📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ > 📄 ক্ষমা প্রার্থনার দু‘আ

📄 ক্ষমা প্রার্থনার দু‘আ


أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ.
উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কুইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ : আমি ঐ মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, যিনি ছাড়া অন্য কোন মা'বুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, সর্বস্থানে এবং সর্বক্ষণের জন্য তিনিই রক্ষণাবেক্ষণকারী। আমি তাঁরই প্রতি প্রত্যাবর্তিত হলাম। (আবূ দাউদ- হাঃ ১৫১৭, তিরমিযী- হাঃ ৩৫৭৭ : সহীহ)
ফাযীলাত : যে ব্যক্তি উপরোক্ত দু'আ পাঠ করে সে জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে। (সুনান আবু দাউদ- হাঃ ১৫১৭ : সহীহ)
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ ﴾
উচ্চারণ : রব্বিফির্ ওয়ারহাম ওয়া আন্তা খইরুর্ র-হিমীন।
অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! ক্ষমা কর ও রহম কর, তুমি রহমকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। (সূরাহ্ আল মু'মিনূন ২৩ : ১১৮)

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ > 📄 সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা তাওবার সরদার

📄 সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা তাওবার সরদার


প্রত্যেহ সকালে তিনবার করে পড়লে বান্দার রাতের গুনাহ এবং সন্ধ্যায় পড়লে দিনের গুনাহসমূহ আল্লাহ মাফ করে দেন।
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَى وَأَبُو بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ.
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আন্তা রাব্বী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা খালাক্কানী ওয়া আনা- 'আবদুকা ওয়া আনা- 'আলা- 'আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতা'তু ওয়া আ'ঊযুবিকা মিন শার্রি মা- সানা'তু আবুউলাকা বি নি'মাতিকা 'আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী, ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা- আন্তা।
অর্থ : হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া আর কোন মা'বৃদ নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি যথাসাধ্য তোমার প্রতি আমার কৃত প্রতিজ্ঞা পালনে ওয়া'দাবদ্ধ। আমি যা করেছি তার ক্ষতিকর পরিণাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় ভিক্ষা করছি। আমার প্রতি তোমার নি'আমাত স্বীকার করছি এবং নিজের অপরাধও স্বীকার করছি। অতএব আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ছাড়া গুনাহ্ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। (বুখারী- হাঃ ৬৩০৬, তিরমিযী- হাঃ ৩৩৯৩, ইব্‌ন মাজাহ- হাঃ ৩৮৭২, নাসায়ী- হাঃ ৫৫২২)
ফাযীলাত : যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সন্ধ্যার সময় এ দু'আ পড়ে এবং (রাতেই) মারা যায় তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে কিংবা বলেছেন, সে জান্নাতবাসী হবে। আর যদি কেউ এ দু'আ দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকালবেলা পড়ে এবং ঐ দিনই মারা যায়, তবে সেও অনুরূপ জান্নাতবাসী হবে। (সহীহুল বুখারী- হাঃ ৬৩০৬)

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ > 📄 শির্ক থেকে বাঁচার দু‘আ

📄 শির্ক থেকে বাঁচার দু‘আ


রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যদি কোন ব্যক্তি সকাল-বিকাল এ দু'আ তিনবার করে পাঠ করে, তাহলে সে শির্ক থেকে বাঁচতে পারবে।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُبِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ وَاسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ.
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ'ঊযুবিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা- আ'লামু ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ'লাম।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমার জানা অবস্থায় তোমার শির্ক করা হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আর অজানা অবস্থায় শির্ক হয়ে গেলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (সহীহুল জামি'- হাঃ ৩৭৩১, ৩য় খণ্ড, পৃঃ ২৩৩)

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ > 📄 আয়াতুল কুরসী ও তার ফাযীলাত

📄 আয়াতুল কুরসী ও তার ফাযীলাত


اللهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ، وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
উচ্চারণ : আল্ল-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কুইয়্যুম, লা- তা'খুযুহু সিনাতু ওয়ালা- নাওম, লাহু মা- ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামা- ফিল আর্যি, মান্ যাল্লাযী- ইয়াশফা'উ 'ইন্দাহু ইল্লা- বিইস্নিহ, ইয়া'লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়ামা- খল্‌ল্ফাহুম, ওয়ালা- ইউহীতূনা বিশাইয়িম্ মিন্ 'ইল্মিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ, ওয়াসি'আ কুন্সীইউহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল্ আর্য, ওয়ালা- ইয়াউদুহু হিফ্যুহুমা- ওয়া হুওয়াল 'আলীউল্ 'আযী-ম।
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মা'বুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী, তাকে তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না; আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে সব কিছু তাঁরই। কে এমন আছে যে, তাঁর দরবারে বিনা অনুমতিতে সুপারিশ করতে পারে? তিনি তাদের আগে ও পিছের সব কিছু জানেন। তিনি যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসী আকাশ ও পৃথিবী পরিব্যাপ্ত, আর এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।
কিছু শাফা'আত (সুপারিশ) পেশ করবে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সব কিছুই তিনি জানেন, তাঁর জানা বিষয়সমূহের কোন কিছুই (তাঁর সৃষ্টির) কারো জ্ঞানের সীমা পরিসীমার আওতাধীন হতে পারে না, তবে কিছু জ্ঞান যদি তিনি কাউকে দান করেন (তবে তা ভিন্ন কথা), তাঁর কুরসী (আসন) আসমান জমিনের সব কিছুই পরিবেষ্টন করে আছে। আর এদের হিফাযাত করার কাজ কখনো তাঁকে ক্লান্ত করতে পারে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান। (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৫৫)
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেন : যে বক্তি প্রত্যেক ফার্য 'সলাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে তার মাঝে এবং জান্নাতের মাঝে একটা পর্দা রয়েছে যা পার হতে পারলেই সে জান্নাতে চলে যাবে। আর সে পর্দাটি হল মৃত্যু। উক্ত হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, মৃত্যুর পরই সে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা জান্নাত দিয়ে দিবেন। (সহীহাহ্ হাঃ ৯৭২; ইবনু হিব্বান : সহীহ)
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ.
“প্রভু! আমাকে ক্ষমা করো এবং আমার তাওবাহ্ ক্ববূল করো। কেননা তুমিই তাওবাহ্ ক্ববূলকারী ও করুণাময়।” (সুনান ইবনু মাজাহ- হাঃ ৩৮১৪ : সহীহ)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00