা পান করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00