📘 কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় > 📄 কুরআন অমান্যকারীদের ভয়াবহ পরিণতি

📄 কুরআন অমান্যকারীদের ভয়াবহ পরিণতি


وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِايْتِنَا أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَلِدُونَ অর্থ : যারা আমার আয়াত অবিশ্বাস ও অস্বীকার করবে, তারা হবে আগুনের বাসিন্দা। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। (সূরা ২ বাকারা: আয়াত ৩৯)

وَالَّذِينَ سَعَوْا فِي ايْتِنَا مُعْجِزِينَ أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مِّن رِجْزِ اليَرْ অর্থ: যারা আমার আয়াতকে ব্যর্থ ও পরাজিত করার অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়, তাদের জন্যে রয়েছে দুঃসহ যন্ত্রণাদায়ক আযাব। (সূরা সাবা : আয়াত ৫)

وَسِيقَ الَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ زُمَرًا ، حَتَّى إِذَا جَاءُوهَا فُتِحَتْ أَبْوَابُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِنْكُمْ يَتْلُونَ عَلَيْكُمْ أَيْتِ رَبِّكُمْ وَيُنْذِرُونَكُمْ لِقَاءَ يَوْمِكُمْ هَذَا ، قَالُوا بَلَى وَلَكِنْ حَقَّتْ كَلِمَةُ الْعَذَابِ عَلَى الْكَفِرِينَ قِيلَ ادْخُلُوا أَبْوَابَ جَهَنَّমَ خَلِدِينَ فِيهَا ، فَبِئْسَ مَثْوَى المتكبرين

অর্থ: (কিয়ামতের দিন ফায়সালা হয়ে যাবার পর) অমান্যকারীদের দলে দলে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তারা সেখানে পৌঁছামাত্র জাহান্নামের দুয়ারসমূহ খুলে যাবে। তখন জাহান্নামের রক্ষীবাহিনী (বিস্ময়ের সাথে) তাদের জিজ্ঞেস করবে: কী ব্যাপার, তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের কাছে কি বাণী বাহকগণ যাননি? তাঁরা কি তোমাদের সামনে আল্লাহ্র আয়াত পেশ করেননি, শুনাননি? আর এই বিচার দিনের সম্মুখীন হতে হবে বলে সতর্ক করেননি?' অমান্যকারীরা বলবে: 'হাঁ, শুনিয়েছিলেন এবং সতর্কও করেছিলেন (কিন্তু আমরা মানি নাই)!'-এই স্বীকৃতি তাদের কোনো কাজে আসবেনা, তখন তো আল্লাহ্র দণ্ড তাদের উপর নির্ধারিত হয়েই গেছে। তখন তাদের বলা হবে : 'প্রবেশ করো জাহান্নামের দরজাসমূহ দিয়ে। এখন থেকে চিরকাল এই শাস্তির মধ্যেই পড়ে থাকবে।' দাম্ভিকদের আবাস কতোইনা নিকৃষ্ট! (সূরা ৩৯ যুমার: আয়াত ৭১-৭২)

এ প্রসঙ্গে আরো দেখুন: সূরা ও আয়াত ৩:১১; ৪:৫৬; ৫:১০, ৮৬; ৬:৩৯, ৪৯, ৫৪, ৬৮, ১৫০, ১৫৭; সূরা ৭: ৯, ৩৬, ৪০, ১৩৬, ১৪৬, ১৪৭, ১৮২ আরো অনেক।

📘 কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় > 📄 কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের বর্তমান অবস্থা

📄 কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের বর্তমান অবস্থা


মানব সমাজের মধ্যে যারা কুরআনের প্রতি বিশ্বাসী তারাও অবিশ্বাসীদের মতো কয়েক ভাগে বিভক্ত। সেগুলো হলো:

