📘 কুরআন ব্যাখ্যার মুলনীতি 📄 প্রথম পরিচ্ছেদ: উত্তম ব্যাখ্যা-রীতি

📄 প্রথম পরিচ্ছেদ: উত্তম ব্যাখ্যা-রীতি


কুরআন মজীদের দূর্বোধ্য স্থানগুলোর উত্তম ব্যাখ্যা-রীতি হচ্ছে আদি ব্যাখ্যাকার হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে উদ্ধৃত ইবনে আবি তালহা (রাঃ)-এর বর্ণনা। ইমাম বুখারী (রাঃ) তাঁর বিখ্যাত সহীহ্ বুখারী শরীফে প্রায়ই সেই রীতি অনুসরণ করেছেন।

উত্তম ব্যাখ্যার দ্বিতীয় রীতিটি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেবে জহাক নকল করেছেন।

তৃতীয় নিয়মটি হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) নাফে ইবনে আযরকের প্রশ্নাবলীর জবাবে বর্ণনা করেছেন। এ তিন ধরনের ব্যাখ্যাই আল্লামা সুয়ূতী তাঁর মশহুর গ্রন্থ 'ইতকানে' উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া কুরআনের দূর্বোধ্য স্থানগুলোর আরেকটি ব্যাখ্যা আল্লামা বুখারী (রাঃ) ব্যাখ্যাদাতা ইমামদের থেকে নকল করেছেন। আরেকটি ব্যাখ্যা সাহাবা, তাবেঈন ও তাবে-তাবেইন ব্যাখ্যাকারদের থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

আমার মনে হয়, এ পুস্তকের পঞ্চম ও শেষ অধ্যায়ে এ ধরণের ব্যাখ্যাগুলো যদি সে সব আয়াতের শানে নুযূলসহ একত্র করি, তা হলে ঠিক হবে। সে অধ্যায়টিকে স্বতন্ত্র একটি পুস্তক হিসেবে রচনা করলে যার ইচ্ছে হয়, সেটাকে এর অন্তর্ভূক্ত করেই দেখে নিতে পারবে। আর যদি কেউ সেটাকে আলাদাভাবে করতে চায় তাও পারবে। সবাই নিজ নিজ রুচিমতে কাজ করতে ভালবাসে।

এখানে আরেকটি কথা বুঝে নেয়া দরকার, নিকটতম অর্থে গবেষণা চালিয়ে ও শব্দাবলীর বিভিন্নরূপ ব্যবহার সামনে রেখে বিষয়টিকে আরও ব্যাপকতা ও উন্নয়ন দান করেছেন। এ পুস্তকে কেবল আগেকার তাফসীরগুলোর সমাবেশ ঘটানোই উদ্দেশ্য। তার উপরে টীকা- টিপ্পনী লেখার সঠিক স্থান এটি নয়। প্রত্যেক কথা যথাস্থানেই খাটে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px