📄 সুপারিশ
মাসআলা-২১৭৯ঃ হাশরের মাঠে দীর্ঘসময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার মানুষ পিপাসা, অত্যন্ত গরম এবং দুর্গমময় ঘামে অতিষ্ঠ হয়ে বড় বড় নবীগণের নিকট উপস্থিত হবে যেন তাঁরা হিসাব শুরু করার জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করে সমস্ত নবীগণ সুপারিশ করতে অস্বীকার করবে শেষে লোকেরা মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হবে আর তিনি আল্লাহর নিকট হিসাব শুরু করার জন্য সুপারিশ করবেন একেই শাফায়াত কোবরা বা বড় সুপারিশ বলা হয়ঃ
عن انس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع الله الناس يوم القيامة فيقولون لو استشفعنا على ربنا حتى يريحنا من مكاننا فيأتون ادم عليه السلام فيقولون انت الذى خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وامر الملائكة فسجدوا لك فاشفع لنا عند ربنا فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ويقول ائتوا نوحا عليه السلام اول رسول بعثه الله فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا ابراهيم عليه السلام الذى اتخذه الله خليلا فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا موسى الذى كلمه الله فيأتونه فيقول لست هناكم ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فقد غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر فيأتوني فأستأذن على ربي فاذا رأيته وقعت ساجدا فيدعنى ما شاء الله ثم يقال لي ارفع رأسك سل تعطه وقل يسمع واشفع تشفع فارفع رأسي فاحمد ربي بتحميد يعلمنى ثم اشفع (متفق عليه)
অর্থঃ "আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন লোকেরা একত্রিত হয়ে বলবে যে, আমাদের উচিত কারো দ্বারা আমাদের রবের নিকট সুপারিশের ব্যবস্থা করানো। যাতে করে আল্লাহ্ আমাদেরকে এ কষ্ট থেকে মুক্তি দেন। তখন লোকেরা আদম (আঃ) এর নিকট যাবে এবং বলবেঃ আপনাকে আল্লাহ্ স্বীয় হস্তে তৈরী করেছেন, রূহ দান করেছেন, ফেরেশতাদেরকে নির্দেশ দিয়ে ছিলেন, তারা যেন আপনাকে সেজদা করে, আজ আপনি আমাদের রবের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন,(তিনি যেন হিসাব শুরু করেন এবং হাশরের মাঠের কষ্ট থেকে আমাদেরকে মুক্তি দেন) আদম (আঃ) বলবেনঃ আমি এর উপযুক্ত নই, তিনি তাঁর ভুলের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হবেন, তিনি বলবেনঃ তোমরা নূহ (আঃ) এর নিকট যাও, সে আল্লাহর প্রেরিত সর্ব প্রথম রাসূল। লোকেরা তখন নূহ (আঃ) এর নিকট যাবে, তখন তিনি বলবেনঃ আজ আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না, তিনি তাঁর ভুলের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হবেন, তিনি বলবেনঃ তোমরা ইবরাহিম (আঃ) এর নিকট যাও, তাঁকে আল্লাহ্ স্বীয় বন্ধু রূপে গ্রহণ করেছেন, লোকেরা ইবরাহিম (আঃ) এর নিকট আসবে, তিনি বলবেন আজ আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। তিনিও তার ভুলের জন্য লজ্জিত হবেন। তিনি বলবেনঃ তোমরা মূসা (আঃ) এর নিকট যাও, আল্লাহ্ দুনিয়াতে তাঁর সাথে কথা বলেছেনঃ লোকেরা তখন মূসা (আঃ) এর নিকট যাবে, তখন তিনি বলবেন আজ আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না, বরং তোমরা ঈসা (আঃ) এর নিকট যাও, লোকেরা ঈসা (আঃ) এর নিকট উপস্থিত হবে তিনিও ঐ একেই কথা বলবেন। যে আজ আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না, তোমরা