📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 পুণ্যবান লোকের সাথে বন্ধুত্বের সুফল

📄 পুণ্যবান লোকের সাথে বন্ধুত্বের সুফল


পক্ষান্তরে যে সম্পর্ক হয় দ্বীনের জন্য এবং যার ভিত্তি হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি; সে সম্পর্ক অনেক মজবুত ও স্থায়ী হয়। এখানে একজন গাফিল হলে অপরজন তাকে সতর্ক করে দেয়। একজন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিস্মৃত হয়ে পড়লে আরেকজন তাকে তাঁর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কারণ, এই সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে প্রত্যেকে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি কামনা করে; তাঁর নিকট প্রতিদানের আশা করে এবং পরস্পর ভালোবাসার মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য অর্জনের আশা করে।
প্রিয় ভাই আমার, যে ব্যক্তি তোমাকে আল্লাহর হক ও অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, তাঁর ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে এবং নাফরমানি থেকে নিষেধ করে, সেই হলো তোমার প্রকৃত বন্ধু। সেই হলো তোমার সবচেয়ে কাছের ও বিশ্বস্ত বন্ধু। বরং সে তোমার ওই সব বন্ধুর চেয়ে হাজারগুণ বেশি উত্তম, যারা তোমার প্রতি দয়া করে এবং আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে। কারণ দ্বীনের ব্যাপারে ইহসান ও সহযোগিতাই হলো, প্রকৃত ইহসান ও সহযোগিতা।
বিলাল বিন সা'দ বলেন, তোমার যে বন্ধু প্রতি সাক্ষাতে তোমাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং আল্লাহর ইবাদতের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে, সে তোমার ওই বন্ধুর চেয়ে উত্তম, যে প্রতি সাক্ষাতে তোমাকে এক দিনার করে দেয়। '৪৭
ভালো বন্ধু তোমাকে পরকালীন সফলতার পথ দেখাবে। ইবাদতের ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। তোমার সামনে কল্যাণের পথসমূহ উন্মুক্ত করে রাখবে। কারণ ভালো বন্ধুর মাঝে সর্বদা আল্লাহভীতি ও তাঁর অস্তিত্বের অনুভব জাগ্রত থাকে, যা তোমাকেও ছুঁয়ে যাবে।
ভালো ও পুণ্যবান লোকদের আল্লাহভীতি সম্পর্কিত একটি ঘটনা ফুজাইল বিন ইয়াজ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, 'তালহা বিন মুতাররিফ-এর ব্যাপারে আমি শুনেছি যে, একদিন তিনি কোনো কারণে খুব হাসলেন। তখন নিজেকে সম্বোধন করে বললেন, “তুমি হাসছ কেন? এভাবে হাসা তো কেবল তার পক্ষেই মানায়, যে কিয়ামতের ভয়াবহতা ও পুলসিরাত অতিক্রম করে জান্নাতের দরজায় পৌঁছে গেছে।” অতঃপর বললেন, “আমি কসম করছি যে, আমার চূড়ান্ত ফয়সালা সম্পর্কে যতদিন নিশ্চিত হব না, ততদিন পর্যন্ত হাসব না।” এরপর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সত্যিই তাকে কোনো দিন হাসতে দেখা যায়নি। '৪৮
প্রিয় ভাই, ভালো ও দ্বীনদার লোকদের সাথে বন্ধুত্ব করলে ইবাদতের পথ সুগম হয়। সত্যপথে অটল থাকার সাহস অর্জিত হয়। আখিরাতের সফরের পাথেয় সংগ্রহ করা সহজ হয়। এ জন্যই সালাফে সালিহিন সব সময় উত্তম ও দ্বীনদার লোকদের সাথে বন্ধুত্ব করা ও তাদের সংশ্রবে থাকার চেষ্টা করতেন।
ইবরাহিম আত-তাইমি বলেন, 'তুমি যদি কাউকে তাকবিরে উলার (ইমামের সাথে সাথে নামাজ শুরু করা) ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করতে দেখো, তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ কোরো না। '৪৯
ভালো ও দ্বীনদার লোকদের ভালোবাসা ও তাদের সংশ্রবে থাকা আবশ্যক। এ সম্পর্কে আব্দুল্লাহ বিন উমর বলেন, 'আল্লাহর শপথ করে বলছি, আমি যদি কোনো বিরতি না দিয়ে লাগাতার রোজা রাখি, বিশ্রাম না নিয়ে সারারাত সালাত আদায় করি এবং আল্লাহর রাস্তায় অঢেল সম্পদ খরচ করি, কিন্তু আমার অন্তরে ইমানদারদের প্রতি ভালোবাসা এবং বেইমানদের প্রতি ঘৃণা না থাকে—তাহলে মৃত্যুর পর এগুলো আমার কোনো কাজে আসবে না।'৫০
আমরা যাদের আল্লাহর জন্য ভালোবাসি, সেই সালাফের একটি নসিহত গভীরভাবে পড়ো। মুহাম্মাদ বিন ইউনুস বিন মুসা বলেন, 'আমি জুহাইর বিন নুআইম-কে বলতে শুনেছি যে, তাকে এক লোক বলল, “হে আবু আব্দুর রহমান, আপনি আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত করুন।” তখন তিনি নসিহত করলেন, “সতর্ক থাকবে, গাফিলতির অবস্থায় যেন তোমার মৃত্যু না আসে।""

