📄 কুরআনুল কারিমে ইয়াজুজ-মাজুজের আলোচনা
কুরআনুল কারিমের দুটি জায়গায় আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ইয়াজুজ-মাজুজের আলোচনা করেছেন। প্রথমটি হলো সুরা আম্বিয়ায় বর্ণিত আয়াত: 'অবশেষে যখন ইয়াজুজ-মাজুজকে ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তারা প্রতিটি উচ্চভূমি থেকে দ্রুত নেমে আসবে।'
দ্বিতীয়টি হলো, সুরা কাহাফে বর্ণিত বাদশাহ জুলকারনাইনের ঘটনা। যেতে যেতে তিনি যখন দুই পর্বতের মাঝে পৌঁছলেন তখন সেখানে একদল লোককে পেলেন যারা তার কোনো কথাই বুঝতে পারছিল না। তারা বলল, হে জুলকারনাইন! ইয়াজুজু-মাজুজ দেশে বড়ো ফিতনা-ফ্যাসাদ করছে। অতএব আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর তৈরি করে দিন। তিনি বললেন, আমার প্রভু আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন তাই ভালো। তোমরা আমাকে জনবল দিয়ে সাহায্য করো। তোমরা আমাকে লৌহপিণ্ড এনে দাও। অতঃপর দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা ভরাট করে তিনি সিসা ও তামা ঢেলে প্রাচীরটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও মজবুত করলেন। ফলে ইয়াজুজ-মাজুজ ওই প্রাচীর ডিঙাতে পারেনি এবং তাতে ছিদ্রও করতে পারেনি। জুলকারনাইন বললেন, এটা আমার প্রভুর পক্ষ থেকে এক অনুগ্রহ। তবে যখন আমার প্রভুর প্রতিশ্রুতি এসে যাবে তখন তিনি একে মাটির সাথে সমান করে দেবেন।
এই হলো মুত্তাকি, খোদাভীরু ও আল্লাহর অনুগত বান্দাদের অবস্থা। তারা যখন কোনো ভালো কাজ সম্পাদন করেন তখন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। পক্ষান্তরে যারা অহংকারী, কারুনের মতো, তারা সবকিছু নিজেদের কৃতিত্ব বলে জ্ঞান করে।
ইয়াজুজ-মাজুজ যেদিন পৃথিবীতে বেরিয়ে আসবে সেদিনের অবস্থা হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন ডাকবেন, হে আদম! তখন তিনি জবাব দেবেন, হে আল্লাহ! আমি হাজির। তখন আল্লাহ বলবেন, জাহান্নামিদের বের করে দাও। আদম (আ.) বলবেন, জাহান্নামি কারা? আল্লাহ বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শ নিরানব্বই জন। এ সময়কার ভয়াবহতায় গর্ভবতী তার গর্ভপাত করে ফেলবে। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত একজন কে? তিনি বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। কেননা, একজন হবে তোমাদের মধ্য থেকে আর এক হাজারের অবশিষ্টরা হবে ইয়াজুজ-মাজুজ থেকে।
সেদিন কাফেরদের চোখের সামনে জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে। এই কুরআন মানুষের জন্য একটি বার্তা; যাতে এর দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা যায় এবং যাতে বুদ্ধিমানরা শিক্ষা গ্রহণ করে।
টিকাঃ
৭৭. সুরা আম্বিয়া: ৯৬।
৭৮. সুরা কাহাফ: ৯৩-৯৯।
৭৯. সুরা কাহাফ: ৯৩।
৮০. সুরা কাহাফ: ৯৪।
৮১. সুরা কাহাফ: ৯৪।
৮২. সুরা কাহাফ: ৯৫।
৮৩. সুরা কাহাফ: ৯৫।
৮৪. সুরা কাহাফ: ৯৬।
৮৫. সুরা কাহাফ: ৯৬।
৮৬. সুরা কাহাফ: ৯৬।
৮৭. সুরা কাহাফ: ৯৭।
৮৮. সুরা কাহাফ: ৯৭।
৮৯. সুরা নামল: ৪০।
৯০. সুরা কাসাস: ৭৮।
৯১. সুরা কাসাস: ৮১।
৯২. সুরা কাহাফ: ৯৯।
৯৩. সুরা আম্বিয়া: ৯৬।
৯৪. সহিহ বুখারি: ৩১৭০।
৯৫. সুরা কাহাফ: ৯৯-১০৬।
📄 কিয়ামতের নিদর্শন আলোকপাত করার রহস্য
হে আল্লাহর বান্দারা! কিয়ামতের এসব গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সম্পর্কে আলোকপাত করার কারণ হলো, আল্লাহ তায়ালার সাথে মুমিনের সাক্ষাতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা। মুমিনদের মধ্যে যারা গাফেল, উদাসীন, আত্মভোলা তারা যেন অবচেতনের নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়। তাদের হৃদয়ে যেন আল্লাহর ভয়, কিয়ামত দিবসের বিভীষিকা জাগ্রত হয়। এ সমস্ত আলোচনা নিছক রোমাঞ্চের জন্য নয়। নয় অজানা বিষয় জেনে আনন্দ লাভ করার জন্য।
জেনে রাখ, কিয়ামত তিন প্রকার: কিয়ামতে কুবরা—বড়ো কিয়ামত, কিয়ামতে ওসতা—মধ্যম ধরনের কিয়ামত এবং কিয়ামতে সুগরা—ছোটো কিয়ামত। কিয়ামতে কুবরা তথা বড়ো কিয়ামত হলো, যেদিন আল্লাহ তায়ালা সমগ্র সৃষ্টিজগৎ ধ্বংস করবেন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীকে একত্রিত করবেন।