বরং মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যাও, তার আগের ও পরের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, তখন লোকেরা আমার নিকট আসবে, আমি আল্লাহর নিকট অনুমতি চাইব, আমি তাঁকে দেখা মাত্র সেজদায় পড়ে যাব, আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ আমি সেজদায় থাকব, এর পর তিনি আমাকে বলবেন তোমার মাথা উঠাও চাও, তোমাকে দেয়া হবে, তুমি বল তোমার কথা শোনা হবে, তুমি সুপারিশ কর তোমার সুপারিশ কবুল করা হবে, তখন আমি আমার মাথা উঠিয়ে আমার রবের প্রশংসা করব, এমন ভাষায় যা তিনি আমাকে শিক্ষা দিবেন, এর পর আমি সুপারিশ করব"। (মোত্তাফাকুন আলাইহি)¹²⁶
মাসআলা-২১৮ঃ শাফায়াত কোবরার (বড় সুপারিশ) এর জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জান্নাতের দরজা খোলাবেন, তাঁর আরশের নিচে পৌঁছে সিজদায় পড়ে যাবেন এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সেখানে আল্লাহর গুণগান করবেন এর পর তাঁকে সুপারিশের জন্য অনুমতি দেয়া হবেঃ
عن انس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آتى باب الجنة يوم القيامة فاستفتح فيقول الخازن من انت فاقول محمد فيقول بك امرت لا افتح لاحد قبلك (رواه مسلم)
অর্থঃ "আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কিয়ামতের দিন জান্নাতের দরজার সামনে এসে তা খুলতে বলব, দারোয়ান জিজ্ঞেস করবে কে তুমি? আমি বলবঃ মোহাম্মদ, সে বলবে তোমার ব্যাপারেই আমি নির্দেশিত হয়েছি যে, তোমার পূর্বে অন্য কারো জন্য যেন এদরজা না খুলি।” (মুসলিম)¹²⁷
মাসআলা-২১৯ঃ শাফায়াত কোবরার (বড় শাফায়ত) এর বদৌলতে সর্ব প্রথম উম্মতে মোহাম্মদীর মধ্য থেকে ৪৯ লক্ষ লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবেঃ
عن ابي امامة رضى الله عنه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وعدني ربي ان يدخل الجنة من امتى سبعين الفا لا حساب عليهم ولا عذاب ، مع كل الف سبعون الفا وثلاث حثيات من حثيات ربي (رواه الترمذي)
অর্থঃ "আবু উমামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমার রব আমাকে ওয়াদা দিয়েছে যে আমার উম্মতের মধ্য থেকে ৭০ হাজার লোক বিনা হিসেব ও বিনা শাস্তিতে জান্নাতে নিবেন, আর এ প্রত্যেক হাজারের সাথে থাকবে আরো ৭০ হাজার এবং আমার রবের আঞ্জলি পূর্ণ তিন আঞ্জলি।” (তিরমিযী)¹²⁸
মাসআলা-২২০ঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুপারিশের বদৌলতে প্রথমে যবের পরিমাণ ঈমানদার ব্যক্তিদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে, এর পর পিপীলিকা বা বিন্দু পরিমাণ ঈমানদারদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে, এর পর যাদের অন্তরে পিপীলিকা বা বিন্দুর চেয়েও কম পরিমাণ ঈমান আছে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবেঃ
عن انس بن مالك رضى الله عنه في حديث الشفاعة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستأذن على ربي فيؤذن لى ويلهمنى محامد احمده بها لا تحضرني الآن فاحمده بتلك المحامد واخر له ساجدا فيقال يا محمد ارفع رأسك وقل يسمع لك وسل تعطه واشفع تشفع فاقول ياربي امتى امتى فيقال: انطلق فاخرج من كان في قلبه مثقال شعيرة من ايمان فانطلق فافعل ثم اعود فاحمده بتلك المحامد ثم اخر له ساجدا فيقال يا محمد ارفع رأسك وقل يسمع لك وسل تعطه واشفع تشفع فاقول ياربي امتى امتى فيقال انطلق فاخرج منها من كان في قلبه مثقال ذرة او خردلة من ايمان فانطلق فافعل ثم اعود فاحمده بتلك المحامد ثم اخر له ساجدا فيقال لي يا محمد ارفع رأسك وقل يسمع لك وسل تعطه واشفع تشفع فاقول يا رب امتى امتى فيقال انطلق فاخرج منها من كان في قلبه ادنى ادنى مثقال حبة خردل من ايمان فاخرجه من النار (متفق عليه)