টিকাঃ
৪৭. হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৫/২২৫
৪৮. হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৫/১৫
৪৯. হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৪/২১৫
৫০. আল-ইহইয়া: ২/১৭৫

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 সালাফের পারস্পরিক বন্ধুত্বের গভীরতা

📄 সালাফের পারস্পরিক বন্ধুত্বের গভীরতা


উত্তম চরিত্র ও সুন্দর গুণাবলি ভালো মানুষের বৈশিষ্ট্য। তেমনই একজন ভালো মানুষ হলেন ইয়াজিদ বিন আবু হাবিব। তিনি বলেন, 'আমি আমার কোনো বন্ধুকে আমার ওপর দুবার ক্রুদ্ধ হতে দিই না। কারণ (একবার ক্রুদ্ধ হওয়ার পর) আমি গভীরভাবে ভেবে দেখি, প্রথমবারে আমার কোন বিষয়টি সে অপছন্দ করেছে। অতঃপর তা পরিত্যাগ করি।'৫১
একদিন হাসান ঘুমাচ্ছিলেন। তখন তার কয়েকজন বন্ধু ঘরে প্রবেশ করে তার ফল খেয়ে ফেললেন। ঘুম থেকে উঠে তিনি বললেন, 'আল্লাহ তাআলা তোমাদের প্রতি রহম করুন। আল্লাহর কসম, এটাই তো বন্ধুদের কাজ।'৫২
ফাতাহ আল-মসুলি তার এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে দেখলেন, বন্ধু বাড়িতে নেই। তখন তিনি দাসীকে সিন্দুক খুলে দিতে বললেন। তারপর সিন্দুক থেকে প্রয়োজন পরিমাণ মাল নিয়ে চলে গেলেন। মনিব বাড়িতে ফিরলে দাসী তাকে ঘটনার বিবরণ শোনাল। তখন বন্ধু খুশি হয়ে বললেন, 'তোমার কথা যদি সত্য হয়, আজ থেকে তুমি মুক্ত।'
বর্তমান সময়ে এমন বন্ধুর উদাহরণ কোথায়?
আওজায়ি তার এক বন্ধুর নিকট চিঠি লিখলেন, 'সালাম নিবেদনের পর, নিশ্চয় গুনাহ তোমাকে চারপাশ থেকে বেষ্টন করে রেখেছে। রাত-দিন চব্বিশ ঘণ্টা তা তোমার সাথেই থাকে। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো। ভয় করো কিয়ামতের দিন তাঁর সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে এবং তোমার ব্যাপারে তাঁর সর্বশেষ ফয়সালাকে। ওয়াসসালামু আলাইকুম।'৫৩
প্রিয় মুসলিম ভাই, আমাদের সালাফ পরস্পর ভালো বন্ধু ছিলেন। তারা একে অপরকে সৎ কাজের প্রতি উৎসাহিত করতেন এবং উত্তম উপদেশ দিতেন। ভালো বন্ধু থাকার এটাই লাভ। এ জন্যই আলি বিন আবু তালিব বলেন, 'তোমরা অবশ্যই পুণ্যবান লোকদের বন্ধু বানাবে। কারণ তারা দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের সাহায্যকারী হবে। তোমরা কি জানো না?— জাহান্নামিরা উত্তম বন্ধু না থাকার ওপর আক্ষেপ করে বলবে, فَمَا لَنَا مِن شَافِعِينَ * وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ (অতএব, আমাদের কোনো সুপারিশকারী নেই। এবং কোনো সহৃদয় বন্ধুও নেই।৫৪)'৫৫

টিকাঃ
৫১. তাজকিরাতুল হুফফাজ: ১/১৩০
৫২. মিনহাজুল কাসিদিন: ১০৮
৫৩. হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৬/১৪০

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 বন্ধুর মাঝে দ্বীনদারি ও সচেতনতার সমন্বয় থাকতে হবে

📄 বন্ধুর মাঝে দ্বীনদারি ও সচেতনতার সমন্বয় থাকতে হবে


হ্যাঁ, ভালো ও পুণ্যবান বন্ধু আসলেই দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম সাহায্যকারী হয়। তবে বন্ধুটি পুণ্যবান হওয়ার পাশাপাশি আবু সুলাইমান দারানি-এর মতো সচেতনও হতে হবে—যিনি বলেন, 'আমি অনেক মানুষের মুখ থেকে অনেক সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম কথা শুনেছি, কিন্তু কুরআন ও সুন্নাহর দলিল বা সমর্থন ব্যতীত তার একটাও গ্রহণ করিনি।'৫৬
কারণ বন্ধু যদি এরকম সচেতন না হয়, তখন অনেক ভ্রান্ত ও বাতিল কথাকে দ্বীনি কথা মনে করে তোমাকে বলবে। তখন লাভের চেয়ে ক্ষতির পাল্লা ভারী হবে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন মাহফিল ও মজলিসে কুরআন-সুন্নাহর কথার চেয়ে অহেতুক গল্পগুজব ও হাসি-কৌতুক বেশি হয়। বরং কোনো কোনো মজলিসে কুরআন ও সুন্নাহকে নিয়ে মজা করা হয়, বিদ্রুপ করা হয়। আল্লাহ তাআলা এমন মজলিস থেকে আমাদের হিফাজত করুন।
সালাফ কারও সংশ্রবে যাওয়া বা কারও সাথে বন্ধুত্ব করার পূর্বে এতে কোনো দ্বীনি উপকার হবে কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নিতেন।
মালিক বিন দিনার মুগিরা বিন হাবিব -কে বলেন, 'হে মুগিরা, তোমার বন্ধুদের প্রতি তাকাও। তাদের মধ্য থেকে যার মাধ্যমে দ্বীনি কোনো উপকার হচ্ছে না, তার সঙ্গ ছেড়ে দাও।'৫৭

টিকাঃ
৫৪. সুরা আশ-শুআরা: ১০০-১০১
৫৫. আল-ইহইয়া: ২/১৭৫
৫৬. মাদারিজুস সালিকিন: ২/৪২
৫৭. আজ-জুহদ: ৪৪৯, সিফাতুস সাফওয়াহ: ৩/২৮৬

📘 পুণ্যবান বন্ধু জীবনসফরে উত্তম সহযাত্রী > 📄 তুচ্ছ কারণে বন্ধুত্ব ছিন্ন করা ঠিক নয়

