📘 সাইকোলজি ইসলামি দৃষ্টিকোণ > 📄 মুসলিমদের সাথে ধর্মীয় সাইকোথেরাপি

📄 মুসলিমদের সাথে ধর্মীয় সাইকোথেরাপি


পশ্চিমা ও ইসলামি সাইকোথেরাপির পদ্ধতির মধ্যে জাফরি চারটি মৌলিক পার্থক্য নির্ণয় করেছেন, [১৩]
১। আত্মকেন্দ্রিক জীবনধারা বনাম ধর্মীয় পরার্থতা : পশ্চিমা কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া ব্যক্তিকেন্দ্রিক। এখানে ব্যক্তির ব্যক্তিগত অর্জন, পরিতৃপ্তি, প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান, আগ্রহ, আত্মবিশ্বাস এবং স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। অপরদিকে ইসলামি পদ্ধতিতে ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতাকে বিবেচনায় আনার পাশাপাশি সমান বা অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করা হয় পারস্পরিক দায়িত্বশীলতার প্রতি, যেমনটি রয়েছে উম্মাহ ও ইসলামি ভাতৃত্ববোধের চেতনায়। ইসলামি কাউন্সেলিং পদ্ধতির মাধ্যমে নি:স্বার্থতা, পরোপকারিতা ও অন্যকে সুখী করতে উৎসাহিত করা হয়।
২। বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বনাম সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি: পশ্চিমা মূল্যবোধে সফলতার ভিত্তি হলো জীবনের বস্তুগত অর্জন, যেমন- শ্রেষ্ঠত্ব, সামাজিক সম্মান ও পুরস্কার অর্জন। ওদিকে ইসলাম উৎসাহিত করে বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রেই সমন্বিত উন্নয়নকে। ব্যক্তির আত্ম-উপলব্ধি তখনই ঘটবে, যখন নিজের চিন্তা-আবেগ-আচরণকে আল্লাহর ইচ্ছামাফিক ও সন্তুষ্টি অর্জনে পরিচালিত করা হবে।
৩। লাগামহীন স্বাধীনতা বনাম নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতা: পশ্চিমা কাউন্সেলিং পদ্ধতিতে (ধরে নেয়া হয়) একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনে স্বাধীন; এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ধর্মীয় বা নৈতিক সীমাবদ্ধতা নেই। লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিশ্বস্ততার অভাব, প্রতিশ্রুতিভঙ্গ, দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি প্রয়োজন হলে, তাও করা যায় অবলীলায়। অপরদিকে ইসলামি মানদন্ডে ব্যক্তি স্বাধীনতা লাভ করে শরিয়াহ নির্ধারিত সীমার মধ্যে। ব্যক্তিজীবন ও জনজীবন উভয় ক্ষেত্রেই ইসলামে বৈধ-অবৈধ স্পষ্টভাবে নির্ধারিত; যা বাস্তবায়িত হয় জবাবদিহিতার মাধ্যমে।
৪। অপরাধবোধ যুক্তিযুক্তকরণ বনাম তাওবা (Guilt Rationalization versus Repentance): পশ্চিমা কাউন্সিলিং পদ্ধতিতে ব্যক্তির সকল অন্যায়-অপরাধকে যুক্তি দিয়ে সমর্থন প্রদান করা হয়, যেন ব্যক্তি অপরাধবোধের গ্লানি থেকে মুক্তি পায়। সবকিছু নিঃশর্তে ইতিবাচক হিসেবে মেনে নেয়া হয়, ক্লায়েন্টকে সাহায্য-সমর্থন ও সমবেদনা প্রদান করা হয়। ইসলামি পদ্ধতিতে গুনাহের কাজকে উপেক্ষা করা বা সমর্থনের কোনো সুযোগ নেই; বরং তাওবার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিকে নিজের ভুল সংশোধন ও আচরণ উন্নয়নের আধ্যাত্মিক সহায়তা প্রদান করা হয়। [১৪]
উল্লেখিত কারণে সাইকোথেরাপিকে এমনভাবে সাজানো প্রয়োজন, যেন এটা মুসলিম ক্লায়েন্টদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মানানসই হয়। বিভিন্ন গবেষণা ও অধ্যয়নের মাধ্যমে দেখা গেছে, মুসলিম ক্লায়েন্টদের এংজাইটি, ডিপ্রেশন ও অন্যান্য কষ্ট লাঘবের ক্ষেত্রে ধর্মীয় সাইকোথেরাপি ফলদায়ক হয়। [১৫] এ ধরনের প্রত্যেকটি স্টাডিতে দেখা গেছে, ধর্মীয় সাইকোথেরাপি গ্রুপের ক্লায়েন্টরা সাধারণ ক্লায়েন্টদের থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অধিক দ্রুততার সাথে সাড়া প্রদান করেছেন। ইসলামি সাইকোথেরাপিতে কগনিটিভ থেরাপিরই একটি ধরন ব্যবহার করা হয়, এবং ভ্রান্ত চিন্তাধারাগুলোকে পরিবর্তন ও সংশোধন করে ইসলামি চিন্তাধারার (কুরআন ও সুন্নাহ) মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করা হয়। [১৬] ক্লায়েন্টের অসুস্থতার সাথে সম্পৃক্ত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় আলোচনা করা যেতে পারে, যেমন- কিভাবে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহর মাধ্যমে নিজের লাইফস্টাইল সংশোধন করা যায় ইত্যাদি। ক্লায়েন্ট পাপের কারণে অনুতপ্ত হলে তাকে তাওবার জন্য উৎসাহিত করা যায়。[১৭]
অত্র গ্রন্থের লেখক (ড আইশা হামদান) ইসলামি পদ্ধতিসমূহ থেকে বেশকিছু উপকারী রূপরেখা নির্ণয় করেছেন যা ধর্মীয় ক্লায়েন্টদের ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপি পদ্ধতির সাথে সমন্বয় করা যায়。[১৮] এগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী বাস্তবতা উপলব্ধি করা,
২। আখিরাতের উপর মনোযোগ প্রদান করা,
৩। দুঃখ-দুর্দশা ও বিপদাপদের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ও প্রভাব নিয়ে চিন্তা করা,
৪। আল্লাহর উপর ভরসা ও নির্ভর করা, এবং
৫। আল্লাহ তাআলার নিয়ামতসমূহের উপর মনোযোগ দেয়া।
মূলত এই পয়েন্টগুলো ইসলামি আকিদার বিভিন্ন উপাদান, যা মানুষের আত্মার খোরাক। মানব আত্মা এসবের জন্যই আকুতি জানিয়ে যাচ্ছে দিনরাত।
ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সাইকোথেরাপির আরেকটি লক্ষ্য হলো, আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণ করা, যেন এর মাধ্যমে মানসিক অসুস্থতা ও জীবনের কঠিন পরিস্থিতিগুলো মানিয়ে (কোপিং) নেওয়া যায়। সাইকোথেরাপি চলাকালে মুসলিম ক্লায়েন্টকে বিভিন্ন ইবাদতের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া যেতে পারে, যেমন- নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আজকার, আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল ও অধিক দুআ করা ইত্যাদি। সার্বিকভাবে এ সকল পদ্ধতি ব্যক্তিকে অধিকতর স্বস্তি ও 'ভালো থাকা'র অনুভূতি প্রদান করবে。[১৯]

টিকাঃ
[১৩] Jafari, 1993, pp. 330-333.
[১৪] Ibid.
[১৫] Azhar, M. Z., Varma, S. L., & Dharap, A. S., 1994, Religious psychotherapy in anxiety disorder patients, Acta Psychiatrica Scandinavica, 90(1), pp. 1-3; Azhar, M. Z., & Varma, S. L., 1995a, Religious psychotherapy in depressive patients, Psychotherapy and Psychosomatics, 63, pp. 165-168; Azhar, M. Z., & Varma, S. L., 1995b, Religious psychotherapy as management of bereavement, Acta Psychiatrica Scandinavica, 91(A), pp. 233-235; Razali, S.M., Hasanah, C. I., Aminah, K., & Subramaniam, M., 1998, Religious-sociocultural psychotherapy in patients with anxiety and depressions Australian and New Zealand Journal of Psychiatry, 32(6), pp. 867-872.
[১৬] Azhar et al., 1994, pp. 1-3; Azhar et al., 1995b, pp. 233-235.
[১৭] Hamdan, A., 2008b, Cognitive restructuring: An Islamic perspective, Journal of Muslim Mental Health, 3(1), p. 103.
[18] Ibid., pp. 104-108.
[১৯] Azhar et al., 1994, pp. 1-3; Azhar et al., 1995a, pp. 165-168; Azhar et al., 1995b, pp. 233-235.

📘 সাইকোলজি ইসলামি দৃষ্টিকোণ > 📄 রুকাইয়া

📄 রুকাইয়া


আমরা আগেই জেনেছি, রুকইয়া একটি ইসলামি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে যথাযথ ক্রমানুসারে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও দুআ পাঠের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাময়ের প্রচেষ্টা করা হয়। নিঃসন্দেহে আল্লাহই একমাত্র সুস্থতা দানকারী। রুকইয়া কার্যকর হবার জন্য শুরুতে সঠিক সমস্যা চিহ্নিত করা জরুরি। কেননা, সমস্যার ভিত্তিতে তিলাওয়াতকৃত আয়াত ও দুআর তারতম্য ঘটে। যেমন বলা যায়, জাদুটোনার চিকিৎসা বদনজর ও জিনে আছরের চিকিৎসা থেকে ভিন্ন। আধ্যাত্মিক বা গায়েবী সমস্যাসমূহ নিরাময়ের জন্য শুধুমাত্র রুকইয়াই যথেষ্ট। আর অন্যান্য শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে মেডিকেল ট্রিটমেন্ট এর পাশাপাশি রুকইয়া ব্যবহার করা যায়। এই প্রক্রিয়া কার্যকর হওয়ার জন্য একজন অভিজ্ঞ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব (রাকী) প্রয়োজন, এবং তার তাকওয়া যত উন্নত পর্যায়ের হবে রুকইয়া কার্যকর হবার সম্ভাব্যতা তত বৃদ্ধি পাবে। বাস্তবে যদি কোনো ব্যক্তি নিজেই নিজের রুকইয়া করতে পারেন সেটাই সর্বোত্তম; কিন্তু অনেক সময় ব্যক্তির অসুস্থতা ও পরিস্থিতির তীব্রতা অনুসারে সেটা সম্ভব নাও হতে পারে।
আল-ক্রেনাবী এবং গ্রাহাম (Al-Krenawi and Graham) মন্তব্য করেছেন যে, আরব ক্লায়েন্টরা প্রায়ই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের পাশাপাশি প্রথাগত (ধর্মীয়) নিরাময় পদ্ধতি যুগপৎভাবে গ্রহণ করেন। সাধারণত প্রথাগত (ধর্মীয়) নিরাময় পদ্ধতিই গ্রহণ করা হয় আগে, এরপর আধুনিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেয়া হয়। এসব প্রক্রিয়াতে পরিবারের সদস্যরাও অন্তর্ভূক্ত থাকেন এবং তারা ক্লায়েন্টকে উপযুক্ত সেবা বেছে নিতে সাহায্য করেন। লেখকদ্বয় মন্তব্য করেছেন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যাকগ্রাউন্ড অনুসারে ক্লায়েন্টকে সহযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথাগত (ধর্মীয়) নিরাময় পদ্ধতিকে যুক্ত করতে হবে。[২০]
সৌদি আরবে ধর্মীয় চিকিৎসকদের (রাকী) মধ্যে পরিচালিত একটি স্টাডিতে দেখা গেছে বদনজর, জাদুটোনা এবং জিনে আছরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে চিকিৎসা বাতলে দেওয়া হয়েছে সেটা হলো রুকইয়া। অন্যান্য বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত সালাত আদায়ের নির্দেশনা প্রদান; জিন তাড়ানো, রূপক দৈহিক শাস্তি প্রদান ও শ্বাস আটকানোর ভান করা, দম দেয়া (জিনে আছরের ক্ষেত্রে), ভেষজ উপাদান মিশ্রিত পানি পান করানো, কুরআনের আয়াত লিখিত পানি পান করানো (বিশেষত জাদুটোনার ক্ষেত্রে) ইত্যাদি。[১১]
মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য হাদিসে বিভিন্ন দুআ উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'হে আল্লাহ! আমি তোমারই বান্দা এবং তোমারই এক বান্দার পুত্র আর তোমারই এক বান্দীর পুত্র। আমার ভাগ্য তোমার হাতে, আমার উপর তোমার নির্দেশ সর্বদা কার্যকর। আমার প্রতি তোমার ফয়সালা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। আমি সেই সমস্ত নামের প্রত্যেকটির বদৌলতে চাইছি যে নাম তুমি নিজের জন্য নিজে রেখেছ অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে অবতীর্ণ করেছ অথবা তোমার সৃষ্ট জীবের মধ্যে কাউকে নাম শিখিয়েছ অথবা নিজের জন্য হিফাজত করে রেখেছ, আমি তোমার নিকট এই কাতর প্রার্থনা করি যে তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের জন্যে। প্রশান্তি, বক্ষের আলো, আমার চিন্তা ভাবনা অপসারণকারী এবং উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূরকারী। (আহমাদ, তাবারানি, উত্তম সনদে বর্ণিত)
আব্দুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) কষ্টের সময় বলতেন,
لا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ
'আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্য মা'বুদ নেই, যিনি সুমহান ও সহিষ্ণু। আল্লাহ্ ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি সুবৃহৎ আরশের প্রতিপালক। আল্লাহ্ ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও সন্মানিত আরশের অধিপতি।' (বুখারি ও মুসলিম)
আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে দুআ করতে শুনেছেন, 'ইয়া আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণভার ও লোকদের প্রাধান্য থেকে আপনার কাছে পানাহ চাচ্ছি।' (বুখারি)
দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান যুগে ঈমানি দুর্বলতার কারণে লোকেরা শরিয়ত সম্মত চিকিৎসাপদ্ধতি বর্জন করেছে এবং নানা ধরনের মেডিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতির উপরই কেবল নির্ভর করছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রে এসব পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী দুর্দশাও সৃষ্টি হয়। ক্ষেত্রবিশেষে কিছু উপকার লাভ হলেও তাওহিদের দাবি হলো, সর্বদা এই বিশ্বাস অন্তরে রাখা যে নিরাময় একমাত্র আল্লাহই করে থাকেন, যে পদ্ধতি অনুসরণ করেই নিরাময় করা হোক না কেন। যদি বলা হয় অমুক ঔষধের মধ্যে নিরাময় আছে বা অমুক চিকিৎসক নিরাময় করেছেন, তাহলে এটা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য ঈমান খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, অথচ বিষয়টি আমরা ভুলে গেছি! যখন ঈমান বিশুদ্ধ ও মজবুত হবে, তখন রুকইয়া করলে আল্লাহর রহমত ও ইচ্ছা অনুসারে নিরাময় লাভ হবে দ্রুত ও মজবুতভাবে。

টিকাঃ
[२०] al-Krenawi, A., & Graham, J. R., 2000, Culturally sensitive social work practice with Arab clients in mental health settings, Health & Social Work, 25(1), p. 18.
[১১] al-Habeeb, 2004.

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00