📘 প্রতীক্ষিত মাহদি দাজ্জাল ও ইয়াজুজ মাজুজ 📄 ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা থেকে মুক্তি

📄 ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা থেকে মুক্তি


হে আল্লাহর বান্দাগণ! এখন আমাদের জন্য অপরিহার্য করণীয় হলো, নিজেদেরকে বিরাট এ প্রশ্নের সম্মুখীন করা যে, ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? দাজ্জাল, ইয়াজুজ-মাজুজ এসব হলো কিয়ামতের অন্যতম বড়ো দুই নিদর্শন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের আবির্ভাবের সময় ঘনিয়ে এসেছে। ঘনিয়ে এসেছে কিয়ামতের সময়। তাই এই ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা এবং কিয়ামতের প্রস্তুতিস্বরূপ আমাদের করণীয় কী?

আমরা কি নামাজ আদায় করি? আমরা কি নামাজের প্রতি যত্নবান? আমরা কি অশ্লীলতা ও মন্দকাজ থেকে বিরত থাকি? আল্লাহর অবাধ্যতা ও নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকি? প্রবৃত্তি ও শয়তানের অনুসরণ থেকে কি নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছি? জনৈক ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, 'কিয়ামতের জন্য তুমি কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ?' লোকটি বলল, 'আল্লাহ ও তার রাসুলের ভালোবাসা।'

সুতরাং হে আল্লাহর বান্দা! কিয়ামতের বিভীষিকা থেকে বাঁচার জন্য, দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের ঘোর ফিতনা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? নিজেদেরকে জিজ্ঞেস করার সময় এসেছে। আজ সময় হয়েছে নিজেদের আত্মজিজ্ঞাসার। সময় হয়েছে মুক্তি ও নাজাতের ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণ করার। হে আল্লাহর বান্দাগণ! ভয় করো সেদিনকে যেদিনের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেছেন, 'তোমরা ভয় করো সেদিনকে যেদিন তোমাদেরকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।'

অন্য আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা বলেন, 'যেদিন এই জমিনকে অন্য জমিনে পরিবর্তন করা হবে; আসমানসমূহকেও পরিবর্তন করা হবে এবং মানুষ একক, পরাক্রমশালী আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। সেদিন তুমি পাপীদেরকে একত্রে শিকল পরানো অবস্থায় দেখতে পাবে। তাদের পোশাক হবে আলকাতরার এবং আগুন তাদের মুখমণ্ডল আচ্ছন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ প্রত্যেককে তার কর্মের প্রতিফলন দেবেন।'

পৃথিবীর বুকে হজরত আদম আলাইহিস সালামের সূচনা থেকে কিয়ামত অবধি যত ফিতনা ও বিপর্যয় ঘটেছে ও ঘটবে তন্মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো দাজ্জাল। যুগে যুগে সকল নবী ও রাসুল তার উম্মতকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন। দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের নির্মমতা ও উৎপীড়ন থেকে মানুষ ও মানবতার মুক্তির জন্য পৃথিবীর ত্রাণকর্তা হয়ে আসমান থেকে অবতীর্ণ হবেন হজরত ইসা আলাইহিস সালাম। অব্যাহত জুলুম ও কুফুরের বিরুদ্ধে লড়াই পরিচালনার জন্য ঈমানদারদের নেতা হয়ে আগমন করবেন ইমাম মাহদি। তাদের হাতে পতন ঘটবে দাজ্জাল ও তার অনুসারীদের। সলিল সমাধি রচিত হবে শক্তিশালী জাতি ইয়াজুজ-মাজুজের। পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হবে সত্যের শাসন। ইনসাফের শাসন। আল্লাহর জমিনে কায়েম হবে আল্লাহর বিধান। সকল প্রকার মতবাদ, ইজম ও তন্ত্র-মন্ত্রের অবসান ঘটবে। পতপত করে উড়বে কেবল কালিমার নিশান।