কিয়ামতে ওসতা তথা মধ্যম ধরনের কিয়ামত হলো, আলেম, হাফেজ ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের মৃত্যু। হজরত আয়িশা রাদি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আরবের লোকেরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে কিয়ামতের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করল। তখন রাসুল তাদের মধ্যকার সবচেয়ে কমবয়সি ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললেন, কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না সে বৃদ্ধ হবে। অর্থাৎ, তোমাদের জীবদ্দশায় কিয়ামত সংঘটিত হবে না। কিয়ামতে সুগরা তথা ছোটো কিয়ামত হলো, অন্যান্য সাধারণ মানুষের মৃত্যু। মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার কিয়ামত শুরু হয়ে যায়। একে ছোটো কিয়ামত বলা হয়।
হে আল্লাহর বান্দারা! কিয়ামতের এসব গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সম্পর্কে আলোকপাত করার কারণ হলো, আল্লাহ তায়ালার সাথে মুমিনের সাক্ষাতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা। মুমিনদের মধ্যে যারা গাফেল, উদাসীন, আত্মভোলা তারা যেন অবচেতনের নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়। তাদের হৃদয়ে যেন আল্লাহর ভয়, কিয়ামত দিবসের বিভীষিকা জাগ্রত হয়। এ সমস্ত আলোচনা নিছক রোমাঞ্চের জন্য নয়। নয় অজানা বিষয় জেনে আনন্দ লাভ করার জন্য।
জেনে রাখ, কিয়ামত তিন প্রকার: কিয়ামতে কুবরা—বড়ো কিয়ামত, কিয়ামতে ওসতা—মধ্যম ধরনের কিয়ামত এবং কিয়ামতে সুগরা—ছোটো কিয়ামত। কিয়ামতে কুবরা তথা বড়ো কিয়ামত হলো, যেদিন আল্লাহ তায়ালা সমগ্র সৃষ্টিজগৎ ধ্বংস করবেন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীকে একত্রিত করবেন।
কিয়ামতে ওসতা তথা মধ্যম ধরনের কিয়ামত হলো, আলেম, হাফেজ ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের মৃত্যু। হজরত আয়িশা রাদি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আরবের লোকেরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে কিয়ামতের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করল। তখন রাসুল তাদের মধ্যকার সবচেয়ে কমবয়সি ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললেন, কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না সে বৃদ্ধ হবে। অর্থাৎ, তোমাদের জীবদ্দশায় কিয়ামত সংঘটিত হবে না। কিয়ামতে সুগরা তথা ছোটো কিয়ামত হলো, অন্যান্য সাধারণ মানুষের মৃত্যু। মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার কিয়ামত শুরু হয়ে যায়। একে ছোটো কিয়ামত বলা হয়।
📄 কারা ইয়াজুজ-মাজুজ?
ইয়াজুজ-মাজুজ মানবজাতিরই একটি অংশ। অন্যান্য সকল মানুষের মতো তারাও হজরত আদম ও হজরত হাওয়া আলাইহিমাস সালামের সন্তান ও বংশধর। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'ইয়াজুজ-মাজুজ আদম আলাইহিস সালামের সন্তানদের মধ্য থেকে। তারা যখন মানুষের নিকট আসবে তাদের সবকিছু নষ্ট করে ফেলবে। তাদের একজন মারা যাওয়ার সময় এক হাজারের অধিক সন্তান-সন্তুতি রেখে যাবে।'
মুসনাদে আহমদে হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'নুহ আলাইহিস সালামের সন্তান তিন জন। সাম—সে আরবদের পিতা। হাম—সে সুদানদের পিতা। ইয়াফেস—সে তুর্কিদের পিতা।'
টিকাঃ
৯৬. কানযুল উম্মাল: ৩৮৮৭২।
৯৭. কানযুল উম্মাল: ৩২৩৯৪; মুসনাদে আহমদ: ২০১১৪।
ইয়াজুজ-মাজুজ মানবজাতিরই একটি অংশ। অন্যান্য সকল মানুষের মতো তারাও হজরত আদম ও হজরত হাওয়া আলাইহিমাস সালামের সন্তান ও বংশধর। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'ইয়াজুজ-মাজুজ আদম আলাইহিস সালামের সন্তানদের মধ্য থেকে। তারা যখন মানুষের নিকট আসবে তাদের সবকিছু নষ্ট করে ফেলবে। তাদের একজন মারা যাওয়ার সময় এক হাজারের অধিক সন্তান-সন্তুতি রেখে যাবে।'
মুসনাদে আহমদে হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'নুহ আলাইহিস সালামের সন্তান তিন জন। সাম—সে আরবদের পিতা। হাম—সে সুদানদের পিতা। ইয়াফেস—সে তুর্কিদের পিতা।'
টিকাঃ
৯৬. কানযুল উম্মাল: ৩৮৮৭২।
৯৭. কানযুল উম্মাল: ৩২৩৯৪; মুসনাদে আহমদ: ২০১১৪।
📄 কোথায় ইয়াজুজ-মাজুজের আবাসস্থল?
