📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের আসল অর্থ

📄 ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের আসল অর্থ


ইবনুল মুবারক -কে জিজ্ঞেস করা হলো, 'আপনি নামাজ পড়ার পর আমাদের সাথে বসেন না কেন?' তিনি বললেন, 'আমি সাহাবি ও তাবিয়িগণের সাথে বসি। তাঁদের কিতাব ও জীবনচরিত পড়ার মাধ্যমে তাঁদের সাথে সময় কাটাই। তা ছাড়া তোমাদের সাথে বসে কী করব? তোমরা তো মানুষের গিবত করো।'১২২
বন্ধুর সাথে চুটিয়ে আড্ডা দেওয়া বা হাসি-কৌতুক করা ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব নয়। বরং বন্ধুর উপস্থিতিতে তনুমন প্রশান্ত ও আনন্দিত হওয়া এবং অনুপস্থিতিতে অস্থিরতা অনুভব করাই হলো ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ বন্ধুত্বের আলামত। যার ব্যাপারে তোমার এ অনুভূতি হয়, সেই তোমার ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ বন্ধু। যদিও দীর্ঘদিন পরপর তার সাথে দেখা হোক।
শাবিব বিন শাইবা বলেন, 'আমার বন্ধুদের মধ্যে কিছু বন্ধু এমন রয়েছে, যারা আমার নিকট বছরে একবার আসে। তারাই আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং তাদের আমি খুব ভালোবাসি। আর কিছু বন্ধু আছে, তারা প্রতিদিন আমার কাছে আসে এবং তাদের সাথে প্রতিদিন আড্ডা দিই। কিন্তু যদি সম্ভব হতো, আমি এদের আমার নিকট আসতে নিষেধ করতাম।'১২৩

টিকাঃ
১২২. আস-সিয়ার: ৮/৩৯৮
১২৩. আল-আজলাহ: ৪৫

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 নিজের ক্ষতি করে বন্ধুত্বের সকল দাবি আদায় করা জরুরি নয়

📄 নিজের ক্ষতি করে বন্ধুত্বের সকল দাবি আদায় করা জরুরি নয়


মানুষ বন্ধুত্বের আবদার পূরণ করতে গিয়ে অনেক সময় নিজের ক্ষতি ডেকে আনে। সালাফ এ থেকে বাঁচার পথ বাতলে দিয়েছেন।
ইমাম শাফিয়ি ইউনুস বিন আব্দুল আ'লা -কে বলেন, 'হে আবু মুসা, তুমি কখনো মানুষের পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবে না। তাদের সকল আবদার পূরণ করাও প্রায় অসম্ভব। সুতরাং তোমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব ততটুকুই করো। এর অতিরিক্ত করতে গিয়ে নিজের ক্ষতি কোরো না। বাকি অংশের ভার তাদের ওপরই ছেড়ে দাও।'১২৪
হে ভাই, সুফইয়ান সাওরি-এর কথাটি ভুলে যেয়ো না। তিনি বলেন, 'কোনো ব্যক্তির বন্ধু বেশি থাকা তার দ্বীনের দুর্বলতার লক্ষণ।'
আবু সুলাইমান সুফইয়ান সাওরি-এর কথাটির ব্যাখ্যায় বলেন, 'তার কথার মর্ম হলো, দ্বীনের ব্যাপারে ছাড় দিয়ে বন্ধুদের সাথে মজা করতে পারলেই বন্ধুদের সংখ্যা বাড়ে। কারণ কেউ যদি দ্বীনের সকল অনুশাসনের ওপর অটল থাকে, তখন বন্ধু হিসেবে সে কেবল দ্বীনদার লোকদেরই পায়— সমাজে যাদের সংখ্যা খুবই কম। ফলস্বরূপ, দ্বীনদার লোকদের বন্ধু কম হয় এবং অন্যদের বন্ধু বেশি হয়। এ জন্যই তিনি বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির বন্ধু বেশি থাকা তার দ্বীনের দুর্বলতার লক্ষণ।”'১২৫
মালিক বলেন, 'পাখি যেমন কয়েক প্রজাতির আছে, তেমনই স্বভাব-চরিত্রের দিক দিয়ে মানুষও কয়েক প্রজাতির আছে। কবুতর কবুতরের সাথে, কাক কাকের সাথে, হাঁস হাঁসের সাথে, চড়ুই পাখি চড়ুই পাখির সাথে... এভাবে পাখিরা সখ্যতা পাতে। অনুরূপভাবে মানুষও তার স্বভাব-চরিত্রের সাথে মিল আছে—এমন লোকদের সাথেই বন্ধুত্ব করে।'১২৬

টিকাঃ
১২৪. আল-আজলাহ: ৭৯
১২৫. আল-আজলাহ: ৪৪
১২৬. রওজাতুল উকালা: ১০৯

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 জীবনঘনিষ্ঠ কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ

📄 জীবনঘনিষ্ঠ কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ


এখানে সৃষ্টিকুলের সাথে জীবনযাপন ও ওঠাবসা-সম্পর্কিত কিছু আদব ও শিষ্টাচার উল্লেখ করা হয়েছে, যার সবটুকুই বিভিন্ন দার্শনিকের কথা থেকে চয়ন করা হয়েছে।
যদি সকল মানুষের সাথে উত্তম ও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে চাও, তাহলে-
• বন্ধু-শত্রু নির্বিশেষে সবার সাথে হাসিমুখে দেখা-সাক্ষাৎ করবে।
• চেহারায় তাদের প্রতি ঘৃণা ও ভয়ের ছাপ রাখবে না।
• তাদের যথাযথ সম্মান করবে।
• নম্রতা অবলম্বন করবে।
• সকল বিষয়ে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবে। কারণ মধ্যম পন্থার উভয় পার্শ্ব—বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি সমানভাবে নিন্দনীয়।
• কোথায় কী ঘটছে, কার সাথে কী হচ্ছে, কে কী করছে—সব বিষয় জানার চেষ্টা করবে না।
• মানুষের দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করে বেড়াবে না।
• মানুষের সামনে বসলে বা নামাজে দাঁড়ালে আঙুল ফোটানো, দাড়ি নিয়ে খেলা করা, দাঁত খিলাল করা, নাকে আঙুল প্রবেশ করানো, ঘনঘন থুথু বা পিক ফেলা, ঘনঘন আড়মোড়া ভাঙা ও হাই তোলা... এসব দৃষ্টিকটু কাজ থেকে বিরত থাকবে। কারণ এসব কাজ মানুষের অন্তরে তোমার প্রতি ঘৃণা ও অবজ্ঞাবোধ সৃষ্টি করবে।
• তোমার মজলিস যেন হয় শান্তিপূর্ণ এবং কথাবার্তা যেন হয় গোছালো।
• কেউ সুন্দর কোনো কথা বললে তা মনোযোগ দিয়ে শুনে যাবে শুধু। 'বাহ! বেশ সুন্দর কথা তো! এমন কথা তো জীবনেও শুনিনি'—টাইপের অত্যুক্তি করে বক্তার প্রতি অতিরিক্ত মুগ্ধতা প্রকাশ করবে না। কথাটি দ্বিতীয়বার বলারও আবদার করবে না।
• কেউ কৌতুক করলে বা রসপূর্ণ কোনো গল্প শোনালে 'হা হা হা হা...' করে পুরা মুখ খুলে দিয়ে অট্টহাসি দেবে না।
• মানুষের সামনে নিজের ছেলেমেয়ের প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করবে না। নিজের কাব্যিক প্রতিভা, রচনAdসক্ষতা ও অন্যান্য গুণের কথা মানুষের সামনে বলবে না।
• মেয়েদের মতো অতিরিক্ত সাজগোজ করবে না এবং গোলামের মতো একেবারে জীর্ণশীর্ণও থাকবে না।
• মুখে অতিরিক্ত সুরমা লাগানো ও মাথায় অতিরিক্ত তেল মাখা থেকে বিরত থাকবে।
• কারও নিকট নিজের প্রয়োজন পূরণ করার জন্য উপর্যুপরি আবেদন করে তাকে বিরক্ত করবে না।
• কোনো মানুষের সাথে, এমনকি নিজ স্ত্রী ও সন্তানদের সাথেও নিজের মালিকানাধীন গোলামের মতো ব্যবহার করবে না। কারণ, তুমি যদি তাদের ছোট মনে করো, তখন তুমিও তাদের সামনে ছোট হয়ে পড়বে। তোমার প্রতি তারা কখনো সন্তুষ্ট হতে পারবে না।
• প্রয়োজনে স্ত্রী-সন্তানদের ভয় দেখাবে, শাসাবে; তবে এ ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করবে না।
• তাদের সাথে নম্র ও কোমল ব্যবহার করবে, তবে লক্ষ রাখবে, তোমার কোমলতাকে যেন তারা দুর্বলতা মনে না করে।
• গোলাম-বাঁদি ও চাকর-চাকরানিদের সাথে ঠাট্টা-মশকরা করবে না। এতে তোমার ভীতি ও সম্মান কমে যাবে।
• ঝগড়া করার সময় জবান সংযত রাখবে। কারণ জবানের লাগাম ছেড়ে দিলে তোমার মূর্খতাই প্রকাশ পাবে।
• ঝগড়া-বিতর্কের সময় খুব চিন্তা-ভাবনা করে দলিল উপস্থাপন করবে। এদিক সেদিক হাত ছোড়াছুড়ি করবে না। পেছনের লোকের দিকে বারবার ফিরে তাকাবে না। হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে বসবে না। রাগ বেশি হলে প্রশমিত হওয়া পর্যন্ত কথা বলবে না।
