📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 বন্ধুর ভুল ধরিয়ে দিতে হবে গোপনে

📄 বন্ধুর ভুল ধরিয়ে দিতে হবে গোপনে


দুনিয়া হলো ভুল-ভ্রান্তি আর স্খলনের জায়গা। সুতরাং তোমার বন্ধুর ভুল হওয়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সে কখনো দ্বীনের ক্ষেত্রে ভুল করবে, আবার কখনো বন্ধুত্বের হক আদায়ের ক্ষেত্রে তার পদস্খলন ঘটবে। যদি সে দ্বীনের ক্ষেত্রে ভুল করে এবং কোনো অপরাধকর্মে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তুমি তার জন্য উত্তম নসিহতকারী হবে এবং হিকমতপূর্ণ পন্থায় তাকে ভুল থেকে ফিরিয়ে সঠিক পথে আনার চেষ্টা করবে। আবারও বলছি, বন্ধুকে সতর্ক করতে হবে অবশ্যই হিকমতপূর্ণ পন্থা ও উত্তম নসিহতের মাধ্যমে। সুফইয়ান সাওরি বলেন, 'আমি সা'দ বিন কিদাম-কে বললাম, “কেউ আপনার দোষ-ত্রুটি ধরিয়ে দিক, তা কি আপনি পছন্দ করেন?” তিনি উত্তরে বললেন, “যদি নসিহতকারীর পক্ষ থেকে হয়, তাহলে তা অবশ্যই পছন্দ করি। আর যদি তিরস্কারকারীর পক্ষ থেকে হয়, তবে তা পছন্দ করি না।”৯২
ইমাম শাফিয়ি বলেন:
تعمدني بنصحك في انفرادي * وجنبني النصيحة في الجماعة
فإن النصح بين الناس نوع * من التوبيخ لا أرضى استماعه
فإن خالفتني وعصيت قولي * فلا تجزع إذا لم تعط طاعة
'যদি তুমি আমাকে নসিহত করতে চাও, তবে নির্জনে নসিহত কোরো। জনসম্মুখে নসিহত কোরো না। জনসম্মুখে নসিহত করা তিরস্কারের আধুনিক সংস্করণ। আর তিরস্কার শুনতে কারোই ভালো লাগে না। আমার অনুরোধটি যদি রাখতে না পারো, তাহলে তোমার কথা না মানার কারণে আমার প্রতি মনঃক্ষুণ হোয়ো না।'
একদা আবু দারদা এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যে সদ্য একটি গুনাহের কাজ করেছে। সেই গুনাহের কারণে লোকেরা তাকে তিরস্কার করছিল। আবু দারদা বললেন, 'এই লোকটা যদি কোনো কূপে পড়ে যেত, তোমরা কি তাকে তুলে নিতে না?' তারা বলল, 'অবশ্যই তুলে নিতাম।' তিনি বললেন, 'তাহলে তোমাদের ভাইকে তিরস্কার করো না। বরং এই গুনাহ থেকে তোমাদের বিরত রাখার ওপর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করো।' লোকেরা বলল, 'আমরা কি তাকে ঘৃণাও করতে পারব না?' তিনি বললেন, 'এখানে তার কর্মটিই ঘৃণার যোগ্য। যদি সে কাজটি ছেড়ে দেয়, তখন সে তোমাদেরই ভাই।'৯০
সালাফের দুই ভাই সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তাদের একজন হকের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছিলেন। তখন অপর ভাইকে বলা হলো, 'আপনি কি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন না?' তিনি উত্তর দিলেন, 'এই মুহূর্তেই তো তার সাথে থাকা বেশি জরুরি, যেন তাকে উত্তম ও সুন্দর ভাষায় নসিহত করে সত্যের পথে ফিরিয়ে আনতে পারি।'৯৪