📄 তুচ্ছ কারণে বন্ধুত্ব ছিন্ন করা ঠিক নয়


আসল কথা হলো, বন্ধুত্ব হোক বা আর যা-ই হোক, যেসব বিষয়ে দ্বীন নেই, তা তুচ্ছ ও গুরুত্বহীন। এসব বিষয়ের পেছনে সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব তা ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে দ্বীন ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের কারণে সম্পর্ক বিনষ্ট করা ঠিক নয়।
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, 'প্রত্যেক মতভেদের কারণে যদি দুই মুসলমানের সম্পর্ক ছিন্ন হতো, তাহলে মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বলতে কিছুই থাকত না।'৫৮
ফুজাইল বিন ইয়াজ বলেন, 'যে দোষ-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত বন্ধু খোঁজে, তাকে বন্ধু ছাড়াই থাকতে হবে।'৫৯
আবু হাতিম বলেন, 'আল্লাহ তাআলা যখন কাউকে কোনো প্রকৃত মুসলমানের বন্ধুত্ব দান করেন, তখন বুদ্ধিমত্তার দাবি হলো, কখনো এ সম্পর্ক ছিন্ন না করা। সে যদি সম্পর্ক ছিন্ন করে, তখনও তার সাথে সুসম্পর্ক অব্যাহত রাখা। সে কোনো কিছু না দিলেও তার জন্য খরচ করা। দূরে ঠেলে দিতে চাইলে কাছে আসা। প্রকৃত মুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব হলে এভাবে তার সাথে ছায়ার মতো লেগে থাকতে হবে। নিজের স্বার্থের অনুকূলে হলে বন্ধুত্ব করা এবং স্বার্থের প্রতিকূলে হলে বন্ধুত্ব ছিন্ন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারণ, মানুষের অন্যতম বড় দোষ হলো, বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে ক্ষণে ক্ষণে রং বদলানো।'৬০
বন্ধুর তরফ থেকে অবন্ধুসুলভ কোনো আচরণ পাওয়া গেলে সাথে সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করা উচিত নয়। বরং ইতিবাচক কোনো ব্যাখ্যা করে বা বন্ধুর অপারগতা মনে করে তা মেনে নেওয়া চাই।
বিনতে আব্দুল্লাহ বিন মুতি তার স্বামী তালহা বিন আব্দুর রহমান বিন আওফকে (যিনি তার সময়ে কুরাইশের সবচেয়ে বড় দানশীল ছিলেন) বলেন, 'আমি তোমার বন্ধুদের চেয়ে অকৃতজ্ঞ আর কাউকে দেখিনি।' তখন তিনি বললেন, 'চুপ করো, এভাবে বলছ কেন?' স্ত্রী বললেন, 'কারণ আমি লক্ষ করেছি যে, যখন তোমার অবস্থা সচ্ছল থাকে, তখন তারা তোমার সাথে থাকে; আর যখন তোমার অসচ্ছলতা আসে, তখন তারা তোমাকে পরিত্যাগ করে।' তখন তিনি বললেন, 'আল্লাহর কসম, আমি তো এটাকে তাদের চারিত্রিক উদারতাই মনে করি। কারণ তারা এমন সময়ে আমার কাছে আসে, যে সময় তাদের হক আদায় করার সক্ষমতা আমার থাকে। এমন সময়ে আমার কাছে আসে না, যখন তাদের হক আদায় করতে আমি অক্ষম হয়ে পড়ি। এটা তো আমার প্রতি তাদের এক ধরনের অনুগ্রহই বলা যায়।'
সুবহানাল্লাহ! বন্ধুদের নেতিবাচক একটি কাজের কীরূপ ইতিবাচক ব্যাখ্যা দিলেন দেখো! স্বার্থপরতাকে তিনি চারিত্রিক উদারতা বলে ব্যাখ্যা করলেন। আসলে যাদের ইমান মজবুত, তাকওয়া দৃঢ় ও চরিত্র সুন্দর-তাদের পক্ষেই কেবল এটা সম্ভব।
প্রিয় ভাই আমার, সালাফের পথ ছেড়ে কোথায় আমরা!?
আব্দুল্লাহ বিন মুবারক একবার হজে যাওয়ার সংকল্প করলেন। তখন তার সঙ্গীদের বললেন, 'তোমাদের মধ্যে যারা এ বছর হজে যাবে, তাদের খরচ আমার কাছে জমা দাও; সকলের পক্ষ থেকে আমি খরচ করব।' তখন সবাই নিজেদের খরচ তার কাছে জমা দিলেন। তিনি প্রত্যেক ব্যক্তির খরচ আলাদা আলাদা থলেতে ভরে-প্রত্যেক থলের ওপর মালিকের নাম লিখে একটি সিন্দুকে ভরে বাড়িতে রেখে দিলেন। অতঃপর নিজের ধনভান্ডার থেকে যথেষ্ট পরিমাণ সম্পদ ও বাহন নিয়ে সঙ্গীদের সাথে নিয়ে হজের সফরে বেরিয়ে পড়লেন। হজের সময় সকলের জন্য প্রচুর পরিমাণে খরচ করলেন। যখন হজ শেষ হলো, তখন সবাইকে বললেন, 'তোমাদের পরিবারের লোকদের হাদিয়া দেওয়ার জন্য কিছু কিনতে হলে কিনে নাও। অতঃপর তিনি সবাইকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের পরিবারের লোকদের জন্য হাদিয়ার সামান কিনে দিলেন। তারপর সবাইকে নিয়ে নিজ শহরের উদ্দেশে রওনা দিলেন। শহরে পৌঁছার পূর্বেই কিছু লোককে আগে পাঠিয়ে দিয়ে সবার বাড়ির দরজায় রং লাগালেন এবং তাদের বাড়ির পুরোনো জিনিসপত্র মেরামত করিয়ে দিলেন।

টিকাঃ
৫৮. মাজমুউল ফাতাওয়া: ২৪/১৭৩
৫৯. রওজাতুল উকালা: ১৬৯
৬০. রওজাতুল উকালা: ১০৩

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00