টিকাঃ
১০১. সুরা বাকারা: ২৮১।
১০২. সুরা ইবরাহিম: ৪৮-৫২।

হে আল্লাহর বান্দাগণ! এখন আমাদের জন্য অপরিহার্য করণীয় হলো, নিজেদেরকে বিরাট এ প্রশ্নের সম্মুখীন করা যে, ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? দাজ্জাল, ইয়াজুজ-মাজুজ এসব হলো কিয়ামতের অন্যতম বড়ো দুই নিদর্শন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের আবির্ভাবের সময় ঘনিয়ে এসেছে। ঘনিয়ে এসেছে কিয়ামতের সময়। তাই এই ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা এবং কিয়ামতের প্রস্তুতিস্বরূপ আমাদের করণীয় কী?

আমরা কি নামাজ আদায় করি? আমরা কি নামাজের প্রতি যত্নবান? আমরা কি অশ্লীলতা ও মন্দকাজ থেকে বিরত থাকি? আল্লাহর অবাধ্যতা ও নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকি? প্রবৃত্তি ও শয়তানের অনুসরণ থেকে কি নিজেদের মুক্ত করতে পেরেছি? জনৈক ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, 'কিয়ামতের জন্য তুমি কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ?' লোকটি বলল, 'আল্লাহ ও তার রাসুলের ভালোবাসা।'

সুতরাং হে আল্লাহর বান্দা! কিয়ামতের বিভীষিকা থেকে বাঁচার জন্য, দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের ঘোর ফিতনা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? নিজেদেরকে জিজ্ঞেস করার সময় এসেছে। আজ সময় হয়েছে নিজেদের আত্মজিজ্ঞাসার। সময় হয়েছে মুক্তি ও নাজাতের ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণ করার। হে আল্লাহর বান্দাগণ! ভয় করো সেদিনকে যেদিনের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেছেন, 'তোমরা ভয় করো সেদিনকে যেদিন তোমাদেরকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।'

অন্য আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা বলেন, 'যেদিন এই জমিনকে অন্য জমিনে পরিবর্তন করা হবে; আসমানসমূহকেও পরিবর্তন করা হবে এবং মানুষ একক, পরাক্রমশালী আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। সেদিন তুমি পাপীদেরকে একত্রে শিকল পরানো অবস্থায় দেখতে পাবে। তাদের পোশাক হবে আলকাতরার এবং আগুন তাদের মুখমণ্ডল আচ্ছন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ প্রত্যেককে তার কর্মের প্রতিফলন দেবেন।'

পৃথিবীর বুকে হজরত আদম আলাইহিস সালামের সূচনা থেকে কিয়ামত অবধি যত ফিতনা ও বিপর্যয় ঘটেছে ও ঘটবে তন্মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো দাজ্জাল। যুগে যুগে সকল নবী ও রাসুল তার উম্মতকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন। দাজ্জাল ও ইয়াজুজ-মাজুজের নির্মমতা ও উৎপীড়ন থেকে মানুষ ও মানবতার মুক্তির জন্য পৃথিবীর ত্রাণকর্তা হয়ে আসমান থেকে অবতীর্ণ হবেন হজরত ইসা আলাইহিস সালাম। অব্যাহত জুলুম ও কুফুরের বিরুদ্ধে লড়াই পরিচালনার জন্য ঈমানদারদের নেতা হয়ে আগমন করবেন ইমাম মাহদি। তাদের হাতে পতন ঘটবে দাজ্জাল ও তার অনুসারীদের। সলিল সমাধি রচিত হবে শক্তিশালী জাতি ইয়াজুজ-মাজুজের। পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হবে সত্যের শাসন। ইনসাফের শাসন। আল্লাহর জমিনে কায়েম হবে আল্লাহর বিধান। সকল প্রকার মতবাদ, ইজম ও তন্ত্র-মন্ত্রের অবসান ঘটবে। পতপত করে উড়বে কেবল কালিমার নিশান।

টিকাঃ
১০১. সুরা বাকারা: ২৮১।
১০২. সুরা ইবরাহিম: ৪৮-৫২।

ফন্ট সাইজ
15px
17px