আবু হাতিম বলেন, 'মানুষের বুদ্ধিমত্তার দাবি হলো, উত্তম আচরণ অবলম্বন এবং মন্দ স্বভাব পরিত্যাগের মাধ্যমে লোকদের নিকট প্রিয় হওয়া। কারণ উত্তম আচরণ মানুষের পাপসমূহ এমনভাবে গলিয়ে দেয়, যেভাবে সূর্যরশ্মি বরফকে গলিয়ে দেয়। অনুরূপভাবে খারাপ স্বভাব মানুষের নেক আমলসমূহ এমনভাবে নষ্ট করে দেয়, যেভাবে বিষ মধুকে নষ্ট করে দেয়। কোনো মানুষের মধ্যে যদি অনেকগুলো ভালো গুণের সাথে একটিমাত্র খারাপ স্বভাব থাকে, তাহলে সেই একটি খারাপ স্বভাবই সকল ভালো গুণকে নষ্ট করে দেবে।'৯৫
অনুগ্রহশীল ও কল্যাণকামী বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। ইয়াহইয়া বিন মুআজ বলেন, 'সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু, যে তোমার দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে তোমাকে অবগত করে এবং গুনাহের কাজ থেকে সতর্ক করে।'
আমাদের সালাফ জনসম্মুখে কারও ভুল ধরতেন না এবং কাউকে উপদেশ দিতেন না। যদি একান্তই কখনো কাউকে জনসম্মুখে উপদেশ দেওয়ার প্রয়োজন হতো, তখন খুবই সতর্কতার সাথে উত্তম ও কোমল ভাষায় উপদেশ দিতেন। একবার আলি বিন হুসাইন মসজিদে যাওয়ার জন্য বের হলেন। পথে এক লোক তাকে গালি দিল। তখন লোকজন তার ওপর হামলে পড়লে তিনি বললেন, 'তাকে ছেড়ে দাও।' অতঃপর লোকটিকে বললেন, 'আমার কোনো দোষের কারণেই তো আমাকে গালি দিয়েছ। কিন্তু এ ছাড়াও আমার অনেক দোষ আছে, যা সম্পর্কে তুমি জানো না। সেসব জানতে ইচ্ছে হলে বলো; আমি বলতে প্রস্তুত।' তখন লোকটি ভীষণ লজ্জা পেল। অতঃপর হুসাইন তার নিকট যা ছিল, তা লোকটিকে দিয়ে দিলেন এবং আরও এক হাজার দিরহাম দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিলেন।'৯৬
হাবিব আল-জাল্লাব বলেন, 'আমি ইবনুল মুবারক-কে জিজ্ঞেস করলাম, “মানুষের নিকট আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে বড় নিয়ামত কী?” তিনি বললেন, “তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা।” আমি বললাম, এটা না থাকলে?” তিনি বললেন, “উত্তম চরিত্র।” আমি বললাম, “এটা না থাকলে?” তিনি বললেন, “উত্তম বন্ধু-যে তাকে সঠিক পরামর্শ দেয়।” আমি বললাম, “তাও না থাকলে?” তিনি বললেন, “চুপ থাকা।” আমি বললাম, “এটাও না থাকলে?” তিনি বললেন, “দ্রুত মৃত্যুবরণ করা।””৯৭
সালাফ কাউকে উপদেশ দেওয়ার ইচ্ছা করলে গোপনে উপদেশ দিতেন। এ সম্পর্কে জনৈক সালাফ বলেন, 'গোপনে উপদেশ দেওয়াই মূলত উপদেশ। জনসম্মুখে উপদেশ দেওয়া তিরস্কারের অন্তর্ভুক্ত।'
ফুজাইল বিন ইয়াজ নসিহতকারী ও তিরস্কারকারীর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে গিয়ে বলেন, 'মুমিন তার ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে এবং অগোচরে উপদেশ দেয়; আর ফাসিক তা সবার সামনে প্রকাশ করে তাকে লজ্জা দেয়।'৯৮
আবু দারদা বলেন, 'বন্ধুকে ভর্ৎসনা করতে গিয়ে তাকে চিরতরে হারিয়ে ফেলো না। তার মতো বন্ধু আর নাও পেতে পারো। সুতরাং তাকে উত্তম ও কোমল ভাষায় উপদেশ দাও। তার ব্যাপারে কোনো হিংসুকের কান-কথায় কান দিয়ো না; তখন তুমিও হিংসুকে পরিণত হবে। অন্যথায় সে মরে গেলে তোমার কান্না করার কোনো অধিকার নেই। কারণ তুমি তো সে জীবিত থাকতেই তার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেছ।'৯৯

টিকাঃ
৯২. হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/২১৭
৯৩. সিফাতুস সাফওয়াহ: ১/৬৪০, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ১/২২৫
৯৪. আল-ইহইয়া: ২/২০০
৯৫. রওজাতুল উকালা: ৬৪
৯৬. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ৯/১১৮
৯৭. আস-সিয়ার: ৮/৩৯৭
৯৮. জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম: ৭৭
৯৯. সিফাতুস সাফওয়াহ: ১/৩৬৪

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 মানুষ চার প্রকার

📄 মানুষ চার প্রকার


নাহব শাস্ত্রবিদ খলিল বিন আহমাদ বলেন, মানুষ চার প্রকার: ১. যে ব্যক্তি জানে, কিন্তু সে যে জানে, তা সে জানে না। এ ব্যক্তি গাফিল, সুতরাং তাকে সতর্ক করো। ২. যে ব্যক্তি কিছুই জানে না, তবে সে যে জানে না, তা সে জানে। এ ব্যক্তি মূর্খ, সুতরাং তাকে শিক্ষা দাও। ৩. যে ব্যক্তি জানে এবং এটাও জানে যে, সে জানে। এ ব্যক্তি জ্ঞানী, সুতরাং তার অনুসরণ করো। ৪. যে ব্যক্তি জানে না, কিন্তু সে যে জানে না, তাও সে জানে না। এ ব্যক্তি গণ্ডমূর্খ, সুতরাং তার থেকে সতর্ক থাকো।'১০০
যারা প্রকৃত নসিহতকারী, তারা অন্যের নসিহত অকুণ্ঠচিত্তে মেনে নেয়। এক লোক ইমাম আবু হানিফা -কে উপদেশ দিয়ে বললেন, 'আল্লাহকে ভয় করুন।' এ কথা শুনে তিনি কেঁপে উঠলেন। চেহারা হলুদ বর্ণের হয়ে গেল। তিনি মাথা নিচু করে বললেন, 'আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। মানুষ সর্বদাই এমন ব্যক্তির মুখাপেক্ষী, যে তাকে এ ধরনের কথা বলে।'১০১
হকের উপদেশ ছোটজন বড়জনকে, বড়জন ছোটজনকে, এক আলিম অন্য আলিমকে—এভাবে যে কেউ যে কাউকে দিতে পারে।
ইবরাহিম বিন আদহাম সুফইয়ান সাওরি -এর প্রতি চিঠি লেখেন, 'যে ব্যক্তি তার উদ্দেশ্যকে ভালোভাবে চেনে, সে তা অর্জনের পেছনে ব্যয় করতে কার্পণ্য করে না। যে ব্যক্তি তার দৃষ্টিকে লাগামহীন ছেড়ে দেয়, তার আফসোস বৃদ্ধি পায়। যে ব্যক্তি আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মজে থাকে, তার আমল খারাপ হয়। আর যে ব্যক্তি তার জবানকে সংযত রাখে না, সে তিলে তিলে নিজের জীবনকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়।'
ইমাম শাফিয়ি বলেন, 'তিনটি আমল খুব দামি। ১. ধন-সম্পদ কম থাকা সত্ত্বেও দান করা। ২. নির্জন অবস্থায় আল্লাহকে ভয় করা। এবং ৩. এমন মানুষের সামনে বুক চিতিয়ে সত্য কথা বলা, যার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা থাকে অথবা যাকে মানুষ ভয় পায়।'১০২

টিকাঃ
১০০. তাজকিরাতুল হুফফাজ: ৩/৭৮৮
১০১. আস-সিয়ার: ৬/৪০০
১০২. জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম: ১৯৫

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 প্রকৃত মুমিনের পুরো জীবন ইবাদতে কাটে