প্রথম গ্রুপ: এরা মনে করে কুরআন মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ। তবে তারা কুরআন পড়তে জানেনা, জানলেও পড়েনা, বুঝেনা, পালন করেনা।
দ্বিতীয় গ্রুপ: এরা পড়তে পারে, তবে বুঝেনা, বুঝার চেষ্টাও করেনা। পড়াকে সওয়াবের কাজ মনে করে, বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন উপকারের জন্যে পড়ে। কুরআনের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ পোষণ করে। কুরআন সম্পর্কে এদের সঠিক ধারণা নেই।
তৃতীয় গ্রুপ: এ গ্রুপ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করে বটে। এদের কিছু লোক কুরআনকে মহা পবিত্র মনে করে। কিন্তু কুরআন বুঝা ও মেনে চলাকে জরুরি মনে করেনা। কুরআন বুঝা বিশেষ শ্রেণীর লোকদের কাজ বলে মনে করে। কুরআনের হুকুম আহকাম মেনে চলাকে ঐচ্ছিক মনে করে।
চতুর্থ গ্রুপ: এরা মনে করে কুরআনের হুকুম মানা না মানা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়- যার ইচ্ছা সে পালন করবে। কিন্তু সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ব্যবস্থায় কুরআনকে টেনে আনা যাবেনা। এদের কিছু লোক এসব ক্ষেত্রে কুরআনের প্রয়োগ ও চর্চার বিরোধিতা করে, এমনকি প্রতিহত করারও চেষ্টা করে।
পঞ্চম গ্রুপ: এরা কুরআন বুঝা ও মেনে চলা জরুরি মনে করে। তবে কুরআনের শিক্ষা সম্প্রসারণ, কুরআনের দিকে মানুষকে ডাকা এবং কুরআনের ভিত্তিতে সমাজ বিনির্মাণের চেষ্টা করেনা- বরং দূরে থাকে।
ষষ্ঠ গ্রুপ: এদের সংখ্যা খুব কম হলেও এরা সমাজে জোর জবরদস্তি করে কুরআনের বিধান চালু করার মনোভাব পোষণ করে।
সপ্তম গ্রুপ: একমাত্র এরাই নিয়মিত কুরআন অধ্যয়ন করে, কুরআন বুঝার চেষ্টা করে এবং ব্যক্তিগত জীবনে পালন করে। এরা অন্যদের কুরআন শিক্ষা দান করে, কুরআনের শিক্ষা সম্প্রসারণের কাজে আত্মনিয়োগ করে, মানুষকে কুরআনের দিকে দাওয়াত দেয় এবং কুরআনের ভিত্তিতে মানুষকে এবং মানব সমাজকে গড়ে তোলার চেষ্টা সাধনা করে。

আমাদের সমাজে উপরে বর্ণিত সাত শ্রেণীর মুসলিমই বর্তমান রয়েছে। আপনি কোন্ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত? অথবা আপনি কোন্ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত হতে চান? - সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে。

এই বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের অর্থাৎ মুসলমানদের অনেকের বাস্তব কর্মই অবিশ্বাসীদের মতো। আর এ কথাও একেবারেই সত্য যে, কোনো ব্যক্তির অবস্থান এবং পক্ষাপক্ষ নির্ধারিত হয় তার বাস্তব কর্মের ভিত্তিতেই। সুতরাং কে কুরআনের পক্ষ আর কে কুরআনের বিপক্ষ তা নির্ধারিত হয় কুরআনের ব্যাপারে তার বাস্তব কর্মনীতির ভিত্তিতে। এ জন্যেই কুরআনের বাহক মুহাম্মদ সা. বিচারের দিন নিজ লোকদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্র কাছে অভিযোগ দায়ের করবেন:
وَقَالَ الرَّسُولُ يُرَبِّ إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَذَا الْقُرْآنَ مَهْجُورًا অর্থ: (বিচারের দিন) আল্লাহ্র রসূল (অভিযোগ করে) বলবেন: হে প্রভু! আমার লোকেরাই এ কুরআনকে পরিত্যাক্ত (deserted) করে রেখেছিল। (সূরা ২৫ আল ফুরকান: আয়াত ৩০)

এদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ আরো বলেন:
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيمَةِ أَعْمَى قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمَى وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا قَالَ كَذَلِكَ أَتَتْكَ أَيْتُنَا فَنَسِيْتَهَا ، وَكَذَلِكَ الْيَوْمَ تُنْسَى

অর্থ: আর যে কেউ আমার 'যিকর' (অবতীর্ণ বিধান- কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার দুনিয়ার জীবন হবে সংকীর্ণ (অশান্তি ও অস্বস্তিকর), আর কিয়ামতের দিন আমরা তাকে অন্ধ করে উঠাবো। সে বলবে: হে আমার প্রভু! পৃথিবীতে তো আমি চক্ষুষ্মান ছিলাম, এখানে কেন আমাকে অন্ধ করে উঠালে!' তিনি বলবেন: এভাবেই তোমার কাছে যখন আমার আয়াত (কিতাব) এসেছিল, তখন তুমি তা ভুলে (তা থেকে চোখ বন্ধ করে) থেকেছিলে: ঠিক সেরকমই আজ তোমার প্রতি তোয়াক্কা করা হয়নি। (সূরা ২০ তোয়াহা: আয়াত ১২৪-১২৬)

📘 কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় > 📄 কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

📄 কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য


যারা আল কুরআনের প্রতি বিশ্বাসী, বিশ্বাসের কারণে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো:
১. আল্লাহ্র বাণী হিসেবে কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা- ঈমান আনা।
২. কুরআন পড়তে শিখা ও নিয়মিত পাঠ করা।
৩. কুরআন বুঝা এবং কুরআনে কী আছে তা জানা, তার মর্ম উপলব্ধি করা।
৪. কুরআনের হুকুম বিধান মেনে চলা ও অনুসরণ করা।
৫. যারা জানেনা, তাদেরকে কুরআন শিক্ষা দান করা।
৬. কুরআন প্রচার করা এবং কুরআনের দিকে মানুষকে ডাকা।
৭. কুরআনের ভিত্তিতে সমাজ গড়ার কাজ করা।

মহান আল্লাহ্ এ প্রসঙ্গে বলেন:
فَامِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالنُّورِ الَّذِي أَنْزَلْنَا অর্থ: অতএব তোমরা ঈমান আনো (বিশ্বাস স্থাপন করো) আল্লাহ্র প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি আর আমার নাযিল করা নূরের (আল কুরআনের) প্রতি।' (সূরা ৬৪ আত্ তাগাবুন: আয়াত ৮)

وَهُذَا كِতَبْ أَنْزَلْنَهُ مُبْرَكَ فَاتَّبِعُوهُ وَاتَّقُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ অর্থ: আর এই বরকতময় কিতাব আমরা নাযিল করেছি, সুতরাং তোমরা এটির অনুসরণ করো এবং তার ব্যাপারে সতর্ক হও। আশা করা যায় তোমরা অনুকম্পা লাভ করবে। (সূরা ৬ আনআম: আয়াত ১৫৫)

اتَّبِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ অর্থ: তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা (যে কিতাব) অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ করো এবং তাকে ছাড়া অন্য অলিদের অনুসরণ করোনা। (সূরা ৭ আ'রাফ: আয়াত ৩)

هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِيْنِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ অর্থ: তিনিই মহান আল্লাহ যিনি তাঁর রসূলকে হিদায়াত (কুরআন) ও সত্য দীন দিয়ে পাঠিয়েছেন, যাতে করে সেটিকে সকল মতবাদের উপর বিজয়ী করে। (সূরা ৬১ আস্সফ : আয়াত ৯)

📘 কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় > 📄 কুরআন গোপন করার অভিশাপ থেকে আত্মরক্ষা করুন

📄 কুরআন গোপন করার অভিশাপ থেকে আত্মরক্ষা করুন


কুরআন গোপন করা মহাপাপ (কবিরা গুনাহ)। যারা কুরআন গোপন করে তারা অভিশপ্ত। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন:

إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَتِ وَالْهُدَى مِنْ بَعْدِ مَا بَيَّنَهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَبِ لا أُولَئِكَ يَلْعَنُهُمُ اللهُ وَيَلْعَنُهُمُ اللَّعِنُونَ إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا وَ أَصْلَحُوا وَبَيَّنُوا فَأُولَئِكَ أَتُوبُ عَلَيْهِمْ ، وَأَنَا التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

