📄 বিক্ষিপ্ত আয়াত
আয়াত বিক্ষিপ্ত হলেও দুর্বোধ্যতা দেখা দেয়। কোন আয়াত এমন যে, সেটা মর্ম অনুসারে কোন কাহিনীর উপসংহার হিসাবে শেষে আসার কথা। অথচ আগেই এসে গেছে। তারপর নতুন করে আবার কাহিনী বর্ণনা চলেছে।
কখনও নাযিলের দিক থেকে অগ্রাধিকার পেয়েও কোন আয়াত পাঠের কালে পরে আসে। ফলে অর্থ ধরা মুশকিল হয়। যেমন: قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ
অবশ্যই আমি তোমার বারংবার তাকানো লক্ষ্য করেছি। (সূরা বাকারা-১৪৩)
এ অংশটি আগে নাযিল হয়েছে। سَيَقُولُ السُّفَهَاءُ শীঘ্রই মুর্খরা বলবে। (সূরা বাকারা-১৪২) পরে নাযিল হয়েছে। অথচ পাঠের সময়ে বিপরীত হয়ে আছে।
কখনও এমন দেখা যায় যে, কাফিরদের বক্তব্য বর্ণনার ফাঁকে ফাঁকে তার জবাবও দেয়া হচ্ছে। এভাবে প্রশ্নোত্তরে জগাখিচুড়ী করে আয়াত শেষ হয়েছে। এতেও দুর্বোধ্যতা সৃষ্টি হয়। যেমন: وَلَا تُؤْ مِنُوا إِلَّا لِمَنْ تَبِعَ دِينَكُمْ قُلْ إِنَّ الْهُدَى هُدَى اللَّهِ أَنْ يُؤْتَى أَحَدٌ مِثْلَ مَا أُوتِيَتُمُ
'তোমাদের ধর্মানুসারী ছাড়া অন্য কারুর ওপরে আস্থা রেখো না। বলে দাও, নিশ্চয়ই হিদায়ত কেবল আল্লাহ্রই হিদায়ত। যদি কাউকে তা দেয়া হয়, তা তোমাদের মতই দেয়া হবে।' (সূরা ইমরান-৭৩)
এ আয়াতে قُلْ إِنَّ الْهُدَى هُدًى اللَّهِ হচ্ছে কাফিরদের বক্তব্যের জবাব। এর আগের ও পরের বক্তব্যগুলো হচ্ছে কাফিরদের।