📄 প্রকৃত মুমিনের পুরো জীবন ইবাদতে কাটে


প্রকৃত মুমিনের জীবনের পুরো অংশ আল্লাহর আনুগত্য ও ইবাদতে কাটে। হাতিম আল-আসম্ম বলেন, 'প্রতিদিন সকালে শয়তান আমাকে বলে, “কী খাবেন? কী পরবেন? কোথায় থাকবেন?" আমি উত্তর দিই, "আমি মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করব; কাফন পরিধান করব এবং কবরে বসবাস করব।"১০৩
রাবি বিন খুসাইম সকাল বেলা বলতেন, 'শুভ সকাল, আল্লাহর ফেরেশতাগণ! আমি আমল শুরু করেছি—বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার... আপনারা আমলের সাওয়াব লিখতে শুরু করুন।' অর্থাৎ ঘুম থেকে উঠেই তিনি সারাদিন আমল করার বার্তা দিয়ে দিতেন।
উরওয়াহ বিন জুবাইর তাঁর সন্তানদের নসিহত করে বলেন, 'তোমরা যখন কাউকে কোনো ভালো আমল করতে দেখবে, তখন মনে করবে, এ ছাড়াও তার আরও ভালো আমল রয়েছে। আর যখন কাউকে খারাপ আমল করতে দেখবে, তখন মনে করবে, এ ছাড়াও তার আরও খারাপ আমল রয়েছে। কারণ একটি ভালো আমল অনেকগুলো ভালো আমলের অস্তিত্বের জানান দেয়। একইভাবে একটি খারাপ আমল তার মতো আরও অনেক খারাপ আমলের অস্তিত্বের প্রমাণ বহন করে।'১০৪
প্রিয় ভাই, এবার নিজেকে নিয়ে চিন্তা করো। তোমার আমল কি তোমার ভেতর ভালো আমল থাকার প্রমাণ বহন করছে, না খারাপ আমলের ভান্ডারের জানান দিচ্ছে?

টিকাঃ
১০৩. সিফাতুস সাফওয়াহ: ৪/১৬২
১০৪. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ৯/১১৫

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 জীবনের একটি ক্ষণও যেন অহেতুক কর্মে ব্যয় না হয়

📄 জীবনের একটি ক্ষণও যেন অহেতুক কর্মে ব্যয় না হয়


জীবন আপন গতিতে বয়ে চলেছে। বিরতিহীনভাবে শেষ হচ্ছে জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড, প্রতটি মিনিট। সুতরাং জীবনের প্রতিটি ক্ষণ ও প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। অহেতুক কাজ করে বা বেফায়দা কথা বলে জীবনের কোনো ক্ষণ অতিবাহিত করা উচিত নয়। সাইদ বিন আব্দুল আজিজ বলেন, 'ভালো কথা বলা ও চুপ থাকা—এ দুই বিষয় ব্যতীত জীবনে আর কোনো কল্যাণকর বিষয় নেই।'১০৫
তার মানে এ নয় যে, মুসলমান সারাজীবন গোমড়া মুখে মুড নিয়ে বসে থাকবে। বরং সে বন্ধুদের সাথে খোশগল্প করবে, তাদের সাথে দুঃখ-বেদনা শেয়ার করবে, হাসি-আনন্দ ও ঠাট্টা-বিনোদন করবে। তবে সবকিছু হতে হবে শরীয়ত-নির্ধারিত শর্তাবলি অনুসরণ করে এবং সীমিত পর্যায়ে। মোটেই সীমালঙ্ঘন করা যাবে না। কারণ হাসি-কৌতুককারী ও বিনোদনদাতাদের কোনো প্রয়োজন ইসলামে নেই। ইসলাম দৃঢ়চিত্ত ও শক্ত মনোবলের লোকদের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, যারা তাদের সময়কে ইলম অন্বেষণ, দ্বীনের দাওয়াত, জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ, সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ—এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত রাখে। অধিকন্তু, যারা অতিরিক্ত হাসি-ঠাট্টা করে, তারা নিজেদের প্রতি ও নিজেদের দ্বীনের প্রতি জুলুম করে। যারা রাসুল -এর সুন্নাত অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে চায়, তারা সীমিত পরিমাণে হাসি-কৌতুক করে। এটা রাসুল -এর অন্যতম সুন্নাতও বটে। তবে প্রফেশনাল বিনোদনশিল্পী হওয়া কিংবা মানুষকে বিনোদিত করার জন্য সব সময় হাসি-কৌতুক করা ও এতে সীমালঙ্ঘন করা অনেক বড় অপরাধ। এর জন্য রাসুল -এর হাসি-কৌতুক-সম্পর্কিত হাদিসসমূহকে দলিল বানানো নিতান্তই বোকামি। তিনি যা করেছেন, তা সীমিত পর্যায়ে। এ ক্ষেত্রে মোটেও সীমালঙ্ঘন তিনি করেননি।১০৬

টিকাঃ
১০৫. তাজকিরাতুল হুফফাজ: ১/২১৯
১০৬. তাহজিবু মাওইজাতিল মুমিনিন

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00