অর্থঃ "আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সুপারিশের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃএর পর আমি আমার রবের নিকট উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুমতি চাইব, আমাকে অনুমতি দেয়া হবে, তখন আল্লাহ্ আমাকে তাঁর প্রশংসার এমন কিছু শব্দ শিক্ষা দিবেন যা এমূহর্তে আমার জানা নেই, আমি ঐ শব্দগুলো দিয়ে তাঁর প্রশংসা করব এবং সেজদায় লুটিয়ে পড়ব, এরশাদ হবে হে মুহাম্মদ তোমার মাথা উাঠও, কথা বল কথা শোনা হবে, চাও দেয়া হবে, সুপারিশ কর গ্রহণ করা হবে, আমি বলবঃ হে আমার রব আমার উম্মত আমার উম্মত, এরশাদ হবে যাও এবং জাহান্নাম থেকে ঐ সমস্ত লোক যাদের অন্তরে যবের পরিমাণ ঈমান আছে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে আন। আমি যাব এবং তা করব। এর পর আবার (দ্বিতীয় বার) আল্লাহ্র নিকট উপস্থিত হব এবং ঐ শব্দগুলো দিয়েই আল্লাহর প্রশংসা করব ও সেজদায় লুটিয়ে পড়ব। এরশাদ হবে হে মোহাম্মদ তোমার মাথা উঠাও কথা বল কথা শোনা হবে, চাও দেয়া হবে, সুপারিশ কর গ্রহণ করা হবে, আমি বলবঃ হে আমার রব আমার উম্মত আমার উম্মত, এরশাদ হবে যাও এবং জাহান্নাম থেকে ঐ সমস্ত লোকদেরকে বের করে আন যাদের অন্তরে পিপীলিকা পরিমাণ ঈমান আছে, আমি যাব এবং তা করব। এর পর আবার (তৃতীয় বার) আল্লাহ্র নিকট উপস্থিত হব এবং ঐ শব্দগুলো দিয়েই আল্লাহর প্রশংসা করব ও সেজদায় লুটিয়ে পড়ব। এরশাদ হবে হে মোহাম্মদ তোমার মাথা ওঠাও কথা বল কথা শোনা হবে, চাও দেয়া হবে, সুপারিশ কর গ্রহণ করা হবে, আমি বলবঃ হে আমার রব আমার উম্মত আমার উম্মত, এরশাদ হবে যাও এবং জাহান্নাম থেকে ঐ সমস্ত লোকদেরকে বের করে আন যাদের অন্তরে বিন্দুর চেয়েও কম পরিমাণ ঈমান আছে, আমি যাব এবং তা করব।” (বোখারী ও মুসলিম)¹²⁹
মাসআলা-২২১ঃ কবীরা গোনাহগার মুসলমানরা জাহান্নামে চলে যাওয়ার পরও রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য সুপারিশ করবেন এবং তারা জান্নাতে যাবেঃ
عن جابر رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ان شفاعتي يوم القيامة لاهل الكبائر من امتى (رواه ابن ماجة)
অর্থঃ "যাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমি আমার ঐ সমস্ত উম্মতদের জন্যও সুপারিশ করব, যারা কবীরা গোনায় লিপ্ত হয়েছে।" (ইবনু মাযা)¹³⁰
عن عمران بن حصين رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج قوم من النار بشفاعة محمد فيدخلون الجنة ويسمون الجهنميين (رواه البخاري)
অর্থঃ "ইমরান বিন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুপারিশের বদৌলতে কিছু লোক জাহান্নাম থেকে বের হবে এবং তাদেরকে জান্নাতে দেয়া হবে, আর তাদেরকে লোকেরা জাহান্নামী বলে ডাকবে।" (বোখারী)¹³¹
মাসআলা-২২২ঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুপারিশের পর অন্যান্য নবী ফেরেস্তা ওলী ও সৎ লোকেরাও সুপারিশ করবেঃ
عن عبد الله بن شقيق رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يدخل الجنة بشفاعة رجل من امتى اكثر من بنى تميم قيل يا رسول الله سواك ؟ قال سواى (رواه الترمذي)
অর্থঃ "আবদুল্লাহ্ বিন শাকীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমার উম্মতের এক ব্যক্তির সুপারিশে তামীম বংশের চেয়েও অধিক লোক জান্নাতে যাবে, জিজ্ঞেস করা হল ইয়া রাসূলাল্লাহ্ এটাকি আপনার সুপরিশের অতিরিক্ত? তিনি বললেনঃ হাঁ আমার সুপারিশের অতিরিক্ত।” (তিরমিযী)¹³²
عن ابي سعيد الخدرى رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقول الله عز وجل شفعت الملائكة وشفع النبيون وشفع المؤمنون ولم يبق الا ارحم الراحمين فيقبض قبضة من النار فيخرج منها قوم لم يعملوا خيرا قط (رواه مسلم)
অর্থঃ "আবুসাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'লা বলবেনঃ ফেরেস্তারা সুপারিশ করেছে, নবীগণ সুপরিশ করেছে, মুমেনরাও সুপারিশ করেছে এখন শুধু অত্যন্ত দয়ালু আল্লাহই বাকী আছেন, তখন আল্লাহ্ এক মুষ্টি ভরে জাহান্নাম থেকে এমন লোকদেরকে বের করবেন, যারা কখনো কোন সৎ আমল করে নাই।” (মুসলিম)¹³³
মাসআলা-২২৩ঃ শহীদ তার নিকট আত্মীয়দের মধ্য থেকে ৭০ জন লোকের জন্য সুপারিশ করবেঃ
عن المقداد بن معد يكرب رضى الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال للشهيد عند الله ست خصال يغفر له فى اول دفعة من دمه ويرى مقعده من الجنة ويجار من عذاب القبر ويأمن من الفزع الأكبر ويحلى حلة الايمان ويزوج من الحور العين ويشفع في سبعين انسانا من اقاربه (رواه ابن ماجة )
অর্থঃ "মিকদাদ বিন মা'দীকারাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট শহীদের ৬টি ফযিলত আছেঃ (১) তার রক্ত মাটিতে পড়া মাত্রই আল্লাহ্ তার গোনাহ মাফ করে দেন। (২) তাকে জান্নাতে তার ঠিকানা দেখানো হয়। (৩) কবরের আযাব থেকে রক্ষা করা হয়। (৪) কিয়ামতের দিন দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকবে। (৫) ঈমানের লিবাস পরানো হবে এবং হুর ঈনের সাথে তার বিয়ে হবে। (৬) কিয়ামতের দিন তার নিকট আত্মীয়দের মধ্য থেকে ৭০ জন লোকের জন্য সুপারিশ করবে।" (ইবনু মাযা)¹³⁴
মাসআলা-২২৪ঃ ঈমানদার লোকেরা জান্নাতে যাওয়ার পর নিজের পরিচিত লোকদের জন্য সুপারিশ করবে এবং তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে নিয়ে যাবেঃ
عن أبي سعيد الخدرى رضى الله عنه في حديث رؤية الله تعالى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فما انتم باشد لى مناشدة فى الحق قد تبين لكم من المؤمن يومئذ للجبار فاذا راو انهم قد نجوا في اخوانهم يقولون ربنا اخواننا كانوا يصلون معنا ويصومون معنا ويعملون معنا فيقول الله تعالى اذهبوا فمن وجدتم في قلبه مثقال دينار من ايمان فاخرجوه ويحرم الله صورهم على النار فيأتونهم وبعضهم قد غاب في النار الى قدمه والى انصاف مساقيه فيخرجون من عرفوا ثم يعودون فيقول اذهبوا فمن وجدتم في قلبه مثقال نصف دينار فاخرجوه فيخرجون من عرفوا ثم يعودون فيقول اذهبوا فمن وجدتم في قلبه مثقال ذرة من ايمان فاخرجوه فيخرجون من عرفوا (متفق عليه)