অর্থ: নিশ্চয়ই যারা আমার নাযিল করা প্রমাণ ও হিদায়াত (অর্থাৎ কিতাব) গোপন করে, আমি তা কিতাব আকারে মানব সমাজের জন্যে প্রকাশ করার পর, তাদের প্রতি অভিশাপ বর্ষণ করেন স্বয়ং আল্লাহ্ এবং তাদের অভিশাপ দেয় অভিশাপদানকারীরা। তবে অভিশাপ থেকে মুক্ত হয় তারা, যারা তওবা করে (অনুতপ্ত হয়), নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয় এবং মানুষের মাঝে সত্য প্রকাশ করে। আমি এদের তওবা কবুল করবো, কারণ আমি তওবা কবুলকারী দয়াময়। (সূরা ২ বাকারা: আয়াত ১৫৯-১৬০)

এখন প্রশ্ন হলো কুরআন গোপন করে কারা? মূলত কুরআন গোপন করে নিম্নোক্ত কয়েক শ্রেণীর লোক:
১. যারা কুরআন পাঠ করেনা, পাঠ করতে শিখেনা- তারা নিজেরাই নিজেদের কাছে কুরআন গোপন করে রাখে।
২. যারা বুঝার চেষ্টা করেনা, কুরআনে কী আছে তা জানার চেষ্টা করেনা- তারা নিজেদের কাছে কুরআনের মর্ম ও বক্তব্য গোপন করে রাখে।
৩. যারা অনুসরণ করেনা- তারা কুরআন গোপন করে। কারণ অনুসরণ না করলে কুরআনের বাস্তব রূপ গোপন থাকে।
৪. যারা কুরআন জানে, বুঝে, অথচ মানুষকে শিক্ষা দেয়না- তারা কুরআন গোপন করে, কুরআনের জ্ঞান লুকিয়ে রাখে।
৫. যারা কুরআন ও কুরআনের বার্তা প্রচার করেনা, মানুষের কাছে পৌঁছায়না- তারা মানুষের নিকট থেকে কুরআন গোপন করে রাখে, নিজেদের কাছে লুকিয়ে রাখে।
৬. যারা কুরআনের ভিত্তিতে সমাজ গড়ার কাজ করেনা-তারা প্রকারান্তরে কুরআন গোপন করার কাজ করে।
৭. যারা কুরআন শিখা, বুঝা, মানা, শিক্ষাদান করা, প্রচার করা এবং বাস্তবায়ন করার কাজে বাধা দেয়- তারা কুরআন গোপন করে রাখার কাজ করে。

কুরআন গোপনের এই দুর্ভাগ্যজনক অভিশাপ থেকে মুক্তি লাভের উপায় কি? উপায় স্বয়ং আল্লাহ্ পাক বলে দিয়েছেন উপরোক্ত ১৬০ নম্বর আয়াতে। তা হলো:
১. তওবা করা। অর্থাৎ অনুশোচনা করা, অনুতপ্ত হওয়া। এবং সত্যের দিকে প্রত্যাবর্তন করা।
২. নিজের ত্রুটি সমূহ সংশোধন করে নেয়া।
৩. এতোদিন যে সত্য গোপন করা হয়েছিল তা মানুষের কাছে প্রকাশ করা।

মহাসত্য আল কুরআনকে গোপনীয়তা মুক্ত করে প্রকাশ করার উপায় হলো:
১. আল কুরআন পড়তে শিখা এবং নিয়মিত পড়া।
২. কুরআন বুঝার ও জানার আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালানো।
৩. কুরআনকে অনুসরণ করা এবং মেনে চলা।
৪. মানুষকে কুরআন শিক্ষা দান করা।
৫. মানুষকে কুরআনের দিকে ডাকা।
৬. মানুষের কাছে কুরআন পৌঁছানো।
৭. সমাজে কুরআনের প্রচলন ও বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালানো।
৮. যারা কুরআনের বিরোধিতা করে তাদেরকে উপেক্ষা করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00