• কোনো বাদশাহ বা উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যদি তোমাকে তার নিকটে বসায় বা তোমার প্রতি হাদিয়া প্রেরণ করে, তখন আনন্দিত হবে না। কারণ যেকোনো সময় তোমার ব্যাপারে তার অবস্থান বদলাতে পারে। তার সামনে নম্র ভাষায় কথা বলবে এবং তার স্বপক্ষে কথা বলবে। তবে তার স্বপক্ষে বলতে গিয়ে যদি আল্লাহর কোনো বিধান লঙ্ঘিত হয় বা কারও প্রতি অবিচার হয়, তখন অবশ্যই বুক চিতিয়ে তার বিরোধিতা করতে হবে।
রাজা-বাদশাহদের সাথে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ককে পারিবারিক সম্পর্কে উন্নীত করবে না। কারণ অনেক সময় এর পরিণতি সুখকর হয় না।
স্বার্থপর বন্ধু থেকে দূরে থাকবে, কারণ সে প্রাণঘাতি শত্রুর চেয়েও ভয়ংকর।
ধন-সম্পদকে ইজ্জত-সম্মানের চেয়ে অধিক গুরুত্ব দেবে না এবং ধন-সম্পদের জন্য ইজ্জত-সম্মান নষ্ট করবে না।
কোনো মজলিসে প্রবেশ করলে প্রথমে সালাম দেবে। লোকদের গর্দান মাড়িয়ে আগে যাওয়ার চেষ্টা করবে না। বরং যেখানে জায়গা পাবে সেখানেই বসে পড়বে। মজলিসে যার পাশে বসবে, তাকে বিশেষভাবে সালাম করবে।
কখনো রাস্তার ওপর বসবে না। কোনো প্রয়োজনে বসতে হলে রাস্তার সকল আদব বজায় রাখতে হবে। রাস্তার কতিপয় আদব হলো, দৃষ্টি সংযত রাখা, মজলুমের সহযোগিতা করা, দুর্বলের সাহায্য করা, বিপদগ্রস্তের সহায়তা করা, পথহারাকে পথ চিনিয়ে দেওয়া, কেউ সালাম দিলে তার জবাব দেওয়া, ভিক্ষুকদের দান করা, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা, নির্ধারিত স্থানে থুথু ফেলা, কিবলার দিকে ও নিজের ডানদিকে থুথু না ফেলে বামদিকে অথবা নিচের দিকে থুথু ফেলানো ইত্যাদি।
পারতপক্ষে রাজা-বাদশাহদের সাথে বসবে না। যদি কখনো বসতে হয়, তাহলে তার আদব রক্ষা করবে। তাদের সাথে বসার আদব হলো, কারও গিবত না করা, মিথ্যা না বলা, গোপন বিষয় প্রকাশ না করা, তাদের সামনে নিজের প্রয়োজনের কথা তুলে না ধরা, গুছিয়ে কথা বলা, সরাসরি তাদের নাম না নিয়ে সর্বনাম ব্যবহার করা, রাজা-বাদশাহদের উত্তম আখলাক সম্পর্কে আলোচনা করা, তাদের সাথে হাসি-ঠাট্টা কম করা এবং নিজের ব্যাপারে অধিক সতর্ক থাকা—যদিও তোমার প্রতি খুব আন্তরিকতা প্রদর্শন করুক। এ ছাড়াও আরও কয়েকটি আদব হলো, তাদের সামনে ঢেকুর তুলবে না। খাবার শেষ হওয়ার পর তাদের নিকট বসে থাকবে না। একটা বিষয় খুব মনে রাখবে, রাজা-বাদশাহরা সবকিছু সহ্য করতে পারে, কিন্তু রাজ্যের কোনো গোপন বিষয় প্রকাশ করা একদমই সহ্য করতে পারে না।
পারতপক্ষে সাধারণ মানুষের সাথে বসবে না। যদি কখনো বসো, তখন তার আদব রক্ষা করতে হবে। তার আদব হলো, তাদের আলাপচারিতায় জড়াবে না। তাদের ব্যক্তিগত কথাবার্তার প্রতি তেমন মনোযোগ দেবে না। তাদের মুখ থেকে যেসব খারাপ কথা বের হয়, তা এড়িয়ে যাবে। তাদের নিকট নিজের প্রয়োজনের জন্য যাবে না।
জ্ঞানী আর নির্বোধ—কারও সাথেই অধিক হাসি-ঠাট্টা করবে না। কারণ এতে জ্ঞানীর মনে তোমার প্রতি ঘৃণা জন্মাবে আর নির্বোধের মন থেকে তোমার ভীতি ও মর্যাদা কমে যাবে। এ ছাড়াও অধিক হাসি-ঠাট্টা মানুষের ব্যক্তিত্বকে নষ্ট করে এবং চেহারা থেকে গাম্ভীর্যভাব দূর করে দেয়। নির্বোধকে তার প্রতি সাহসী করে তোলে। অন্তর মেরে ফেলে। প্রশাসক ও রাজা-বাদশাহদের সামনে তার ব্যক্তিত্বকে হালকা করে দেয়। অন্তর থেকে আল্লাহভীতি চলে যায়। গাফিলতি ও উদাসীনতা সৃষ্টি হয়। অন্তর অন্ধকার হয়ে পড়ে—যার কারণে অপরাধপ্রবণতা ও গুনাহ বৃদ্ধি পায়। বলা হয়ে থাকে, 'বোকামি ও নির্বুদ্ধিতাই মানুষকে হাসি-ঠাট্টা ও কৌতুকের প্রতি ধাবিত করে।' তবুও প্রত্যেক মজলিসে কোনো না কোনো হাসি-ঠাট্টা হয়ে যায়, এ জন্য প্রত্যেক মজলিস থেকে ওঠার পূর্বে এর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হয়। রাসুল ﷺ ক্ষমা চাওয়ার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন:
مَنْ جَلَسَ فِي مَجْلِسٍ فَكَثُرَ فِيهِ لَغَطُهُ، فَقَالَ قَبْلَ أَنْ يَقُومَ مِنْ مَجْلِسِهِ

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 পরিশিষ্ট

📄 পরিশিষ্ট


পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধুযুগলের গল্প বলে বইটি শেষ করতে যাচ্ছি। হ্যাঁ, পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধুযুগল ছিলেন রাসুল ও আবু বকর সিদ্দিক। তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল খুবই গভীর ও নির্ভেজাল। দাওয়াতের কঠিন মুহূর্তে, হিজরতের বিপদসংকুল পথে, রক্তক্ষয়ী জিহাদের ময়দানে—সব সময় সবখানে আবু বকর রাসুল -এর সাথে ছায়ার মতো লেগে থাকতেন। নিজের জান ও মাল কুরবান করে দিয়েছেন রাসুল -এর কথায়। তাঁর আনীত দ্বীন ইসলামের স্বার্থে। তাঁর প্রিয় মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে। এমনই ছিল তাঁদের বন্ধুত্ব। একাধিক হাদিসে রাসুল তাঁর প্রতি আবু বকর -এর ভালোবাসার বর্ণনা দিয়েছেন। এক হাদিসে ইরশাদ করেন:
مَا نَفَعَنِي مَالُ قَطُّ، مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ
'আবু বকরের সম্পদ দ্বারা আমার যে পরিমাণ উপকার হয়েছে, অন্য কোনো সম্পদ দ্বারা সে পরিমাণ উপকার হয়নি।'১২৮
অন্য এক হাদিসে ইরশাদ করেন :
إِنَّ أَمَنَّ النَّاسِ عَلَيَّ فِي صُحْبَتِهِ وَمَالِهِ أَبُو بَكْرٍ
'সঙ্গ ও সম্পদের মাধ্যমে আমাকে যিনি সবচেয়ে বেশি উপকার করেছেন, তিনি হচ্ছেন আবু বকর।'১২৯
পরিশেষে আল্লাহর নিকট কায়মনোবাক্যে মিনতি করি, তিনি যেন আমাদের সবাইকে একমাত্র তাঁর জন্য পরস্পরকে ভালোবাসার তাওফিক দান করেন এবং আমাদের সকলকে স্ত্রী, সন্তানসন্ততি ও আত্মীয়-স্বজনসহ চিরশান্তির জান্নাতে একত্র করেন। আমিন।

টিকাঃ
১২৮. সুনানু ইবনি মাজাহ : ৯৪
১২৯. সহিহুল বুখারি : ৪৬৬, সহিহু মুসলিম: ২৩৮২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00