অর্থঃ "আবুসাঈদ খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আল্লাহকে দেখা সংক্রান্ত হাদীসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজ তোমরা তোমাদের অধিকারের ব্যাপারে আমার নিকট যতটা চাপ দিচ্ছ এর চেয়ে বহুগুণ বেশি করে ঈমানদাররা তাদের অধিকার দাবী করবে, যখন তারা নিশ্চিত হবে যে তারা মুক্তি পেয়ে গেছে, তখন তারা আল্লাহ্র নিকট আবেদন করবে যে, হে আমাদের প্রভু, আমাদের ভাই বোনেরা আমাদের সাথে নামায পড়ত, রোযা রাখত, আরো অন্যান্য ভাল কাজ করত, তাদেরকে আজ আপনি ক্ষমা করে দিন, আল্লাহ্ বলবেনঃ যাও যার অন্তরে দীনার পরিমাণ ঈমান আছে, তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে নিয়ে আস। আল্লাহ্ ঐ গোনাহগারদের চেহারা জাহান্নামের ওপর হারাম করে দিবেন, যখন ঈমানদাররা ওখানে আসবে তখন দেখবে যে, কিছু কিছু লোক তাদের কদম পর্যন্ত জাহান্নামে ডুবে আছে, আবার কেউ অর্ধ টাখনা পর্যন্ত জাহান্নামে ডুবে আছে, তখন তারা যাকে যাকে চিনবে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে নিয়ে আসবে। এর পর আল্লাহ্ নিকট উপস্থিত হয়ে দ্বিতীয় বার সুপারিশ করবে আল্লাহ্ বলবেন আচ্ছা যাও, যার অন্তরে অর্ধ দীনার পরিমাণ ঈমান আছে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে নিয়ে আস। তখন তারা সেখানে যাবে, যাদেরকে চিনবে তাদেরকে ওখান থেকে বের করে নিয়ে আসবে, এর পর আল্লাহর নিকট উপস্থিত হয়ে আবার সুপারিশ করবে তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ যাও যাদের অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান আছে তাদেরকে ওখান থেকে বের করে নিয়ে আস, তখন লোকেরা গিয়ে যাদেরকে চিনবে তাদেরকে ওখান থেকে বের করে নিয়ে আসবে।" (বোখারী)¹³⁵
মাসআলা-২২৫ঃ কোন কোন ঈমান দার একাধিক লোকের জন্য সুপারিশ করবেঃ
عن انس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الرجل ليشفع للرجلين والثلاثة ( رواه البزار )
অর্থঃ "আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একজন (ঈমান দার) দুই তিন জন লোকের জন্য সুপারিশ করবে।" (বায্যার)¹³⁶
মাসআলা-২২৬ঃ রোযা ও কোরআ'নও সুপারিশ করবেঃ
عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة يقول الصيام أى رب منعته الطعام والشهوات فشفعنى فيه ويقول القرآن منعته النوم بالليل فشفعنى فيه قال فيشفعان (رواه احمد والطبرانی)
অর্থঃ "আবদুল্লাহ্ বিন আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোযা ও কোরআ'ন বান্দার জন্য কিয়ামতের দিন সুপারিশ করবে, রোযা বলবেঃ হে আমার রব আমি এ লোককে পানা-হার, কাম চাহিদা পূর্ণ করা থেকে বারণ করে রেখেছি, তাই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন, কোরআ'ন বলবেঃ হে আমার রব আমি এ লোককে রাতে রাত্রি জেগে ইবাদত করার জন্য ঘুম থেকে বাধা দিয়েছি, অতএব তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। তখন এ উভয়ের সুপারিশ কবুল করা হবে।” (আহমদ, তাবারানী)¹³⁷
মাসআলা-২২৭ঃ সূরা বাক্বারা, সূরা আল ইমরান, সূরা মুলক তাদের পাঠকারীদের জন্য সুপারিশ করবেঃ
عن النواس بن سمعان رضى الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قال يؤتى بالقرآن يوم القيامة واهله الذين كانوا يعملون به تقدمه سورة البقرة وآل عمران كانهما غمامتان او ظلتان سودان وان بينهما شرق او كانهما فرقان من طير صواف تحاجان عن صاحبهما (رواه مسلم)
অর্থঃ "নাওয়াস বিন সামআ'ন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন কোরআ'ন মাজীদ ও তার অনুসারীদেরকে এমনভাবে আনা হবে, যে সূরা বাক্বারা ও আল ইমরান ছায়ার ন্যায় তাদের আগে আগে থাকবে, যেন তা কোন বাদল বা কাল রংয়ের কোন সামিয়ানা, যা থেকে আলো চমকাচ্ছে, বা সাড়িবদ্ধ পাখীর দু'টি ঝাঁক যা তাদের পাঠকারীদের ব্যাপার আল্লাহর সাথে ঝগড়া করছে।” (মুসলিম)¹³⁸
عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان سورة في القرآن ثلاثون آية شفعت لرجل حتى غفر له وهى تبارك الذي بيده الملك (رواه احمد والترمذي وابوداؤد والنسائ وابن ماجة)
অর্থঃ "আবুহুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোরআ'ন মাজীদের একটি সূরায় ত্রিশটি আয়াত রয়েছে, যা তার পাঠকারীর জন্য তাকে ক্ষমা না করা পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতে থাকবে। আর তা হল তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক।” (আহমদ, তিরমিযী, আবুদাউদ, নাসায়ী, ইবনু মাযা)
মাসআলা-২২৮ঃ নেককার সন্তানরা তাদের পিতা-মাতার জন্য সুপারিশ করবেঃ
عن شرحبيل بن شفعة عن بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقال للوالدين يوم القيامة ادخلوا الجنة فيقولون ربنا حتى يدخل آباؤنا وامهاتنا قال فيأتون قال فيقول الله عز وجل مالي اراهم محبنطئين ادخلوا الجنة قال فيقولون يارب آباؤنا وامهاتنا قال ادخلوا الجنة انتم وآباؤكم (رواه احمد)
অর্থঃ “সুরাহ বিল বিন শুফয়া নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন, কিয়ামতের দিন সন্তানদেরকে বলা হবে জান্নাতে প্রবেশ কর, বাচ্চারা বলবেঃ হে আমাদের প্রভূ যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের পিতা-মাতা জান্নাতে প্রবেশ না করে ততক্ষণ আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব না, তখন তাদের পিতা-মাতাকে আনা হবে আল্লাহ্ বলবেনঃ তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বাধা দেয়ার কারণ আছে, সন্তানরা বলবেঃ হে আল্লাহ্ তারা আমাদের পিতা-মাতা, আল্লাহ্ বলবেনঃ তোমরা এবং তোমাদের পিতা-মাতারা জান্নাতে প্রবেশ কর।" (আহমদ)¹³⁹
মাসআলা-২২৯ঃ মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুপারিশে এত লোক জান্নাতে যাবে যে জান্নাতের অর্ধেক লোক তাঁরই উম্মত হবেঃ
عن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم اما نرضون ان تكونوا ربع اهل الجنة قال فكبر ثم قال اما ترضون ان تكونوا ثلث اهل الجنة قال فكبرنا ثم قال اني لارجوا ان تكونوا شطر اهل الجنة وساخبركم عن ذلك مالمسلمون فى الكفار الا كشعرة بيضاء في ثور اسود كشعرة سوداء فى ثور ابيض (رواه مسلم)
অর্থঃ "আবদুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বলেছেনঃ তোমরা কি এতে খুশি নও যে জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ তোমরা হবে? একথা শুনে আমরা খুশি হয়ে আল্লাহু আকবার বললাম। এর পর তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কি এতে খুশি নও যে জান্নাতীদের দুই তৃতীয়াংশ তোমরা হবে? একথা শুনে আমরা খুশি হয়ে আল্লাহু আকবার বললাম। এর পর তিনি আবার বললেনঃ আমি আশা করছি যে, জান্নাতীদের অর্ধেক তোমরা হবে, এর কারণ এইযে, কাফেরদের তুলনায় মুসলমানদের সংখ্যা এমন যেমন একটি কাল পশম বিশিষ্ট শরীরে একটি সাদা পশম, বা একটি সাদা পশম বিশিষ্ট শরীরে একটি কাল পশম।” (মুসলিম)¹⁴⁰
মাসআলা-২৩০ঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুপারিশে এত উম্মত মোহাম্মদী জান্নাতে প্রবেশ করবে যে এতে তিনি আনন্দিত হবেনঃ
عن على بن ابى طالب رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اشفع لامتي حتى يناديني ربي تبارك وتعالى فيقول اقد رضيت يا محمد صلى الله عليه وسلم؟ فاقول اى رب قد رضیت (رواه البزار والطبراني)
অর্থঃ "আলী বিন আবু তালেব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেনঃ আমি আমার উম্মতের জন্য সুপারিশ করতে থাকব, এমনকি আমার রব আমাকে জিজ্ঞেস করবে হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তুমি কি সন্তুষ্ট হয়েছ? আমি বলবঃ হাঁ হে আমার রব এখন আমি সন্তুষ্ট।" (বায্যার, ত্বাবারানী)¹⁴¹
মাসআলা-২৩১ঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু ঐ সমস্ত লোকদের জন্য সুপারিশ করবেন যারা মৃত্যু পর্যন্ত তাওহীদের ওপর অটল ছিলঃ
عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لكل نبي دعوة مستجابة به فتعجل كل نبى دعوته وانى اختبأت دعوتى شفاعة لامتى يوم القيامة فهي نائلة ان شاء الله من مات من امتى لا يشرك بالله شيئا (رواه مسلم)
অর্থঃ "আবুহুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য এমন একটি দুয়া থাকে যা অবশ্যই কবুল যোগ্য, সমস্ত নবীগণ তাড়াহুড়া করে ঐ দুয়া দুনিয়াতে করে নিয়েছে, শুধু আমি কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য তা রেখে দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ্ আমার এ সুপারিশ আমার উম্মতের প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পাবে, যারা আল্লাহর সাথে শিরক না করে মারা গেছে।" (মুসলিম)¹⁴²
মাসআলা-২৩২ঃ আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কোন নবী ওলী শহিদ কেউই সুপারিশ করতে পারবে নাঃ
﴿ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ﴾ (سورة البقرة: ٢٥٥)
অর্থঃ "কে আছে এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ব্যতীত।” (সূরা বাক্বারাঃ ২৫৫)
﴿ يَوْمَ يَأْتِ لَا تَكَلَّمُ نَفْسٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ ﴾ (سورة هود : ١٠٥)
অর্থঃ "যেদিন তা আসবে সেদিন আল্লাহ্র অনুমতি ব্যতীত কেউ কোন কথা বলতে পারবে না।" (সূরা হুদঃ ১০৫)
টিকাঃ
126-আল লুলু ওয়াল মারযান, খঃ১, হাদীস নং-১১৮。
127 - কিতাবুল ঈমান বাব ইসবাতুস্সাফায়া (২/১৯৮৪)
128 - আবওয়াব সিফাতুল কিয়ামা, বাব মাযায়া ফিশ্মশাফায় (২/১৯৮৪)
129 - আল লুলু ওয়াল মারযান, খঃ১, হাদীস নং-১১৯。
130-আবওয়াবুষযুহদ, বাব যিকরুশশাফায়া (২/৩৪৭৯)।
131 - কিতাবুর রিকাক, বাব সিফাতুল জান্না ওয়ান্নার。
132-আবওয়াব সিফাতুল কিয়ামা, বাব মাযায়া ফিশাফায়。
133-কিতাবুল ঈমান বাব ইসবাতু রুইয়াতুল মুমেনীনা ফিল আখেরা রাব্বাহুম,。
1.34 -আবওয়াবুল জিহাদ, বাব ফযলুশুহাদা ফি সাবীলিল্লাহ্ (২/২২৫৭)
135 - আল হুলু ওয়াল মারযান, খঃ১, হাদীস নং-১১৫。
136 - মহিউদ্দীন আদিব লিখিত আত তারগিব ওয়াত তারহিব, খঃ৪ হাদীস নং- (৫৩৩৬)
137-আলবানী লিখিত সহীহ আত্তারগিব ওয়াত্তারহিব হাদীস নং-৯৩৭。
138-কিতাব ফাযায়েল কোরআ'ন, বাব ফাযায়েল তেলওয়াতিল কোরআ'ন ওয়া সূরাতুল বাকারা。
139-মাজমাউয্যাওয়ায়েদ, কিতাবুল বা'স, বাব ফিশাফায়। (১০/১৮৫৫১)
140 - কিতাবুল ঈমান, বাব বায়ান কাওনি হাযিহিল উম্মা নিসফ আহলিল জান্না)
141 - মহিউদ্দীন আদিব লিখিত আত তারগিব ওয়াত্ তারহিব, খঃ৪ হাদীস নং- (৫৩৩৮)
142-কিতাবুল ঈমান, বাব ইখতেবাউন্নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাওয়াতাহু শাফায়াতান লিল উম্মা。