কতক উলামায়ে কিরাম বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজ হলো ইয়াফেস এর বংশধর, যিনি তুর্কিদের পিতা। তাদেরকে যেহেতু বাদশাহ জুলকারনাইন লোহা ও সিসার সুদৃঢ় প্রাচীরের পেছনে ফেলে রেখেছেন তাই তাদেরকে তুরক বলা হয়। বর্তমানে কোথায় আছে ইয়াজুজ-মাজুজ? কোথায় কোন প্রাচীরের পেছনে তাদেরকে আটকে রাখা হয়েছে? এ নিয়ে একাধিক মত রয়েছে।
হজরত ইবনে আব্বাস রাদি. বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজকে যে দুই প্রাচীরের মাঝে আবদ্ধ রাখা হয়েছে সে দুটি প্রাচীর হলো আরমেনিয়া ও আজারবাইজানের দুটি পাহাড়। আর কতক ইহুদি পণ্ডিত বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজকে পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে আটকে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তা এতই দূরবর্তী যে, সেখানে তারা ব্যতীত অন্য কোনো মানুষের বসবাস সম্ভব নয়। আর কেউ কেউ বলেন, এটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মত—ইয়াজুজ-মাজুজ পৃথিবীর এমন এক স্থানে রয়েছে যার ব্যাপারে কেউ অবগত নয়। বরং আল্লাহ তায়ালাই তা মানুষের নিকট গোপন রেখেছেন।
বাদশাহ জুলকারনাইনের তিনটি সফরের কথা পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আছে। এর মধ্যে প্রথম দুটি সফরের স্থান আল্লাহ তায়ালা উল্লেখ করেছেন। একটি হলো সূর্যাস্তের স্থান, দ্বিতীয়টি হলো সূর্যোদয়ের স্থান। কিন্তু তৃতীয় স্থানটির নাম আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমে উল্লেখ করেননি। গোপন রেখেছেন। নিশ্চয় এর মাঝে আল্লাহ তায়ালার বিশেষ হিকমাহ ও প্রজ্ঞা রয়েছে। নাম গোপন রেখে বরং এভাবে বলেছেন, 'চলতে চলতে তিনি যখন দুই বাঁধের [পাহাড়ের] মাঝখানে পৌঁছলেন।' কোথায় এ জায়গা তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন।
কতক উলামায়ে কিরাম বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজ হলো ইয়াফেস এর বংশধর, যিনি তুর্কিদের পিতা। তাদেরকে যেহেতু বাদশাহ জুলকারনাইন লোহা ও সিসার সুদৃঢ় প্রাচীরের পেছনে ফেলে রেখেছেন তাই তাদেরকে তুরক বলা হয়। বর্তমানে কোথায় আছে ইয়াজুজ-মাজুজ? কোথায় কোন প্রাচীরের পেছনে তাদেরকে আটকে রাখা হয়েছে? এ নিয়ে একাধিক মত রয়েছে।
হজরত ইবনে আব্বাস রাদি. বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজকে যে দুই প্রাচীরের মাঝে আবদ্ধ রাখা হয়েছে সে দুটি প্রাচীর হলো আরমেনিয়া ও আজারবাইজানের দুটি পাহাড়। আর কতক ইহুদি পণ্ডিত বলেন, ইয়াজুজ-মাজুজকে পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে আটকে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তা এতই দূরবর্তী যে, সেখানে তারা ব্যতীত অন্য কোনো মানুষের বসবাস সম্ভব নয়। আর কেউ কেউ বলেন, এটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মত—ইয়াজুজ-মাজুজ পৃথিবীর এমন এক স্থানে রয়েছে যার ব্যাপারে কেউ অবগত নয়। বরং আল্লাহ তায়ালাই তা মানুষের নিকট গোপন রেখেছেন।
বাদশাহ জুলকারনাইনের তিনটি সফরের কথা পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আছে। এর মধ্যে প্রথম দুটি সফরের স্থান আল্লাহ তায়ালা উল্লেখ করেছেন। একটি হলো সূর্যাস্তের স্থান, দ্বিতীয়টি হলো সূর্যোদয়ের স্থান। কিন্তু তৃতীয় স্থানটির নাম আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমে উল্লেখ করেননি। গোপন রেখেছেন। নিশ্চয় এর মাঝে আল্লাহ তায়ালার বিশেষ হিকমাহ ও প্রজ্ঞা রয়েছে। নাম গোপন রেখে বরং এভাবে বলেছেন, 'চলতে চলতে তিনি যখন দুই বাঁধের [পাহাড়ের] মাঝখানে পৌঁছলেন।' কোথায় এ জায়গা তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন।