📄 প্রতিপক্ষ সঠিক হলে সন্তুষ্ট থাকুন
সূরা ফাতেহার ফযিলত: আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, আল কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা হচ্ছে সূরা ফাতিহা।
সূরা বাকারার ফযিলত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কুরআনের চূড়া হচ্ছে 'আল বাকারা'। শয়তান যখন সূরা বাকারার তিলাওয়াত শোনে তখন যে ঘরে এ সূরার তিলাওয়াত হতে থাকে, সে ঐ ঘর থেকে বের হয়ে যায়।
সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলোর ফযিলত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সূরা বাকারার সর্বশেষ দুটি আয়াত যে রাত্রে পড়বে, তা তার জন্যে যথেষ্ট হয়ে যাবে।” এটি শয়তান ও বিপদাপদ থেকে রক্ষার জন্য কার্যকর।
আয়াতুল কুরসীর ফযিলত: আল্লাহর কিতাবের সর্বোত্তম আয়াত। যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পড়বে তার জান্নাতে প্রবেশের মাঝে মৃত্যুই শুধু বাধা হয়ে থাকবে।
সূরা কাহফের ফযিলত: যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহফ পড়বে, দু' জুমার মধ্যবর্তী সময় তার জন্যে আলোকিত হয়ে থাকবে। এটি দাজ্জালের ফেৎনা থেকেও রক্ষা করে।
টিকাঃ
১. সয়ূতী আল-কানিজ-এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং হাকেম ও বায়হাকীর দিকে সম্পৃক্ত করেছেন।
📄 কটাক্ষ করা: একটি আধুনিক কালচার
ইমাম জাফর সাদেক (রা) বলেন, আমি আশ্চর্যান্বিত হই ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে—
১. যে ভীতস্বন্ত্রস্ত হলো, অথচ ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল’ (সূরা ৩; ১৭৩) পাঠ করল না।
২. যে পেরেশানিতে নিমজ্জিত হলো, অথচ ‘লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন’ (সূরা ২১; ৮৭) পাঠ করল না।
৩. যে ধোঁকাবাজদের চক্রান্তের শিকার হলো, অথচ ‘ওয়া উফাওউইদু আমরী ইলাল্লাহ...’ (সূরা ৪০; ৪৪) পাঠ করল না।
গ্রন্থকার আবুল ফিদা বলেন, আমি বিস্ময় বোধ করি ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে, যে রোগাক্রান্ত হয়েছে অথচ ‘আন্নী মাসসানিয়াদ্দুররু ওয়া আন্তা আরহামুর রাহিমীন’ (সূরা ২১; ৮৩) পাঠ করল না। কেননা এর মাধ্যমেই আল্লাহ আইয়ুব (আ)-কে রোগমুক্ত করেছিলেন।
📄 কথা সত্য, মতলব খারাপ
জাফরান এবং গোলাপ জল দিয়ে কোনো পাত্রে ৩ বার সূরা ইখলাস লিখবে। লেখা শুকানোর পর যমযমের পানি দিয়ে তা ধুয়ে নেবে। এ সময় দৈনিক ৩ বার রোগী নিজেও সূরা ফাতেহা পড়বে এবং তিন দিন পর্যন্ত এ পানি পান করবে। যমযমের পানির মধ্যে সাতবার সূরা ফাতেহা পড়ে ১ সপ্তাহ পান করাও পরীক্ষিত চিকিৎসা।
ইবনুল কাইয়্যেম (র) বলেন, মক্কায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তিনি যমযমের পানির ওপর কয়েকবার সূরা ফাতেহা পড়ে পান করতেন এবং এর বদৌলতে পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন।
📄 দ্বীনের চালে স্বার্থ হাসিল
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর ইসমে আযম এই আয়াতগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. وَالهُكُمُ الهُ وَاحِدٌ لَّا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ (সূরা ২; বাকারা ১৬৩)
২. الم اللهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ (সূরা ৩; আলে ইমরান ১-২)
এই আমলটি করতে হবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদের পর। আল্লাহর ইসমে আযমের দোহাই দিয়ে সর্বোচ্চ কাকুতি-মিনতি সহকারে নিজের বা অন্যের সুস্থতা কামনা করতে হবে।
টিকাঃ
১. সুনানে আবু দাউদ: ১৪৯৬, জামে তিরমিযী: ৩৪৭৮, সুনানে ইবনে মাযাহ: ৩৫৫৫।